পটিয়ার অভ্যন্তরীন রোডে প্রশাসনিক ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

পটিয়ার অভ্যন্তরীন রোডে প্রশাসনিক ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ভয়েস অব পটিয়া-আনোয়ার আলমদার (দক্ষিণ পটিয়া প্রতিনিধি): মহাসড়কে সিএনজি এবং তিন চাকার যানের চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকারী নির্বাহী আদেশ জারির পর থেকে পটিয়াতে অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে সিএনজি চলাচলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে প্রায় প্রতিদিন যাত্রীদের সাথে কম-বেশী বাড়াবাড়ি থেকে শুরু করে মারামারি অব্যাহত রয়েছে।

অপরদিকে সিএনজি কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের দূর্ভোগে ফেলার পরিকল্পনা নিয়ে সিএনজি ধর্মঘট থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন এলাকার সার্ভিস বন্ধ রাখে। তারপর এলাকার প্রতিনিধিদের নিয়ে পটিয়া অটো-টেম্পো, টেক্সী, মাহেন্দ্র, রাবি, টাটা এইচ পরিবহন শ্রমিক কল্যাণ সমবায় সমিতি কার্যালয়ে ভাড়া বাড়ানোর জন্য এক পরামর্শ সভা করে এরপর গত ২২ শে আগষ্ট আলমদার পাড়া টেম্পো স্টেশনে, স্থানীয় যাত্রীদের নিয়ে এক পরামর্শ সভা করে এতেও সিএনজি কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়।

ভাড়া বৃদ্ধির তালিকা
সর্বশেষ আজ থেকে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, এসপি সার্কেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার জ্ঞাতসারে পটিয়া সদর হতে মূরালী ঘাট ও ছনহরা রোড়ের ভাড়া পূর্ণ নির্ধারন বলা হয় মর্মে এক প্রজ্ঞাপন জারী করে। এতে পটিয়া সদর হতে ধাউরডেঙ্গা রাস্তার মাথা মূরালী ২০/-, চাটরা ও বরিয়া স্কুল ১৮/- ভাটিখাইন স্কুল ও আলমদার পাড়া ১৩/-, ভাটিখাইন ব্রীজ ১০/-, উত্তর ও দক্ষিণ ছনহরা ২০/- নির্ধারণ করেন এবং সে পরিমানে ভাড়া আজকে সকাল থেকে আদায় করা শুরু করেছে। 
এতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেন। ইউএনও এলাকাবাসীদের সান্ত্বনা দেন এবং এদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি জানান, "থানা কর্তৃপক্ষের ভাড়া বাড়ানোর কোন এখতিয়ার নেই। তাছাড়া প্রশাসনিক ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে যদি ভাড়া আদায় করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।"

ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপারে ভাটিখাইনের মোঃ শফি, আলমদার পাড়ার খোরশেদ আলম, চাটরার আমির হোসেন, ধাউরডেঙ্গার আরমান উদ্দিন, মূরালী ঘাটের জাফর আহমদ, উত্তর ছনহরার জুয়েল ও দক্ষিণ ছনহরার আতিক বলেন,"ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি সম্পুর্ণ অযৌক্তিক আর তা যদি করতে হয় তাহলে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় সাপেক্ষে করতে হবে। এখানে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।" 

এ বিষয়ে শ্রমিক কল্যান সমিতির সভাপতি জনাব নূরুল আলমের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অবগত আছেন।

পটিয়ার প্রতিমুহুর্তের সংবাদ পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যোগ দিন
Share To:

Voice of Patiya

Post A Comment:

0 comments so far,add yours

Note: Only a member of this blog may post a comment.