![]() |
| পটিয়ার ডেঙ্গাপাড়ায় শিশু কিশোর ও বয়োবৃদ্ধদের স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত |
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ার ডেঙ্গাপাড়া এলাকার শিশু-কিশোর ও বয়োবৃদ্ধারা
স্বেচ্ছাশ্রমে একটি সড়ক সংস্কার করার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
গতকাল সোমবার এলাকার অর্ধ শতাধিক শিশু-কিশোর ও সাধারণ মানুষ যার যা আছে তাই নিয়ে দত্তপাড়া সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু করেন।
সংস্কারকর্মীর একজন মাহমুদুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছরেও এ সড়কটি সংস্কার বঞ্চিত ছিল। আমরা জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার ধর্ণা দিয়েছি সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করতে। কিন্তু তারা শুধু আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, কেউ কথা রাখেনি। তাই আজ আমরা এলাকার লোকজন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যার যা আছে তাই নিয়ে সড়কটি সংস্কারে কাজ শুরু করেছি। আমাদেরকে বিত্তবানরা কথা দিয়েছেন, সড়ক সম্প্রসারণ হলে তারা ইটা দিয়ে সহযোগিতা করবেন। ইতিমধ্যে আমাদের এলাকার ১১ জন বিত্তবান প্রায় ১১ হাজার ইটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ করব। ইটা সংগ্রহ হলে সড়কটির আরো উন্নয়ন হবে।’
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন জানান, ‘বারবার উপজেলা পরিষদ-স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তাগাদা দেয়ার পরও এ সড়কের জন্য কোনরূপ বরাদ্দ না পাওয়ায় সড়কটি কোন সংস্কার কাজ করতে পারি নি। এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে এগিয়ে আসায় সড়কটির সংস্কারে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে।’
গতকাল সোমবার এলাকার অর্ধ শতাধিক শিশু-কিশোর ও সাধারণ মানুষ যার যা আছে তাই নিয়ে দত্তপাড়া সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু করেন।
সংস্কারকর্মীর একজন মাহমুদুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছরেও এ সড়কটি সংস্কার বঞ্চিত ছিল। আমরা জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার ধর্ণা দিয়েছি সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করতে। কিন্তু তারা শুধু আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, কেউ কথা রাখেনি। তাই আজ আমরা এলাকার লোকজন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যার যা আছে তাই নিয়ে সড়কটি সংস্কারে কাজ শুরু করেছি। আমাদেরকে বিত্তবানরা কথা দিয়েছেন, সড়ক সম্প্রসারণ হলে তারা ইটা দিয়ে সহযোগিতা করবেন। ইতিমধ্যে আমাদের এলাকার ১১ জন বিত্তবান প্রায় ১১ হাজার ইটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ করব। ইটা সংগ্রহ হলে সড়কটির আরো উন্নয়ন হবে।’
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন জানান, ‘বারবার উপজেলা পরিষদ-স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তাগাদা দেয়ার পরও এ সড়কের জন্য কোনরূপ বরাদ্দ না পাওয়ায় সড়কটি কোন সংস্কার কাজ করতে পারি নি। এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে এগিয়ে আসায় সড়কটির সংস্কারে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে।’
অর্ধশতাধিক শিশুকিশোর ও বয়োবৃদ্ধদের স্বেচ্ছাশ্রমে উক্ত সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়।

মন্তব্য করুন