ভয়েস অব পটিয়ায় আপনাকে স্বাগতম | Welcome to Voice of Patiya
পটিয়ার মানচিত্র | Map of Patiya
পটিয়াকে জেলা চাই | Demanding Patiya as a District
শাহ আমানত সেতু | নতুন ব্রীজ | Shah Amanat Bridge
পটিয়া কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ | Patiya Central Cenotaph
বাড়লো গণপরিবহনের ভাড়া; গণপরিবহন; ভাড়া; বাস;
বাড়লো গণপরিবহনের ভাড়া

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ গতকাল মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে তেলচালিত বাস ও মিনিবাসে ভাড়া ৩৫ পয়সা, দূরপাল্লায় বাস ভাড়া ৪০ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। 

আজ শনিবার (০৬ আগস্ট) বনানীতে বিআরটিএর কার্যালয়ে পরিবহন মালিক-সমিতির সঙ্গে বাসভাড়া বাড়ানোর বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

রবিবার থেকে এ ভাড়া কার্যকর হবে। তবে গ্যাসচালিত যানবাহনের ক্ষেত্রে এ ভাড়া বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, ‘দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে আমরা আজ বাসভাড়া পুনঃনির্ধারণী বৈঠক করেছি। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাসের বিভিন্ন সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণেও বাস মালিকদের কিছু দাবি ছিল। বৈঠকে সবার আলোচনা-পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, এখন থেকে মহানগর পর্যায়ে কিলোমিটারে বাসে ২.৫০ টাকা, মিনিবাসে ২.৪০ টাকা, দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ২.২০ টাকা ভাড়া কার্যকর হবে।’

উল্লেখ্য, মহানগর পর্যায়ে পূর্বে ভাড়া ছিল প্রতি কিলোমিটারে তেলচালিত বাসে ২.১৫ টাকা, মিনিবাসে ২.১০ টাকা, দূরপাল্লার বাসে ১.৮০ টাকা। এছাড়া সর্বনিম্ন ভাড়া ছিল বাসে ১০ টাকা, মিনিবাসে ৮ টাকা। 

বিআরটিএ ১৫ শতাংশ ভাড়া বাড়াতে চাইলেও পরিবহন মালিক সমিতির দাবি ছিল ৩০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর।

বর্তমানে তেলচালিত বাস ভাড়া দূরপাল্লায় বেড়েছে ২২ শতাংশ। সিটি সার্ভিসে বেড়েছে ১৬ শতাংশ। 
এক লাফে ৫১% বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম; জ্বালানি; জ্বালানী; তেল; ডিজেল; কেরোসিন; অকটেন; পেট্রোল
এক লাফে ৫১% বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ দেশে আবারো বাড়ানো হল জ্বালানি তেলের দাম। এক লাফে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৪২.৫% বেড়ে হয়েছে প্রতি লিটার ১১৪ টাকা। পেট্রোলের দাম ৫১.১৬% বেড়ে প্রতি লিটারের দাম হয়েছে ১৩০ টাকা। অকটেনের দাম ৫১.৬৮% বেড়ে হয়েছে প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা। 

বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করে এ দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানায় জ্বালানি মন্ত্রণালয়। 

আজ শুক্রবার মধ্যরাতের পর থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণার পর শুক্রবার রাতে দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকরা ভিড় জমিয়েছেন।


একবছর ধরে রেলসেবা বঞ্চিত চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারীর ১০ হাজার যাত্রী; রেল; চট্টগ্রাম-দোহাজারী; চট্টগ্রাম-পটিয়া; দোহাজারী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; ট্রেন; রেল; Rail; Train; Chittagong; Chattogram; Patiya; Dohazari; Coxsbazar
একবছর ধরে রেলসেবা বঞ্চিত চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারীর ১০ হাজার যাত্রী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারী রুটের লোকাল ট্রেন। ২০১৮ এর শেষের দিকে ঘটা করে চালু হওয়া দু্ই জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল এই রুটে বন্ধ থাকায় দূর্ভোগে পড়েছেন অত্র অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার রেলযাত্রী। 

