ভয়েস অব পটিয়া: পটিয়ায় এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণি কক্ষে ছাত্রীকে ক্লাসে কথা বলার জেরে কান ধরে উঠাবসা করে চুল ধরে টানাহেঁচড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পটিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে আধাঘন্টা কান ধরে উঠাবসা, চুল ধরে টানাহেঁচড়া

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়ায় এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণি কক্ষে ছাত্রীকে ক্লাসে কথা বলার জেরে কান ধরে উঠাবসা করে চুল ধরে টানাহেঁচড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত রোববার দুপুর ২ টায় পটিয়া পৌর সদরের আবদুর রহমান সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। 

ওই ছাত্রীকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। আহত ওই ছাত্রীর নাম মেহেরুন্নেছা (১৩)। সে বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। জানা যায়, গতকাল দুপুর দুইটায় আবদুর রহমান সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞানের কোচিং ক্লাস চলছিল। ক্লাস চলাকালে ছাত্রীটি পাশের অন্য ছাত্রীর সাথে কথা বলছিল। এ সময় ক্লাস শিক্ষক শমসের ইসলাম তা দেখতে পেয়ে ক্ষুদ্ধ হন। এতে শিক্ষক ছাত্রীকে আধঘন্টা কান ধরে উঠাবসা করায়। পরে ছাত্রীটি কান্না করলে উক্ত শিক্ষক চুল ধরে টানাহেঁচড়া করে গুরুতর আহত করে। এতে ছাত্রীটি ক্লাসের ভিতরই অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় ওই শিক্ষক ক্লাস থেকে চলে যায়। পরে ছাত্রীটির সহপাঠীরা তার মা নুরুন্নাহার বেগমকে খবর দিলে স্কুলে এসে তার মা ও সহপাঠীরা পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়।

এ ব্যাপারে আহত স্কুল ছাত্রী মেহেরুন্নেছা ও মা নুরুন্নাহার বেগম জানান, ক্লাসে কথা বলায় শিক্ষক শমসের ইসলাম তাকে আধাঘন্টা কান ধরে উঠাবসা করায়। এতে সে কান্না করলে তাকে চুল ধরে টানাহেঁচড়া করে। খবর পেয়ে স্কুলে পৌঁছে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় দেখে তার সহপাঠীদের সহায়তায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করান। তিনি ওই শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন। 
অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক শমসের ইসলাম জানান, ক্লাসে কথা বলায় ছাত্রীটিকে কান ধরে উঠবস করিয়েছি। কিন্তু চুল ধরে টানা হেঁচড়ার অভিযোগ সত্য নয়। 

এ ব্যাপারে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকেয়া পারভীন জানান, এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Like us on https://www.facebook.com/VoiceofPatiyaFans
Share To:

Voice of Patiya

Post A Comment:

0 comments so far,add yours

Note: Only a member of this blog may post a comment.