ভয়েস অব পটিয়ায় আপনাকে স্বাগতম | Welcome to Voice of Patiya
পটিয়ার মানচিত্র | Map of Patiya
পটিয়াকে জেলা চাই | Demanding Patiya as a District
শাহ আমানত সেতু | নতুন ব্রীজ | Shah Amanat Bridge
পটিয়া কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ | Patiya Central Cenotaph
মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এখন থেকে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (০৮ নভেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে অন্যান্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ধর্মীয় উপসনালয়ে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ইদানিং গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সারাদেশে বিশেষ করে মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ব্যবহারে শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরা নিশ্চিত করার নিমিত্ত সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, পূর্বের বিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় নিম্নরূপ নির্দেশনা জারি করা হলোঃ-

ক) মসজিদে সকল মুসল্লির মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করে প্রবেশের জন্য মসজিদের মাইকে প্রচারণা চালাতে হবে। এ বিষয়ে মসজিদের ফটকে ব্যানার প্রদর্শন করতে হবে। বিষয়টি মসজিদ কমিটি নিশ্চিত করবেন। 

খ) হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরে উপাসনালয়ে প্রবেশ করবেন। মাস্ক পরে উপাসনালয়ে প্রবেশের জন্য প্রধান ফটকে ব্যানার প্রদর্শনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উপাসানালয় কমিটিকে নিশ্চিত করবেন। 

গ) ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ বিষয়ে সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে সচেতন করার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। স্লোগানটি সব উন্মুক্ত স্থানে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে পোস্টার/ডিজিটাল প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখতে হবে; 

ঘ) কিছুক্ষণ পরপর সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। 

২। দেশের সকল মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাইক থেকে নিয়মিতভাবে উপরে বর্ণিত ঘোষণাসমূহ আবশ্যিকভাবে প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও উপাসনালয়ের পরিচালনা কমিটিকে অনুরোধ করা হলো।’

এ মর্মে জনস্বার্থে এ বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি

 

ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ)’র অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ
ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র পটিয়ায় তৌহিদি জনতার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাদে জুমা পটিয়া রেল স্টেশন চত্বর হতে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পটিয়ার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানার মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহানবী (সাঃ) এঁর ব্যাঙ্গচিত্র অঙ্কনকারী ম্যাগাজিন শার্লি এব্দো ও এর সমর্থনকারী ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। 

ফ্রান্সের ইসলাম বিদ্বেষ ও মহানবী (সাঃ) এর অবমাননায় বিশ্বের দুইশত কোটি মুসলমান ব্যথিত হয়েছে। ফ্রান্সের এহেন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে। ইসলাম ও মহানবী (সাঃ) এঁর অবমাননা কোনভাবেই বিশ্ব মুসলিম বরদাস্ত করবে না। বিক্ষুব্ধ মুসলমানদের হৃদয়ের ক্ষত মুছতে হলে ফ্রান্সকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে ‘বীর’, গেজেট প্রকাশ


ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ এখন থেকে সকল ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহারের বিধান করে গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোঃ মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০১৮ এর ২(১১) ধারায় মুক্তিযোদ্ধাদের “বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এ আইনের সাথে সঙ্গতি রেখে একাদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৩ তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের পূর্বে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

করোনা : ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত কওমী মাদ্রাসা ব্যতীত বাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “করোনা ভাইরাসে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতে আমরা বাধ্য হয়েছি। আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত কওমী মাদ্রাসা ব্যতীত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সেই সাথে আমরা পর্যালোচনা করেছি, সীমিত পরিসরে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায় কি না। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে পরিস্থিতি অনুকূল হলে সীমিত পরিসরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার চেষ্টা করব।

উক্ত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুকসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ।
মহানবী (সাঃ) কে অবমাননা, প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক; #boycottfrance #boycottfranceproducts #hashtag
#boycottfrance #boycottfranceproducts #hashtag


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’কে অবমাননার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে মুসলিমরা।

ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে হ্যাশ ট্যাগ (#boycottfranceproducts) ব্যবহার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তাদের এ আন্দোলনে ব্যাপক সাড়া মিলেছে বিশ্বব্যাপী। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মার্কেট থেকে ফ্রান্সের পণ্য সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কুয়েতের বিভিন্ন মার্কেট থেকে ফ্রান্সের পণ্য সরিয়ে নেয়ার নানা ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই #boycottfranceproducts হ্যাশট্যাগের সঙ্গে জুড়ে দিচ্ছেন এসব ছবি ও ভিডিও। 

গত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে এক স্কুল শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ফ্রান্স পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স ১৮ বছর। তিনি চেচেন জাতিগোষ্ঠীর এবং জন্ম রাশিয়ার মস্কোতে। নিহত ওই শিক্ষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াতেন। ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ ক্লাসে তিনি শিক্ষার্থীদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে ব্যাঙ্গ করে কার্টুন দেখিয়ে ছিলেন। এই অবমাননার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তাকে ব্যাঙ্গকারীকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানায়। 

এ ঘটনার জের ধরে ফ্রান্সের পুলিশ দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদ ও মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক-ধরপাকড় চালায়। পাঁচ বছর আগে ফ্রান্সের ব্যাঙ্গাত্মক ম্যাগাজিন ‘শার্লি এবদো’ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’কে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক অবমাননাকর কার্টুন ছাপানোর বিরুদ্ধে ওই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তাতে হামলার ঘটনা ঘটে। এর পুনরাবৃত্তি করে এবারও কার্টুন ছাপিয়েছে ম্যাগাজিনটি। 

ফ্রান্সের দুটো সরকারি বিল্ডিংয়ে মুহাম্মদ (সাঃ)’র ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠলেও ব্যাঙ্গকারীদের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো বলেছেন, ‘তারা ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করবে না। এটা তাদের ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ (বাক-স্বাধীনতা)। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’র বিতর্কিত কার্টুন ছাপানো নিয়ে নিন্দা জানাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন তিনি। 

ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’র কার্টুন বন্ধে ব্যবস্থা না নেয়া এবং শার্লি এবদোর পক্ষে অবস্থান নেয়ার পর মুসলিম বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ক্ষোভে ফেটে পড়ছে মুসলিম দেশগুলো। এরই প্রতিবাদে ফ্রান্সের সব ধরনের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে কুয়েত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী বিশেষ করে ফেসবুক-টুইটারে ফ্রান্সের অবমাননাকর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ফ্রান্স রাষ্ট্রীয়ভাবে মুহাম্মদ (সাঃ) এবং ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা-বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে ফ্রান্স সরকার প্রায় অর্ধশতাধিক মসজিদ ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে। আরও অসংখ্য মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধের তালিকায় আছে।

এদিকে আন্দোলনকারীরা ফেসবুক-টুইটার পোস্টে ফ্রান্সের বিভিন্ন কোম্পানির একটি তালিকা প্রকাশ করছেন। যেখানে ফ্রান্সের মালিকানাধীন কোম্পানীগুলোর লোগো ও নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এরই মধ্যে ফ্রান্সের সরকারি বিভিন্ন সংস্থার দেয়ালে শার্লি এবদোর সেই বিতর্কিত ১২টি কার্টুন প্রদর্শন করা হচ্ছে। 

#boycottfrance #boycottfranceproducts #hashtag
#boycottfranceproducts তালিকা

দেশটির সরকার এবং কয়েকটি গণমাধ্যমের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। ফ্রান্সের কয়েকটি ভবনের সামনে এবং সরকারের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসলামকে সম্পৃক্ত করা এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)’কে অপমানজনক প্রচারণার সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। 

ওআইসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর প্রতি অবমাননা, মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে ক্রমাগত আঘাতের তীব্র নিন্দা জানাই। রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্রান্সের নাগরিক ও ইসলামকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর ঘৃণ্য চেষ্টা করছেন কতিপয় ফরাসী সরকারি কর্মকর্তারা। বাক-স্বাধীনতার নামে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।’

সংস্থাটি ফ্রান্সকে তার বৈষম্যমূলক নীতিগুলো পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে। 


এদিকে ১৯৪৭ সালের ১০ ডিসেম্বর সবার জন্য মানবাধিকার বিষয়ক একটি ঘোষণাপত্র জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন গৃহীত হয়। এটি গোটা বিশ্বের মানুষের মানবাধিকারের দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফ্রান্সের ইসলামবিদ্বেষী এ অবস্থান জাতিসংঘের সেই ঘোষণাপত্রটি সরাসরি লঙ্ঘন করেছে। 

ঘোষণাপত্রের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘পৃথিবীর সব মানুষ সমান অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাদের অধিকার ও মর্যাদা সমান। প্রত্যেকেই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক বজায় রাখবে, একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করবে।’ 

কিন্তু ফ্রান্সের ইসলামবিদ্বেষী আচরণ, তার কার্টুন প্রদর্শন সরাসরি জাতিসংঘের এ ঘোষণা লঙ্ঘন করে। এতে কার্যত জাতিসংঘকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে ফ্রান্স। 

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় রাসূল এবং সর্বশেষ নবী। তাঁর কোনও ধরনের অবয়ব আঁকা ধর্ম অবমাননা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই এবারও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর কার্টুন নিয়ে মুসলিম বিশ্বে চরম সমালোচনা চলছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলে বিতর্কিত কার্টুনটির পক্ষেই অবস্থানের কথা জানালেন লেবানেন সফররত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো। এদিকে ফান্স সরকারের এরকম ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। তিনি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে মানসিক চিকিৎসা নেয়ার কথা বলেছেন।


 

ভারত নোংরা দেশ! : ট্রাম্প

ভয়েস অব পটিয়া-ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ ভারতকে নোংরা দেশ বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

কিছুদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বন্ধু বলে উল্লেখ করলেও সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সর্বশেষ বিতর্কে ভারতের বদনাম করতে ছাড়েন নি ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিতর্কে অংশ নিয়ে ভারতকে নোংরা দেশ ও এর বাতাস নোংরা বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি চীন ও রাশিয়াকেও নোংরা বলেছেন। 

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ঝড় বইছে। 

ট্রাম্প বলেন, “ভারতের দিকে তাকান, কি নোংরা! চীনের দিকে তাকান, কী নোংরা! রাশিয়ার দিকে তাকান,  কি নোংরা! নোংরা বাতাস!” 

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এর আগেও কয়েকদফা ভারত ও চীনের ব্যাপক সমালোচনা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবারেও দূষণ পর্ব নিয়ে দেশ দুটির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার নির্বাচনী বিতর্কে  ট্রাম্প বলেন, “প্যারিস অ্যাকর্ডের জন্য আমি কোটি কোটি চাকরী, কোম্পানিকে পথে বসাতে পারি না। ভারত ও চীনের কলকারখানাগুলো দূষণ ছড়ালেও সেগুলো বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক কোন তৎপরতা নেই। তারপরও পরিবেশ রক্ষার দোহাই দিয়ে আমেরিকাকে চাপে ফেলার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি বিতর্কে দাবি করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর আগে অনেকবার মিডিয়ার সামনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সখ্যতার বার্তা দিলেও, ভারতকে নিয়ে অনেক নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর তারই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন এবারের নির্বাচনের চূড়ান্ত বিতর্কেও।


বাংলাদেশের উদ্ভাবিত ‘করোনা’ ভ্যাকসিন কিনবে নেপাল


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ বাংলাদেশী ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেকের উদ্ভাবিত ‘কোভিড-১৯ করোনা’ ভাইরাসের ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে নেপাল। 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নেপালের রাষ্ট্রদূত বংশীধর মিশ্র বলেন, ‘একজন চিকিৎসক হিসেবে গ্লোব বায়োটেকের তৈরি করা 'ব্যানকোভিড' ভ্যাকসিন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন তিনি। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য এই ভ্যাকসিনটি নিতে আগ্রহী নেপাল সরকার। ট্রায়াল সফল হলে জি টু জি পদ্ধতিতেও আমরা ভ্যাকসিনটি নিতে পারব।’ 

গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশিদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আগেই দুই মিলিয়ন ডোজ ‘BANCOVID’ কেনার জন্য নেপালের আনমোল গ্রুপের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি দেশ থেকেও প্রায় বিশ মিলিয়ন ডোজের অর্ডার এসেছে। বাংলাদেশের চাহিদা পূরণ করেই এই ভ্যাকসিন আমরা বাইরে সরবরাহ করব।’ 

উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মত ‘কোভিড ১৯ করোনা ভাইরাসের’ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দৌঁড়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড একমাত্র বাংলাদেশি কোম্পানি। যারা ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ট্রায়াল ক্যান্ডিডেট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সম্প্রতি সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির যেসব কাজ হচ্ছে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। এর মধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে রয়েছে এমন ৪২ টি ভ্যাকসিনের একটি তালিকা এবং প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে থাকা ১৫৬ টি ভ্যাকসিনের আরেকটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ওই তালিকায় বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের তিনটি ভ্যাকসিনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ‘কোভিড ১৯ করোনা’ ভাইরাস শনাক্তে এন্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মার্চে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে এই পর্যন্ত শুধু আরটি-পিসিআর টেস্টই চলে আসছিল। তবে পরীক্ষায় গতি আনতে অ্যান্টিজেন টেস্টের পক্ষে বলে আসছিলেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা। গত ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ডা. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে করোনা শনাক্তে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার অনুমোদনের কথা জানানো হয়। 
কারো দেহে কোভিড১৯ এর সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা দ্রুততম সময়ে শনাক্ত করার পদ্ধতি অ্যান্টিজেন টেস্ট।
বর্তমানে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর) পদ্ধতিতে কোভিড১৯ শনাক্তকরণ বিশ্বে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে এই পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহের পর ফল পেতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। সেখানে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে আধা ঘণ্টার মধ্যে জানা যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে কি না। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১১ সেপ্টেম্বরের ‘ইনটেরিম গাইডেন্স’ অনুসরণ করে দেশের সকল সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, সরকারি পিসিআর ল্যাব এবং সকল স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে অ্যান্টিজেনভিত্তিক টেস্ট চালুর অনুমতি দেওয়া হল।’ এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রক্রিয়াধীন কোভিড১৯ ল্যাব সম্প্রসারণ নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে জানানো হয় চিঠিতে।

 

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফির ইন্তেকাল
শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ হেফাজতে ইসলামের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৫ বছর। 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আল্লামা আহমদ শফির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আজ বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরপরই সন্ধ্যা ৬.৩০টার দিকে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। 
শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে এর আগেও কয়েক দফায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গতকাল হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের পদ ছাড়তে হয় আহমদ শফিকে। সেই সাথে তাঁর ছেলে আনাস মাদানী ও তাদের অনুসারী কয়েকজন সদস্যের দুর্নীতি-স্বেচ্ছাচারিতার কারণে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির (শূরা কমিটি) বৈঠকে আহমদ শফি পদত্যাগ করেন এবং তাঁর ছেলেসহ দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে শূরা কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন নানুপুরী জানান।

উল্লেখ্য, তিনি বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশেরও (বেফাক) সভাপতি পদে ছিলেন। কওমী মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস সনদকে ‘মাস্টার্স সমমান (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)’ প্রদানে মূল ভূমিকা পালন করেন তিনি। 

আল্লামা শাহ আহমদ শফির জন্ম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জনক। আল্লামা শফির শিক্ষাজীবন শুরু হয় রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা মাদ্রাসায়। এরপর পটিয়ার আল জামিয়াতুল আরাবিয়া মাদ্রাসায় (জিরি মাদ্রাসা) পড়াশোনা করেন তিনি। পরে হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা এবং ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন তিনি। 
১৯৮৬ সালে হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক (মুহতামিম) হিসেবে দায়িত্ব নেন আল্লামা শাহ আহমদ শফি। টানা ৩৪ বছর ধরে এই দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
তাঁর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় দৃশ্যত আহমদ শফির সুদীর্ঘ কর্তৃত্বের অবসান ঘটলো। এই মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন আহমদ শফি, যাদের কাছে তিনি ‘বড় হুজুর’ নামে পরিচিত। 
চেক ডিজঅনার হলেই সাজা নয়, থাকতে হবে বৈধ চুক্তিপত্র
ব্যাংক চেক নমুনা


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ এখন থেকে ‘চেকের মাধ্যমে চেকদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে কোন লেনদেন হলে এ  সম্পর্কিত কোন বৈধ চুক্তিপত্র প্রমাণ করতে না পারলেও সাজা হবে না’- মর্মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। 

এ রায়ের ফলে এখন থেকে বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে কী চুক্তিমূলে বা বিবেচনায় চেকদাতা চেক ইস্যু করেছিলেন এবং সেই চুক্তিটি ভঙ্গ হয়নি যার কারণেই বিবাদীর কাছে বাদীর পাওনা বলবৎ রয়েছে। 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চের বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর ওই রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়। 

এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এক আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করে এ রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। চেক ডিজঅনার হলেই এর আগে চেকদাতাকে সাজা ভোগ করতে হতো। চেকমূলে চেকগ্রহীতার টাকা পাওয়ার কোনও কারণ আছে কিনা, কিংবা চেকটি আসল নাকি জাল সেটি তেমন একটা দেখা হতো না। 
বর্তমান রায়ের ফলে এখন থেকে চেকগ্রহীতাকে প্রমাণ করতে হবে যে, চেকদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে লেনদেন সম্পর্কিত কোনও বৈধ চুক্তিপত্র ছিল কিনা। চেক প্রাপ্তির বৈধ কোনও কারণ প্রমাণ করতে না পারলে এখন আর চেকদাতাকে সাজা দেওয়া যাবে না। 


অবিক্রিত লাল চিনি, বেতন না পেয়ে শ্রমিকদের মানবেতর জীবন; রাজশাহী, চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম, ভারত, বাংলাদেশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, চিনি, আখ, রাষ্ট্রায়াত্ত মিল, সুগার মিল, brown sugar, sugar mill, white sugar

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ রাষ্ট্রায়াত্ত চিনিকলগুলোতে উৎপাদিত লাল চিনি বিক্রি না হওয়ায় গত ৪ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না চিনিকল শ্রমিকরা। যার ফলে বেতনহীন মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে রাজশাহী-ঠাকুরগাঁওয়ের লাল চিনিকলে উৎপাদনকারী শ্রমিকদের।

চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, গত মৌসুমে ৫৪ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে প্রায় ৩ হাজার ৩৫৮ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন চিনি অবিক্রিত রয়েছে।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রতি টন চিনির মিল গেটে মূল্য ৬০ হাজার টাকা। কর্পোরেশনের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেসরকারি চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের চিনির বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চিনি বিক্রি না হওয়ার ফলে ৪ মাস ধরে বেতন বন্ধ শ্রমিকদের। যার ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে তারা।

বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশনের ডিলাররা জানায়, ‘বেসরকারি চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চিনি কেজি প্রতি মূল্য ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয়াত্ত চিনিকলের উৎপাদিত চিনির মিল গেট মূল্য কেজি প্রতি ৬০ টাকা হওয়ায় আমরা অল্প পরিমাণে চিনি বিক্রির জন্য সরবরাহ করছি। বেসরকারি শোধনাগারের সাদা চিনি প্রতি গ্রাহকদের পছন্দ থাকায় বাজারে রাষ্ট্রীয় কলের উৎপাদিত লাল চিনির চাহিদা কম বলে মনে করছেন ডিলাররা। যার ফলে বেশিরভাগ চিনিই চিনিকলে অবিক্রিত অবস্থায় থেকে যাচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও আখ চাষি সমিতির সভাপতি ইউনুস আলী বলেন, ‘প্রতি বছর আখ সরবরাহ করার পর আখের মূল্য দিতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে কৃষকরা আখ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। যথাসময়ে আখের মূল্য পরিশোধ এবং বাজারে লাল চিনি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলে নতুন ভোক্তা তৈরি হবে, এতে কৃষক এবং মিলগুলোও লাভবান হবে।’

ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমাদের চিনি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন দিতে হয়। চিনি বিক্রির গতি খুব ধীর হওয়ায় তাদেরকে সময়মতো বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে মানবেতন দিন কাটাতে হচ্ছে চিনিকল শ্রমিকদের। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চিনিকলগুলোকে বাঁচাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চিনি তৈরির উপকরণের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়াতে হবে। যাতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চিনিকলগুলোতে উৎপাদিত চিনির বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো চিনি বিক্রি করতে না পারে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় চিনিকল প্রতিষ্ঠানগুলোসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার-হাজার পরিবারের জীবন-জীবিকা রক্ষা পাবে’ বলেও মনে করেন তিনি।

সাদা চিনি খেয়ে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, লিভার বিকলের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?

আসুন জেনে নিয়ে লাল চিনি ও সাদা চিনির মধ্যে পার্থক্য

•  লাল চিনি হলো সরাসরি আখ থেকে তৈরি অপরিশোধিত চিনি। লাল চিনিতে থাকে আখের সব উপাদান। যেমনঃ- শর্করা, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড, জিঙ্ক, থায়ামিন, রাইবোফ্লেবিন, ফলিক এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদি। 

লাল চিনির উপকারী কয়েকটি দিকঃ-
১) প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকার কারণে লাল চিনি খেলে হাড় শক্তপোক্ত হয়। সেই সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। ক্যাভিটি এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়। 

২) আখের অ্যাটিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। 

৩) লিভার সুস্থ রাখে। 

৪) জন্ডিসের প্রকোপ কমায়। 

৫) কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করে। 

৬) আখে থাকা অ্যালকেলাইন প্রপাটিজ গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। 
৭) শরীরের মিনারেল তথা খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। 

৮) শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু লাল চিনি রিফাইন বা পরিশোধন করতে গিয়ে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, এনজাইম এবং অন্যান্য উপকারি পুষ্টি উপাদান দূর হয়ে যায়। চিনি পরিশোধন করতে ব্যবহার করা হয় সালফার এবং হাড়ের গুঁড়ো। 

সাদা চিনি বা রিফাইন করা চিনি যে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর সে সম্পর্কে ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন এক গবেষণাপত্র বের করেছিলেন। 
ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন গবেষণাপত্রে বলেনঃ- ‘চিনি রিফাইন করে সাদা করার জন্য চিনির সাথে যুক্ত প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেল সরিয়ে শুধু কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা রাখা হয়। কিন্তু শুধু কার্বোহাইড্রেট শরীর গ্রহণ করতে পারে না। মিনারেল ও ভিটামিনবিহীন কার্বোহাইড্রেট দেহের মধ্যে টক্সিক মেটাবোলাইট সৃষ্টি করে। এতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। ফলে কোষ অক্সিজেন পায় না এবং অনেক কোষ মারা যায়।’

ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন গবেষণা লব্ধ ফলাফল প্রমাণ করে- রিফাইন করা চিনি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। হার্ট ও কিডনী ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং ব্রেনের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে। 

সাদা চিনির ক্ষতিকারক দিক 


১) যেহেতু পরিশোধনের সময় চিনির মিনারেল বা প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান দূর হয়ে যায়। তাই সহজেই বলা যায়, এতে করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। নিউরন কোষগুলো ধীরে ধীরে মারা যায়। যা স্ট্রোক ঘটায়। 

২) ভিটামিন সরিয়ে ফেলায় শরীর পুষ্টি উপাদান পায় না। 

৩) সাদা চিনিতে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্রুক্টোজ থাকে। ফ্রুক্টোজ হজম করাতে সাহায্য করে লিভার বা কলিজা। কিন্তু অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ লিভার হজম করাতে না পারায় লিভারে তা ফ্যাট আকারে জমা হয়। এতে করে লিভার ড্যামেজ বা লিভার নষ্ট হয়ে যায়।

৪) চিনি পরিশোধনে ব্যবহার হয় সালফার আর হাড়ের গুড়ো যা কিডনি বিকলাঙ্ক করে দেয়। 

৫) সালফার ইনসুলিন নিঃসরণে প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস হয়। 

এত এত অপকারী বা বিধ্বংসী দিক থাকার কারণেই ড. উইলিয়াম কোডা মার্টিন সাদা চিনিকে বলেছেন বিষ। 

আমাদের দেশের মানুষ টাকা দিয়ে ধবধবে সাদা বিষ খাবে তবুও লাল চিনি কিনবে না! নিজে তো মরছেন, দেশীয় চিনিকলের শ্রমিকদেরও বিনাবেতনে মারছেন!

আসুন সবাই লাল চিনি কিনি, নিজেদের শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি দেশ ও দশের কথা চিন্তা করি।

ফেসবুকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার সাবহানাজ রশীদ দিয়া; facebook, bangladesh, country manager, facebook bangladesh country manager sabhanaz rashid diya

ভয়েস অব পটিয়া-সোস্যাল ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাবহানাজ রশীদ দিয়া। এই নিয়োগের মাধ্যমে ফেসবুকের একজন অফিসিয়াল প্রতিনিধি পেলো বাংলাদেশ। সাবহানাজ রশীদ দিয়াকে এবছরের এপ্রিল মাসে নিয়োগ দেয় ফেসবুক। ফেসবুকের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের পলিসি বিষয়ে কাজ করবেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাথে ফেসবুকের এক ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সাবহানাজকে বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। বাংলাদেশে ফেসবুকের একজন প্রতিনিধি হিসেবে বাংলা ভাষাভাষীকে নিয়োগ দেয়ায় ফেসবুককে ধন্যবাদ জানান মোস্তাফা জব্বার। এই উদ্যোগের ফলে দেশে ফেসবুক সংক্রান্ত যেকোনও সমস্যার দ্রুত সমাধান পাবে বলে মন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন। 

সাবহানাজ রশীদ দিয়া ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে অর্থনীতি ও যোগাযোগ বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পাবলিক পলিসি ও ডাটা সায়েন্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সাবহানাজ ১০ বছর যাবত ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি গুগল, বিশ্বব্যাংক, ইউএসএইডসহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে
নারায়ণগঞ্জ মসজিদে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সদরের একটি মসজিদে পাশের গ্যাস লিকেজের বিস্ফোরণ থেকে আগুনে দগ্ধ হয়ে শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় অর্ধ শতাধিক অগ্নিদগ্ধদের অধিকাংশকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। সকাল ৯টা পর্যন্ত মোট ১১ জন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে জুয়েল নামের এত শিশুর দেহের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যায় বলে জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হুসেইন ইমাম। 
শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল ১১টার দিকে মারা যান রাসেল নামে একজন। ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন বলেন, দুপুরে আরও দুজন মারা যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৬ জনে দাঁড়াল। অগ্নিদগ্ধ আরও ২৩ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানান তিনি। 

লাইনের লিকেজ থেকেই গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয় নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বাইতুল সালাহ জামে মসজিদটি। শুক্রবার রাতে এশার নামাজের সময় বিকট শব্দে মসজিদের পর পর ছয়টি এসিই বিষ্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। দগ্ধ হন মসজিদে নামাযরত অর্ধ শতাধিক মুসল্লী। বিস্ফোরণে মসজিদের সবগুলো জানালার কাচ উড়ে যায়। বিস্ফোরণে দগ্ধ মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বাইরে ছুটে এসে রাস্তায় জমে থাকা পানিতে গড়াগড়ি খেতে শুরু করেন।

শনিবার সকালে মসজিদ পরিদর্শনে যান তিতাসের এমডি, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। গ্যাস লিকেজের লাইন ঠিক করতে ৯ মাস আগে তিতাসকে জানানো হলেও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দেয়ার কারণে কাজ হয়নি বলে দাবি মসজিদ কমিটির সভাপতির। 
নারায়ণগঞ্জ পশ্চিম তল্লা বাইতুল সালাহ জামে মসজিদের সভাপতি আব্দুল গফুর মেম্বার গণমাধ্যমকে বলেন, যখন গ্যাস লাইন লিকেজ হচ্ছে তখন সাথে সাথেই এটি মেরামত করার জন্য আমরা তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তখন তারা আমাদের কাছ থেকে এর জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল, আমরা টাকাটা দিতে পারি নাই বলে তারা লিকেজ মেরামতের ব্যাপারে কোন কর্ণপাত করেনি। যার ফলে এভাবেই লিকেজ রয়ে যায়, আর মেরামত করা হয়নি। 