প্রায় বছরখানেক আগেও ভোরের ট্রেন ধরে চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াতের সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম ছিল এ দুজোড়া লোকাল ট্রেন। বর্তমানে কেবলমাত্র একটি ডেমু ট্রেন চালু রয়েছে এই রুটে যা চলছে মাত্র কয়েকটি বগি নিয়ে তাও অনিয়মিত, যাতে যাত্রীধারণ ক্ষমতা পূর্বের লোকাল ট্রেনের ১ শতাংশেরও কম। 

চট্টগ্রাম-পটিয়া-দোহাজারী রেল রুটে রয়েছে ১৪টি স্টেশন। স্টেশনগুলো হচ্ছেঃ- দোহাজারী, হাশিমপুর, খানহাট, কাঞ্চননগর, খরনা, চক্রশালা, পটিয়া, ধলঘাট, বেঙ্গুরা, গোমদন্ডী, জানালীহাট, ষোলশহর, ঝাউতলা, চট্টগ্রাম। এ স্টেশনগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজারের অধিক রেলযাত্রী যাতায়াত করতেন। কিন্তু বর্তমানে লোকাল ট্রেনজোড়া চলাচল বন্ধ থাকায় রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বৃহত্তর এ অঞ্চলের মানুষজন। 

রেলযাত্রীরা বলেন, ‘ভোরের ট্রেন ধরে সকাল সকাল চট্টগ্রাম শহরে যেতাম। নিরাপদ ও সহনশীল ভাড়া হওয়ার কারণে রেলে যাত্রীসংখ্যা ছিল প্রচুর। শুধু দোহাজারী স্টেশন থেকেই প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী যাতায়াত করলে লোকাল ট্রেনে। এ ট্রেনগুলো বন্ধ থাকায় এখন ভোগান্তিতে পড়েছি।’ 

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ‘করোনাকালীন বন্ধ হয়ে যায় এই রুটের দুজোড়া লোকাল ট্রেন। এরপর এটি এখন অবধি চালু করা হয় নি। টিটি, গার্ডসহ লোকবল সংকটের কারণে চালু করা যাচ্ছে না বলে জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। লোকবল পেলেই চালু হবে বন্ধ হয়ে যাওয়া লোকাল ট্রেন দুটি।’
পবিত্র হজ্ব : লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফা’র ময়দান; হজ্ব; আরাফা; মিনা; মুজদালিফা; Hajj; Arafa; Mina; Muzdalifa;Kurbani; EId Al Adha
পবিত্র হজ্ব : লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফা’র ময়দান

ভয়েস অব পটিয়া-ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফা’র ময়দান। পবিত্র হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু। 

এ বছর পবিত্র হজ্ব পালন করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৩৫৩ জন মুসলিম। সৌদি আরবের পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া বিবৃতির অনুযায়ী হজ্ব পালনকারীদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৪ জন সৌদি আরবের আবাসিক এবং অনাবাসিক নাগরিক। 
হজ্ব পালন করা বিদেশীর সংখ্যা ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৪৫৮ জন এবং নারীর সংখ্যা ৪ লাখ ১২ হাজার ৮৯৫ জন।

এ বছর ১৪৪৩ হিজরি সনের পবিত্র হজ্ব পালন করা হচ্ছে। গত দুই বছর বিরতির পর সারাবিশ্ব থেকে ১০ লাখ হজ্বযাত্রীকে হজ্বের অনুমতি দেয় সৌদি সরকার। প্রতি হিজরী বছরের ৯ জিলহজ্ব সমগ্র মুসলিম উম্মাহ হজ্ব পালনে ঐতিহাসিক আরাফা’র ময়দানে উপস্থিত হন। এবারের হজ্ব পালনে সর্বমোট ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৩৫৩ জন মুসলমান আরাফা’র ময়দানে উপস্থিত হন।

হজ্ব লাইভ >>

কুরবানীর পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ; ঈদ উল আযহা; ঈদ; চামড়া; কুরবানী; গরু; ছাগল; খাসি; উট; ভেড়া; দুম্বা; চামড়া; শিল্প; Cow; Goat; Camel; Sheep; Bakri; Leather; Leather industry; Kurbani; Qurbani; Eid Al Adha; Eid
কুরবানীর পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ আসন্ন কুরবানীর পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এবারের কুরবানীর লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় ৪৭ থেকে ৫২ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় এক ভার্চুয়াল মিটিং শেষে এ দাম ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি জানান, ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৪৭ থেকে ৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। একই চামড়া ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। 

এছাড়া সারাদেশে খাসির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা, যা গত বছর ছিল ১৫ থেকে ১৭ টাকা। পাশাপাশি প্রতি বর্গফুট বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ থেকে ১৪ টাকা, যা গত বছরও একই ছিল।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়ায় লবণ দেওয়ার বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করতে হবে। সামনে একটি জুমার দিন রয়েছে সেদিন যদি জুমার খুতবায় চামড়ায় লবণ দেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে বলা হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তথ্যসচিব মোঃ মকবুল হোসেন, শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ সহ চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যরা।
জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহা; ঈদ; ঈদ-উল-আযহা; আযহা; কুরবানী; কুরবানি; চামড়া; কুরবানীর চামড়া; Eid; Eid Al Adha; Kurbani; Quarbani; Bakri
জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১০ জুলাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহা

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ১০ জুলাই রবিবার সারাদেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা তথা কুরবানীর ঈদ।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। 

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভার সভাপতি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল হাওলাদার বলেন, পবিত্র জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে হিজরী ১৪৪৩ সনের পবিত্র জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এর ফলে আগামীকাল শুক্রবার (০১ জুলাই) থেকে পবিত্র জিলহজ্ব মাস গণনা শুরু হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১০ জুলাই (১০ জিলহজ্ব) সারাদেশে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা তথা কুরবানীর ঈদ পালিত হবে।
শিশু-বয়স্ক-অসুস্থদের মসজিদে যাওয়া নিষেধ, মাস্ক না পরলে শাস্তি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
শিশু-বয়স্ক-অসুস্থদের মসজিদে যাওয়া নিষেধ, মাস্ক না পরলে শাস্তি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করােনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারাদেশে করােনায় আক্রান্তের হার দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সুপারিশে কতিপয় বিধি-নিষেধ আরােপ করে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
তৎপ্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সকল ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং মসজিদসমূহে জামায়াতের নামাজের জন্য আবশ্যিকভাবে নিম্নবর্ণিত শর্তসমূহ পালনের জন্য অনুরােধ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
 
১. মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধােয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লীদের কে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৩. মসজিদে কার্পেট বিছানাে যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে, মুসল্লীগণ প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।

৪. কাতারে নামাজে দাঁড়ানাের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। 

৫. শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়ােজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে।

৬. সংক্রমণ রােধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওযুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৭. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৮. করােনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বল আলামিনের দরবারে খতিব, ইমাম ও মুসল্লীগণ দোয়া করবেন এবং 

৯. সম্মানিত খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলাে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা
 
পদ্মাপাড়ে সাজসাজ রব, উদ্বোধনের অপেক্ষায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু; পদ্মা সেতু; পদ্মা; জাজিরা; মাওয়া; নদী; Padma; Padma Bridge; Jazeera; Mawa; China Major Bridge
পদ্মাপাড়ে সাজসাজ রব, উদ্বোধনের অপেক্ষায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ সকল জল্পনা-কল্পনা, নানামুখী চ্যালেঞ্জ, বাঁধা-বিপত্তির অবসান ঘটিয়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন থেকে দৃশ্যমান যান চলাচলের উপযোগী স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন আলোকিত। উদ্বোধনের বাকি আর মাত্র কিছু ঘন্টা। রাত পোহালেই উদ্বোধন হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। ঘটবে পদ্মা পাড়ি দিতে যুগ-যুগান্তের ভোগান্তির অবসান। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য উন্মুক্ত হবে এক নতুন দ্বার।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের উচ্ছ্বাসে মুখোরিত পদ্মা সেতু নির্মাণের অন্যতম সাক্ষী মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এলাকায় আনন্দে উদ্ভাসিত পদ্মাপাড়ের মানুষ। সর্বত্র সাজসাজ রব। 

সেতুর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশ হবে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পদ্মা পাড়ে। প্রস্তুত ফলক মঞ্চ। অনুষ্ঠানস্থল, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সাজসজ্জায় ভরে উঠেছে।  সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুনে। সমাবেশস্থলের জন্য দৃষ্টিনন্দন মঞ্চ তৈরি, সেতুর নামফলক ও ম্যুরাল স্থাপনের কাজসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাজ শেষের পথে। অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজও চলছে পুরোদমে। 

মাওয়া প্রান্তে ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সেতু পেরিয়ে তিনি আসবেন জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজায়। সেখানে কয়েকটি স্থাপনার উদ্বোধন করে শিবচরের কাঁঠালবাড়িতে গিয়ে জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ লক্ষ্যে জনসভাকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসএসএফের নির্দেশে সকাল থেকেই সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। যাত্রীদের বিকল্প নৌরুট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী সমাবেশস্থলে প্রায় দশ লক্ষাধিক জনসমাগমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুরো মাওয়া এলাকায় জোরদার করা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কাজ করছে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা। মোতায়েন করা হয়েছে হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, জেলা পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, নৌ পুলিশ। বিভিন্ন পেট্রোলিং ছাড়াও আকাশপথে থাকবে র‍্যাবের হেলিকপ্টারের নজরদারি। 

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ০৪ জুলাই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরে এর মূল নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দুই স্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর উপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ কাজ করেছেন। এর মধ্যে চীনের ৭০০ এবং বাংলাদেশের প্রায় ৪ হাজার মানুষ কাজ করেছেন। ১৬০টির মতো স্থানীয় সহযোগী ঠিকাদার হিসেবে বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করেছে। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮ মিটার। এছাড়া পদ্মা সেতু প্রকল্পের আওতায় জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তে এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হয়।

পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ সংরক্ষণ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি। 
অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। ১ শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার কাঠামো নির্মাণের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানী লিমিটেড। 

পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি জটিলতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শেষ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হতে প্রায় সাড়ে সাত বছর লেগেছে।
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০; ভূমিকম্প; আফগানিস্তান; পাকতিকা; খোস্ত; পাহাড়; দুর্গম; Afghanistan; Earthquake; Paktika; Khost; Hill; impassable
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ [ছবি : Bakhtar News Agency/ AP]

ভয়েস অব পটিয়া-ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২০ জনে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ছয় শতাধিক। 
বুধবার (২২ জুন) ভোর রাতে দেশটির পাকতিকা অঞ্চলে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। 

ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) ও পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৯ রেকর্ড করেছে। 

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের খোস্ত শহরে এবং এর কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৪ কিলোমিটার গভীরে। 

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপমন্ত্রী মাওলানা শরাফুদ্দিন মুসলিম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে অন্তত ৯২০ জন শহীদ হয়েছেন এবং ৬০০ জন আহত হয়েছেন।’ 
এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আইয়ুবী জানিয়েছিলেন, ‘দুর্গম পাহাড়ি এলাকার গ্রামগুলোতে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে ও সম্পূর্ণ তথ্য পেতে আরও সময় লাগবে।’ 

ভূকম্পন জরিপ সংস্থা ইএমএসসি জানায়, প্রায় ৫০০ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে এই ভূমিকম্পের প্রভাব অনুভূত হয়েছে। এতে আফগানিস্তানের পাশাপাশি কেঁপে ওঠে প্রতিবেশী পাকিস্তান এবং ভারতও। 

ভোর রাতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানায় সেসময় ওই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধসে পড়া বাড়িঘরের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান অনেকে।

আফগান সাংবাদিক আলী এম লাতিফির বরাতে বার্তা সংস্থা আল জাজিরা জানায়, দুর্গম পাকতিকা অঞ্চলে শত শত বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে এবং সাহায্য সংস্থাগুলোকে ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষকে উদ্ধারে সাহায্যের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। যদিও এটি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং পৌঁছানো অনেক কঠিনতর হবে। 

উল্লেখ্য, গত ২০ বছরের মধ্যে আফগানিস্তানের সবচেয়ে মারাত্মক ভূমিকম্প এটি।
ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো, পানি বন্দী মানুষের বাঁচার আকুতি; সিলেট; সুনামগঞ্জ; বাংলাদেশ; বন্যা; ভারত; আসাম; মেঘালয়; চেরাপুঞ্জি; Sylhet; Sunamganj; Bangladesh; India; Assam; Meghalaya; Cherrapunji; Flood
ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো, পানি বন্দী মানুষের বাঁচার আকুতি

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মুখোমুখি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রামসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো। হঠাৎ শুরু পাহাড়ী ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে এই বিভাগের প্রায় ৯০ ভাগ এলাকা। পানির তোড় বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কে সিলেটসহ এর আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন। 

বন্যা পরিস্থিতি অবনতির মধ্যেই সিলেটে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরো অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। শনিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে। আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ শাহীনুল ইসলাম জানান, আগামী ২২ জুন পর্যন্ত উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল অতি ভারী বর্ষণের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। 

সিলেট ও সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা বলছেন, বহু বছরের মধ্যে তারা এতো ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হননি।

ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো, পানি বন্দী মানুষের বাঁচার আকুতি; সিলেট; সুনামগঞ্জ; বাংলাদেশ; বন্যা; ভারত; আসাম; মেঘালয়; চেরাপুঞ্জি; Sylhet; Sunamganj; Bangladesh; India; Assam; Meghalaya; Cherrapunji; Flood
সিলেট বন্যা: পানিবন্দী মানুষ

সবমিলিয়ে প্রায় অর্ধকোটি মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে বলে জানা যায়। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। সিলেট-নেত্রকোনার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রেল যোগাযোগ। এর পাশাপাশি রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারীসহ দেশের আরও অন্তত ৩৩টি জেলা বন্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

 
ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো, পানি বন্দী মানুষের বাঁচার আকুতি; সিলেট; সুনামগঞ্জ; বাংলাদেশ; বন্যা; ভারত; আসাম; মেঘালয়; চেরাপুঞ্জি; Sylhet; Sunamganj; Bangladesh; India; Assam; Meghalaya; Cherrapunji; Flood
সিলেট বন্যা: নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বানভাসী মানুষজন

গত রাত থেকে সিলেটে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, সেই সাথে বন্যার পানি বাড়তে থাকায় জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে উদ্ধার কাজ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে সেনাবাহিনীর সহযোগীতা চাওয়া হয়। এতে বন্যা কবলিত এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। নগর এলাকারও প্রায় অধিকাংশ স্থান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় সেসব স্থানে বিভিন্নভাবে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন তারা। 

ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো, পানি বন্দী মানুষের বাঁচার আকুতি; সিলেট; সুনামগঞ্জ; বাংলাদেশ; বন্যা; ভারত; আসাম; মেঘালয়; চেরাপুঞ্জি; Sylhet; Sunamganj; Bangladesh; India; Assam; Meghalaya; Cherrapunji; Flood
সিলেট বন্যা: সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল

আজ শনিবার সিলেট ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বন্যার্তদের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। এর আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। 
তিনি জানান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৩৫ জন ডুবুরির একটি দল উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে, আরো ৬০ জন সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন। নৌবাহিনীর একটি দল জালালাবাদে এবং আরেকটি কোম্পানীগঞ্জে কাজ করছে বলে জানান তিনি। 

এদিকে বন্যাদূর্গত এলাকায় পানিবন্দী মানুষকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে সাধারণ মানুষসহ বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর পাশাপাশি ১১টি জেলায় মানবিক সহায়তা হিসেবে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এক কোটি ৭২০ মেট্রিক টন চাল, দুই কোটি ৭৬ লাখ টাকা নগদ সহায়তা ও ৫৮ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রাণ কর্মসূচি-১ অধিশাখার উপ-সচিব লুৎফুন নাহার। 

এদিকে বিদ্যুৎ উপগ্রিডে বন্যার পানি ঢুকায় বন্যাদুর্গত সিলেট ও সুনামগঞ্জ এলাকায় বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, এতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও। 

এই পরিস্থিতিতে দুর্যোগকালীন জরুরী টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপনে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিএল)-এর চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ শনিবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্যোগকালীন জরুরী টেলিযোগাযোগ সেবায় এবারই প্রথম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ সেবা দিতে যাচ্ছে, যা এই স্যাটেলাইটের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১২ সেট ভিস্যাট যন্ত্রপাতি দিয়েছে বিএসসিএল, যার মাধ্যমে জরুরী টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপন করা হবে। এছাড়াও বিএসসিএল সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরকেও আরো ২৩ সেট ভিস্যাট যন্ত্রপাতি দেওয়ার কাজের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে আরো ২৩টি বন্যা উপদ্রুত এলাকায় জরুরী টেলিযোগাযোগ সেবা স্থাপন করা হবে।

ইতিমধ্যে টেলিকম অপারেটরগুলো তিনটি করে টোল ফ্রি নাম্বার চালু করেছে বানভাসী মানুষদের জন্য।

গ্রামীণফোন- 01769177266, 01769177267, 01769177268 
রবি- 01852788000, 01852798800, 01852804477
বাংলালিংক- 01987781144, 01993781144, 01995781144 
টেলিটক- 01513918096, 01513918097, 01513918098 

বন্যার কারণ 

নাব্যতা নষ্ট 

নদী গবেষকরা বলছেন, এবারের আকস্মিক বন্যার পেছনে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে অতিবৃষ্টি একটি বড় কারণ হলেও নদীর নাব্যতা নষ্ট একটি বিরাট কারণ, যা নষ্টের জন্য ভারত অংশে অপরিকল্পিত পাথর উত্তোলনকে দায়ী করছেন গবেষকরা।

ভারতের উজানে পাথর উত্তোলনের ফলে মাটি আলগা হয়ে নদীতে চলে আসে। ফলে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে সেখানে নাব্যতা সংকট তৈরি হচ্ছে। সেই সাথে বৃক্ষ নিধন তো চলছেই। 

এর পাশাপাশি নদীগুলো ঠিকমতো ড্রেজিং না হওয়া, ময়লা-আবর্জনায় নদীর তলদেশ ভরে যাওয়া, অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে জলাভূমি ভরাট হয়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন গবেষকরা। এই কারণে মেঘালয় বা আসামে বেশি বৃষ্টিপাত হলেই সিলেট বা কুড়িগ্রাম এলাকায় বন্যার তৈরি হচ্ছে বলে গবেষকরা মনে করছেন। 

অপরিকল্পিত উন্নয়ন 

জলবায়ু গবেষক অধ্যাপক ইসলাম বলছেন, এবারের হঠাৎ বন্যার পেছনে মানুষের নিজেদের তৈরি কতগুলো কারণ রয়েছে। সিলেট বা সুনামগঞ্জ এলাকায় আগে ভূমি যেরকম ছিল, নদীতে নাব্যতা ছিল, এতো রাস্তাঘাট ছিল না বা স্থাপনা তৈরি হয়নি। ফলে বন্যার পানি এখন নেমে যেতেও সময় লাগে। আগে হয়তো জলাভূমি, ডোবা থাকায় অনেক স্থানে বন্যার পানি থেকে যেতে পারতো। কিন্তু এখন সেটা হচ্ছে না। এছাড়া হাওরে বিভিন্ন জায়গায় পকেট পকেট আমরা রোড করে ফেলেছি। ফলে পানি প্রবাহে বাধার তৈরি হচ্ছে। শহর এলাকায় বাড়িঘর তৈরির ফলে পানি আর গ্রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। যার ফলে বন্যার তীব্রতা আমরা বেশি অনুভব করছি। এসব কারণে আগাম বন্যা হচ্ছে এবং অনেক তীব্র বন্যা হচ্ছে। 

বাঁধ না থাকা 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ বা নেত্রকোনা হাওর এলাকায় বেশিরভাগ জনপদে কংক্রিটের তৈরি শহর রক্ষা বাঁধ নেই। ফলে কোন কারণে হাওরে বা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করলে তার খুব দ্রুত শহরে বা আবাসিক এলাকায় ঢুকে পড়ে। 

বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউটের পরিচালক এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলছেন, হাওরে এসব এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধ তৈরি করা হয়নি। সেটা করা না হলে বাড়িঘর উঁচু করে তৈরি করতে হবে, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। সেটাও করা হয়নি। ফলে যখন এভাবে আকস্মিক বন্যা দেখা দিচ্ছে, সেটার ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হচ্ছে।
এক নজরে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; বাজেট; বাজেট ২০২২; বাজেট ২০২৩; বাজেট ২০২২-২৩; বাংলাদেশ; সংসদ
এক নজরে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  ‘এক ফিনিক্স পাখির গল্পগাথা’ শিরোনামের অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) বিকেলে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল। 

এবারের এ প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। বাজেটের এই অর্থ জোগান দিতে রাজস্ব, অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণের শরণাপন্ন হবে সরকার। এবার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। তারপরও আয় ও ব্যয়ের হিসাবে বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি থাকবে ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় ঘাটতির এই পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৫.৫ শতাংশ। মোট বাজেটের শতাংশে ১৫.৭ ভাগ যা পূরণে নির্ভর করতে হবে ব্যাংক ঋণ থেকে। সেজন্য বিদেশ থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৮ এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকার মত ঋণ করার পরিকল্পনা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
এছাড়া সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল। বাজেটে সম্ভাব্য বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার পরিমাণ ধরা হয়েছে সোয়া ৩ হাজার কোটি টাকা। 

এবার দেশি-বিদেশি ঋণের জন্য ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা খরচ হবে বলে অর্থমন্ত্রী হিসাব ধরেছেন, যা মোট অনুন্নয়ন ব্যয়ের প্রায় ২০ শতাংশ।


এক নজরে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; বাজেট; বাজেট ২০২২; বাজেট ২০২৩; বাজেট ২০২২-২৩; বাংলাদেশ; সংসদ
প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল

যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে
  • মোবাইল সেট: মোবাইল টেলিফোন সেটের ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। 
  • কোভিড সামগ্রী: কোভিড-১৯ এর টেস্ট কিট, প্রটেকটিভ গার্মেন্টস, ফেইস শিল্ড, মেডিকেল প্রটেকটিভ গিয়ার, প্রটেকটিভ চশমা এবং মাস্ক এর উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
  • জিআই ফিটিংস: জিআই ফিটিংস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বর্তমানে দেশে গড়ে উঠেছে। তাই দেশি শিল্পের প্রতিরক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য আমদানি করা জিআই ফিটিংসের বিপরীতে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • বিদেশি চিজ: বাটারের মতো চিজ আমদানিতেও ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 
  • তার: বিভিন্ন ধরনের তার প্রায় সমজাতীয় হওয়ায় শুল্কায়নকালে এদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা দূরুহ। তাই সমতা বিধানের স্বার্থে এরূপ দুটি পণ্য আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ হতে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।
  • মোটরসাইকেল: ২৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানিতে ফোর স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ ও টু স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ২৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপিত রয়েছে। তাই ২৫০ সিসির ঊর্ধ্বের ইঞ্জিন ক্ষমতা সম্পন্ন মোটরসাইকেল আমদানিতে ফোর স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ১০০ শতাংশ ও টু স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ২৫০ শতাংশ আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • বিদেশি ইলেকট্রিক মোটর: স্থানীয় শিল্পের প্রতিরক্ষণে ৭৫০ ওয়াট পর্যন্ত ইলেকট্রিক মোটরের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
  • বিদেশি গ্যাস লাইটার: দেশীয় শিল্পের প্রতিরক্ষণের জন্যে গ্যাস লাইটার আমদানির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইভাবে পার্টস অব লাইটার আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ হতে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • বিদেশি সোলার প্যানেল: দেশি সৌর বিদ্যুৎ খাতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমদানি করা সোলার প্যানেলের ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ০ শতাংশ হতে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 
  • মোবাইল ফোনের বিদেশি চার্জার: দেশীয় উৎপাদিত সেলুলার ফোন উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানকে আরও বিকশিত করার লক্ষ্যে মোবাইল ফোন ব্যাটারি চার্জারের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • কনক্রিট রেডি মিক্স: কনক্রিট রেডি মিক্সের উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
  • বিদেশি প্রিন্টিং কালি: স্থানীয় শিল্পের প্রতিরক্ষণের জন্য প্রিন্টিং কালি পণ্যের রেয়াতি শুল্কহার ১০ শতাংশ এর পরিবর্তে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • বিদেশি কম্পিউটার, প্রিন্টার ও টোনার কার্ট্রিজ: কম্পিউটার, প্রিন্টার ও টোনার কার্ট্রিজ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • ল্যাপটপ: ল্যাপটপ কম্পিউটার আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূসক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে পণ্যটি আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মোট করভার হবে ৩১ শতাংশ।
  • বিলাসবহুল বিদেশি পাখি: বর্তমানে বিলাসবহুল পাখির ওপর ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। এই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

যেসব পণ্যের দাম কমছে
  • মুড়ি ও চিনি: মুড়ি ও চিনির উপর ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। 
  • গমের আটা: গমের আটার উপর আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। 
  • দেশী মোবাইল ফোন ব্যাটারী, চার্জার ও ইন্টার‌্যাক্টিভ ডিসপ্লে: তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে মোবাইল ফোনের ব্যাটারী, চার্জার ও ইন্টারেকটিভ ডিসপ্লে এর স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। 
  • পাওয়ার টিলার: পাওয়ার টিলার উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। 
  • ব্রেইল: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষদের পড়ার উপকরণ ব্রেইল মুদ্রণের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • কানে শোনার যন্ত্রের ব্যাটারী: শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য কানে শোনার যন্ত্রে ব্যবহৃত ব্যাটারী এর ওপর প্রযোজ্য শুল্ক কর হ্রাস করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। 
  • বিশেষায়িত হুইল চেয়ার: শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষায়িত হুইল চেয়ার আমদানিতে বিদ্যমান সকল ধরনের শুল্ককর বিলোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 
  • কাজুবাদাম: দেশে কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত শিল্প বিকাশ ও নতুন রপ্তানি খাত সৃষ্টির লক্ষ্যে কাঁচা কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্কহার হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 
  • রড: এম এস প্রোডাক্টের ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট প্রতি মে. টন ৫০০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করছি। 
  • পলিথিন ব্যাগ: পলিথিন ব্যাগ, প্লাস্টিক ব্যাগ (ওভেন প্লাস্টিক ব্যাগসহ) ও মোড়ক সামগ্রীর ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এতে পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যাগের দাম কমতে পারে।

ভারতে মহানবী (সাঃ)-কে কটূক্তি, প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক; হযরত মুহাম্মদ (সাঃ); হযরত আয়েশা (রাঃ); ভারত; মুসলমান; হিন্দুত্ববাদ; হিন্দু জঙ্গি; হিন্দু সন্ত্রাস; মুসলিম নির্যাতন; বিজেপি; নূপুর শর্মা; Prophet Muhammod; Prophet Muhammad; Hazrat Muhammod; Hazrat Muhammad; Hazrat Ayesha; BJP; India; Muslim; Nurpur sharma; Hindutva; Hindu Terror;
ভারতে মহানবী (সাঃ)-কে কটূক্তি, প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক


ভয়েস অব পটিয়া-ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ ভারতে ক্ষমতাসীন উগ্র হিন্দু সাম্প্রদায়িক দল বিজেপির দুই নেতা কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (ﷺ)’কে নিয়ে কটূক্তির পর মুসলিম বিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। চরম ইসলাম-বিদ্বেষী ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে মুসলিমরা। দেশে দেশে শুরু হয়েছে ভারতীয় পণ্য বয়কটের হিড়িক।

মহানবী (ﷺ)'কে কটূক্তির প্রতিবাদে ইতোমধ্যে সৌদি আরব, কাতার, ইরান, কুয়েত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের পররাষ্ট্র দপ্তরে ডেকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। 

দীর্ঘদিন ধরে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক দল বিজেপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থক কর্তৃক সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর বর্বর নির্যাতনের মধ্যে সম্প্রতি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) ও তাঁর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রাঃ)’কে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও দিল্লি শাখার গণমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দাল। তাদের এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে ফেটে পড়ে সমগ্র মুসলিম বিশ্ব। দেশে দেশে কোটি কোটি মানুষ ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে #BoycottIndianProducts হ্যাশট্যাগ।  
ফেসবুক-টুইটারে ছড়িয়ে পড়া ছবিও-ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরবের সুপারস্টোরগুলো থেকে ভারতীয় পণ্য সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অনেক স্টোরে ভারতীয় পণ্যগুলো প্লাস্টিক মুড়িয়ে পণ্য বয়কটের পোস্টার লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। দোকানপাট-বাজার থেকে ভারতীয় পণ্য সরিয়ে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলতেও দেখা যায় বেশ কিছু ছবিতে। 

এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় পণ্য বয়কটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আহ্বানের কারণে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় চাপে পড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রোববার তাদের দুজন মুখপাত্র ইসলামদ্রোহী নূপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দালকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। 

রাসূল (ﷺ)’কে কটূক্তির প্রতিবাদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। বাংলাদেশের আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা ইসলামবিদ্বেষী ওই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বাংলাদেশ সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের কাছে রাষ্ট্রীয়ভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানানোরও আহ্বান জানান। পাশাপাশি সকলের প্রতি ভারতীয় পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন।

গ্যালারী

ফিচারড

এডিটরস চয়েস

সারাদেশ

রাজনীতি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পটিয়া সদর

ইউনিয়ন

গ্রাম-গঞ্জ

জাতীয়

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা