ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ২৮ বছর আগে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরকে অপহরণের পর খুন করে মরদেহ গুম করার অপরাধে ৬ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরও এক আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই রায়ে আদালত দণ্ডিত প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

পটিয়ায় কিশোরকে অপহরণ করে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ২৮ বছর আগে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরকে অপহরণের পর খুন করে মরদেহ গুম করার অপরাধে ৬ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  এছাড়া আরও এক আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই রায়ে আদালত দণ্ডিত প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় চারজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জননিরাপত্তা ট্রাইব্যুনালের বিশেষ জজ সৈয়দা হোসনে আরা এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের পিপি জাহাঙ্গীর আলম জানান, যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামিদের সবাই পলাতক রয়েছে। এরা হলেন, মাহবুবুল আলম, হাবিবুর রহমান, আমিনুল হক, মিলন বড়ুয়া, আবুল কাশেম এবং নূরুল আলম। দণ্ডিত আরেক আসামি সমীর দাশকে রায় ঘোষণার পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। খালাস পেয়েছেন ইউনূস, আবু সৈয়দ, মনির ও সেলিম নামে চার আসামি।

জানা যায়, ১৯৯১ সালের ২১ জুন পটিয়া উপজেলার ছত্তরপিটুয়া গ্রামের দিলীপ বড়ুয়ার ছেলে সুভাষ বড়ুয়া (১৬) নিজ ঘর থেকে অপহরণের শিকার হন।  ওইবছর এসএসসি পরীক্ষার্থী সুভাষকে ঘুমন্ত অবস্থায় তার ঘরে ঢুকে অপহরণের পর তার বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় সুভাষের বাবা দিলীপ বড়ুয়া বাদি হয়ে পটিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতারের পর তাদের স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে, সুভাষকে অপহরণের পর হাইদগাঁও পাহাড়ে নিয়ে খুন করে মরদেহ পুঁতে ফেলা হয়েছে। সুভাষের মরদেহ পরবর্তীতে আর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন পিপি জাহাঙ্গীর আলম। পুলিশ পরবর্তীতে ১১ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।  অভিযোগ গঠনের পর ১০ জনের সাক্ষ্য শেষে এই রায় এসেছে।

পটিয়া সম্পর্কে জানতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
Share To:

Voice of Patiya

Post A Comment:

0 comments so far,add yours

Note: Only a member of this blog may post a comment.