তবে নিজেদের দায় এড়িয়ে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে, কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মোহাম্মদ আল মামুন। তিনি বলেন, কমিটি এই বিষয়ে তদন্ত করবে। যদি কেউ বিষয়ে গাফিলতি করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
এদিকে গ্যাস লিকেজের সূত্র ধরেই তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব নূর হাসান। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছি। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে আমরা কথা বলছি। গ্যাস লিকেজ এবং বিদ্যুৎ এর বিষয় মাথায় রেখেই আমরা তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছি। 

ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শনিবার কান্নায় ভেঙে পড়েন নারায়ণগঞ্জ মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত-আহতেদের স্বজনরা।
ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ডা. ইমাম বলেন, “দগ্ধদের সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের শরীরের কমপক্ষে ৩০ শতাংশের বেশি দগ্ধ।” 
ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “যারা ভর্তি আছেন, তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন। তাদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ বলা যায়।” 

এদিকে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে বার্ন ইউনিটে যান নারায়ণগঞ্জের ডিসি জসিম ‍উদ্দিন। তিনি মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের ১০ হাজার টাকা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার শুরু ভারতের, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসাম-ত্রিপুরায় যাচ্ছে ভারতীয় পণ্য; চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম, ভারত, বাংলাদেশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
চট্টগ্রাম বন্দর

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে পণ্য পৌঁছে দিতে কলকাতার বন্দর থেকে একটি জাহাজ রওনা হয়েছে। আগামী সোমবার এটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে। একই দিনে একটি বাংলাদেশি পণ্য বোঝাই জাহাজ ও ভারতের পণ্য বোঝাই জাহাজ বন্দরে এলে চুক্তি অনুযায়ী ভারতের পণ্যবাহী জাহাজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুবিধা পাবে। দেশীয় ব্যবসায়ীদের চেয়ে ভারতের ব্যবসায়ীরা বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ব্যবসায়ী মহলে।

বৃহস্পতিবার ভারতের কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর থেকে চারটি কনটেইনারে রড ও ডালের একটি চালান নিয়ে যাত্রা করেছে এমভি সেঁজুতি নামের ভারতীয় জাহাজ। 
বাংলাদেশে নিযুক্ত  ভারতের হাই কমিশনার ও বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারত বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট এর চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো এ জাহাজটি ১০৮ টি কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। এরপর, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কাভার্ড ভ্যানে করে চারটি কনটেইনার আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর হয়ে প্রবেশ করবে ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যে।

ভারতীয় হাইকমিশন ও বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক চিঠির সূত্রে জানা গেছে, এ চারটি কনটেইনারের মধ্যে দুটি কনটেইনারের রড ত্রিপুরার জিরানিয়ার এস এম করপোরেশনের। বাকি দুই কনটেইনারের ডাল যাবে আসামের জেইন প্রতিষ্ঠানের কাছে। 
এ চালানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর ও সড়কপথ ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যেগুলোতে পরিবহনের প্রথম পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হলো। 

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘এখন বন্দরে কোন জাহাজের জট নেই। ফলে ভারতীয় জাহাজটি আসা মাত্রই আমরা বার্থিং কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।’ বাংলাদেশের অন্যান্য আমদানিকারকদের মতোই নির্ধারিত হারে মাশুল আদায় করে জাহাজটিকে ছাড়পত্র দেয়া হবে বলে জানান তিনি। 

সূত্র জানায়, চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সাত ধরনের মাশুল আদায় করবে। এই সাতটি হলো প্রতি চালানের প্রসেসিং ফি ৩০ টাকা, প্রতি টনের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট ফি ৩০ টাকা, নিরাপত্তা মাশুল ১০০ টাকা, এসকর্ট মাশুল ৫০ টাকা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক মাশুল ১০০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কনটেইনার স্ক্যানিং ফি ২৫৪ টাকা এবং বিধি অনুযায়ী ইলেকট্রিক সিল ও লক মাশুল প্রযোজ্য হবে। 

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের অক্টোবরে দিল্লিতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের চুক্তি হয়। চুক্তির আর্টিক্যাল-৪ (পোর্ট এন্ড আদার্স ফ্যাসিলিটিজ) এ বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যে ধরণের সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে পরিবাহিত ইন্ডিয়ার পণ্যের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রদান করবে। এছাড়াও এ ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ‘প্রায়োরিটি’র ভিত্তিতে ‘স্পেস’ প্রদান করবে ‘ডেডিকেটেড’ নয়। 

ভারতীয় পণ্য অগ্রাধিকার (প্রায়োরিটি) দেয়ার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, এর অর্থ এই নয়, ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানোর জন্য আমরা দেশীয় জাহাজকে জেটি থেকে বের করে দেবো। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ড খালি থাকা সাপেক্ষেই তাদের এ সুবিধা দেয়া হবে। একই দিনে একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পণ্য বোঝাই জাহাজ ও ভারতের পণ্য বোঝাই জাহাজ বন্দরে এলে কোনটি আগে বন্দরে ভিড়বে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী অবশ্যই ভারতের পণ্যবাহী জাহাজটিকেই আগে প্রায়োরিটি দিতে হবে।’ এতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তিকে সবারই সম্মান করা উচিত।’ 
চট্টগ্রাম বন্দরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভারতের পণ্যের ক্ষেত্রে যে প্রায়োরিটি দেয়ার কথা বলা হয়েছে তাতে বন্দরের কিছু করার নেই। চুক্তি অনুযায়ী তা আমাদের করতে হবে। যদিও চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাড়ার কারণে বছরে কয়েক দফা, প্রায় ৫-৬ মাস জাহাজ জটে পড়তে হয়।’ তিনি বলেন, ‘শুরুতে ভারতের পক্ষ থেকে তাদের পণ্যবাহী জাহাজের জন্য একটি ডেডিকেটেড জেটি ও ইয়ার্ড দাবি করা হয়েছিল। বন্দর বিভিন্ন চেষ্টার মাধ্যমে ‘ডেডিকেটেড’ এর পরিবর্তে ‘প্রায়োরিটি’ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। 

দেশীয় ব্যবসায়ীদের চেয়ে ভারতের ব্যবসায়ীরা বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলে। তবে ভারতীয় পণ্যের এ সুবিধার পক্ষেও মত দিয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। 
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আপনার বাড়িতে কোন মেহমান এলে নিজে খাওয়ার আগে অবশ্যই মেহমানদের খাওয়ানো উচিত। সে হিসাবে ভারতীয় পণ্য বেশি প্রায়োরিটি পেতে পারে। এতে দেশি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের তেমন কোন সমস্যা হবে না বলে দাবি করেন তিনি।’

তবে তৈরি পোশাক শিল্পের সংগঠন বিজিএমইএর সহ সভাপতি এ এম চৌধুরী সেলিম বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে বন্দরে যেহেতু জাহাজ জট ও কনটেইনার জট নেই সেহেতু আপাতত কোন সমস্যা হবে না। তবে যখন বন্দরের জাহাজ জট শুরু হবে এবং চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতের পণ্য পরিবহন আস্তে আস্তে বাড়বে তখন দেশীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। একজন ব্যবসায়ী যখন নিজ দেশে প্রায়োরিটি পাবেন না তখন তিনি কোথাও ভালো কিছু করতে পারবেন না।’

বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমদানি পণ্য হাতে বুঝে পেতে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের। ঈদ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাজেটের আগে-পরে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ জট তীব্র হয়ে পড়ে। তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক মাস সময় লাগে। এমন অবস্থায় ভারতীয় পণ্য অগ্রাধিকার পেলে দেশের অর্থনীতিতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তৈরি পোশাক ক্রেতাদের কাছে জাহাজের গড় অবস্থান ও পণ্য খালাসের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ভবিষ্যতে তা আরো বাড়বে এবং রপ্তানিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।’ 

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এখনো জানি না বছরে ভারত থেকে কী পরিমান পণ্য এ বন্দর দিয়ে পরিবহন করা হবে। ফলে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। যদি ভারতের পণ্য পরিবহন বাড়ার পাশাপাশি আমাদের বন্দরের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ না হয় তাহলে তা দেশের আমদানি-রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (অপারেশন) এনামুল হক বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে কোন জাহাজ জট কিংবা কনটেইনার জট নেই। ফলে এখন প্রায়োরিটি দেয়া না দেয়া একই কথা। করোনার শুরুতে প্রতিটি জাহাজের গড় অবস্থান চার দিন হলেও তা কমে এখন একদিনে চলে এসেছে বলেও জানান তিনি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাহাজ জট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
ঈদে গণপরিবহন চলবে : ওবায়দুল কাদের; চামড়া শিল্প, ওলামা পরিষদ, কওমী মাদ্রাসা, ঢাকা, বায়তুল মোকাররম, জাতীয় মসজিদ, ঈদ উল আযহা, কুরবানীর ঈদ, গণপরিবহন, মহাসড়ক
ছবিঃ ওবায়দুল কাদের

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহার (কুরবানীর ঈদ) ছুটিতে গণপরিবহন চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গণপরিবহন চলাচল বিষয়ে গণমাধ্যমে  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর বক্তব্য পাঠানো হয়। এতে ওবায়দুল কাদের জানান, ভারী যানবাহন ঈদের আগের তিন দিন বন্ধ থাকবে। বাকি সব গণপরিবহন চলবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)  বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানাবে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

গ্যালারী

ফিচারড

এডিটরস চয়েস

সারাদেশ

রাজনীতি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পটিয়া সদর

ভিজিট করেছেন

ইউনিয়ন

গ্রাম-গঞ্জ

জাতীয়

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা