ভয়েস অব পটিয়ায় আপনাকে স্বাগতম | Welcome to Voice of Patiya
পটিয়ার মানচিত্র | Map of Patiya
পটিয়াকে জেলা চাই | Demanding Patiya as a District
শাহ আমানত সেতু | নতুন ব্রীজ | Shah Amanat Bridge
পটিয়া কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ | Patiya Central Cenotaph

মসজিদে তারাবীহর নামাযে ২০ জনের বেশি নয় : ধর্ম মন্ত্রণালয়; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
মসজিদে তারাবীহর নামাযে ২০ জনের বেশি নয় : ধর্ম মন্ত্রণালয় 

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণার মধ্যে নতুন করে মসজিদে নামায আদায়ের উপর নির্দেশনা জারি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ পবিত্র রমজান মাসের তারাবীহর নামায আদায়ে খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন-হাফেজ-খাদেম সহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‍উপসচিব মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে দুপুরে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এসময় জরুরী সেবা ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন

১৪ থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর লকডাউন-চালু থাকবে শিল্প-কারখানা; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
করোনা : ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর লকডাউন-চালু থাকবে শিল্প-কারখানা


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণা করে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। 

এ সময় বন্ধ থাকবে অফিস-আদালত, দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চলবে না বাস, ট্রেন, লঞ্চ, প্লেন। তবে খোলা থাকবে শিল্প-কারখানাসমূহ। 

মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ‍উপসচিব মোঃ রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে লকডাউনে গণপরিবহন চলাচল সম্পর্কে অনলাইন ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সকল প্রকার গণপরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা, পণ্য পরিবহন, ওষুধ, জ্বালানী, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, গার্মেন্টস সামগ্রী ও সংবাদপত্র এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে কঠোর।’ 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। 

দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত খাবার দোকান-হোটেল রেস্তোরাগুলো খোলা থাকবে,  তবে কেবলমাত্র খাবার বিক্রয়/নেয়া যাবে। বসে খাওয়া যাবে না।

কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরী পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস / জ্বালানী, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরী ও অত্যাবশকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন ও নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন


মসজিদে ইফতার-সেহরির আয়োজন করা যাবে না : ধর্ম মন্ত্রণালয়; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
মসজিদে ইফতার-সেহরির আয়োজন করা যাবে না : ধর্ম মন্ত্রণালয়

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারাদেশের মসজিদসমূহে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকল্পে জামায়াতে নামায আদায় প্রসঙ্গে নির্দেশনা সংবলিত এক জরুরী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উক্ত নির্দেশনায় পবিত্র রমযান মাসে মসজিদে ইফতার ও সেহেরি আয়োজন না করার প্রতিও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি


করোনা : ৫ থেকে ১১ এপ্রিল লকডাউন-বন্ধ থাকবে গণপরিবহন; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
করোনা : ৫ থেকে ১১ এপ্রিল লকডাউন-বন্ধ থাকবে গণপরিবহন

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামীকাল ০৫ এপ্রিল হতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে লকডাউনের ঘোষণা করে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। 
এ সময় বন্ধ থাকবে অফিস-আদালত, দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চলবে না বাস, ট্রেন, লঞ্চ,প্লেন। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিং এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

লকডাউনে গণপরিবহন চলাচল সম্পর্কে অনলাইন ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সোমবার (০৫ এপ্রিল) থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা, পণ্য পরিবহন, ওষুধ, জ্বালানী, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, গার্মেন্টস সামগ্রী ও সংবাদপত্র এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।’ 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ রোববার (০৪ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। 
আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরী পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস / জ্বালানী, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরী ও অত্যাবশকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন ও নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন


করোনাঃ সোমবার থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের ‘লকডাউন’; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
করোনাঃ সোমবার থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের ‘লকডাউন’

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আবারো লকডাউনের পথে সরকার। আগামী সোমবার (০৫ এপ্রিল) হতে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। তবে শিল্প কলকারখানাগুলো খোলা থাকবে এবং সেগুলোতে শিফটিং ডিউটি চলবে। আগামীকালের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।'

গণপরিবহনের ভাড়া ৬০% বাড়ানো হয়েছে : সড়কমন্ত্রী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা
গণপরিবহনের ভাড়া ৬০% বাড়ানো হয়েছে : সড়কমন্ত্রী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনায় সংক্রমণের হার উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামীকাল বুধবার (৩১ মার্চ) হতে সারাদেশে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ০২ সপ্তাহ পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভাড়া আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।’ 

আজ মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সকালে মন্ত্রী তার সরকারী বাসভবনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
করোনার সংক্রমণ এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনের অর্ধেক আসন খালি রেখে এবং মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়ে সড়কমন্ত্রী গণপরিবহনের মালিক-শ্রমিকদের এ বিষয়ে কঠোর হবার নির্দেশনা দেন। করোনার সংক্রমণের হার উর্ধ্বগতি হওয়ায় সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা মেনে চলার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহবান জানান সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
প্রেস রিলিজ

 

করোনাঃ সংক্রমণ রোধে নতুন ১৮ দফা নির্দেশনা, গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid19; Covid; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; চট্টগ্রাম; পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
করোনাঃ সংক্রমণ রোধে নতুন ১৮ দফা নির্দেশনা, গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ দেশে করোনার সংক্রমণ আবারও উর্ধ্বগতির দিকে যাওয়ায় এর সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়সহ সকল ক্ষেত্রে সংক্রমণ রোধে নতুন করে ১৮ দফা নির্দেশনা জারী করেছে সরকার। 

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এক ভিডিও কনফারেন্সে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের এ ১৮ দফা নির্দেশনার বিষটি নিশ্চিত করেছেন। 
নির্দেশনাগুলো হলঃ-  
১. সকল ধরণের জনসমাগম (সামাজিক/ রাজনৈতিক/ ধর্মীয়/ অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় সকল ধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। 
বিয়ে /জন্মদিন সহ যেকোন সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

২. মসজিদসহ সকল উপাসনালয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। 

৩. পর্যটন / বিনোদন কেন্দ্র/ সিনেমা হলে জনসমাগম সীমিত করতে হবে এবং সকল ধরণের মেলা আয়োজন নিরুৎসাহিত করতে হবে।
 
৪. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী বহন করা যাবে না। 

৫. সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে, প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে।

৬. বিদেশ হতে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। 

৭. নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী খোলা / উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূবর্ক ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। ওষুধের দোকানে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহে মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। 

৯. শপিং মলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। 

১০. সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

১১.অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা / আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে বের হওয়া নিয়ন্ত্রিত করতে হবে। 

১২. প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ সকল ধরণের স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক পরিধান না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৩. করোনায় আক্রান্ত / করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদেরও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। 

১৪. জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল সরকারি/বেসরকারি অফিস /প্রতিষ্ঠান/ শিল্প-কলকারখানাসমূহ ৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। গর্ভবতী / অসুস্থ/ বয়স ৫৫ উর্দ্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৫. সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে।

১৬. স্বশরীরে উপস্থিত হতে হয় এমন যে কোন ধরণের গণপরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। 

১৭. হোটেল-রেঁস্তোরাসমূহে ধারণ ক্ষমতার ৫০ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ বারিত করতে হবে। 

১৮. কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

উপরোক্ত নির্দেশনাগুলো অবিলম্বে সারাদেশে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপাততঃ ০২ সপ্তাহ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
প্রজ্ঞাপন

 

মোদী বিরোধী বিক্ষোভ, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ৪, প্রতিবাদে হরতালের ডাক; ঢাকা; চট্টগ্রাম; পটিয়া; হাটহাজারী; মাদ্রাসা; সুবর্ণ জয়ন্তী; স্বাধীনতা; মোদী; Modi; Independence
মোদী বিরোধী বিক্ষোভ, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ৪, প্রতিবাদে হরতালের ডাক

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী মোদি বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশে সাধারণ মুসল্লীসহ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সাথে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মী ও পুলিশের ত্রিমুখী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪ জন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২ দিনব্যাপী সফরকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকে উত্তাল ছিল সারাদেশ। 

ভারতে মুসলিম গণহত্যার প্রতিবাদের আজ শুক্রবার জুমার নামাযের পর ঢাকায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জুমার নামাজের মোনাজাত শেষে মুসল্লি জনতার একাংশ মোদিবিরোধী বিক্ষোভ শুরু করলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা মসজিদের উত্তরপাশ হতে লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে মুসল্লি জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মসজিদ লক্ষ্য করে টিয়ারশেল-গুলি ছুঁড়ে পুলিশ। এ সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ৭০ জন।

এদিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মোদিবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পর ৪ জন মারা যান। নিহতদের মধ্যে ৩ জন দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র বলে জানা যায়, অপরজনের সাধারণ নাগরিক বলে জানা যায়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাধারণ মুসল্লি ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে হাটহাজারী থানার দিকে এগুতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল-রাবার ‍বুলেট ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে সংঘর্ষ আরও বাড়লে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয় অন্তত ৮ জন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করালে তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ৪ জন মারা যায়। (২৬-০৩-২০২১)

পুলিশের দাবি, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতের ইসলামের অনুসারীরা মিছিল করার চেষ্টা করে। পুলিশ বাধা দিলে তারা হাটহাজারী থানায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। সংঘর্ষ চলাকালে রাস্তায় পুলিশ অবস্থান নিলে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে আগত অনুসারীরা অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল ছুঁড়ে। এ সময় আগুন দেওয়া হয় হাটহাজারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতেও। ভাংচুর চালানো হয় ডাকবাংলো ও ভূমি অফিসেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি ছুঁড়ে পুলিশ।’ 

যদিও বিক্ষোভরত সাধারণ মুসল্লিদের দাবি, ‘তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ এবং ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা করে, এ সময় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি করা শুরু করে। এ সময় ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়।’

হেফাজতে ইসলামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিসের দাবি, ‘পুলিশের গুলিতে সাধারণ মুসল্লিসহ কমপক্ষে ৭ জন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে।’ 

এদিকে ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোটসহ সমমনা ইসলামী দলগুলোর নেতৃবৃন্দরা এ ঘটনার প্রতিবাদে এক বিবৃতিতে বলেন,  ‘আধিপত্যবাদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুশী করার জন্য দেশের জনগণের বুকে গুলি চালিয়েছে সরকার। আজকে মুসল্লী ও দেশপ্রেমিক তৌহিদি জনতার উপর এই হামলা ও হত্যার দায় সরকারকে বহন করতে হবে। দেশবাসী এ হামলার সমুচিত জবাব দিবে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন মোদির জন্য দেশের জনগণের উপর এই হামলার ঘটনা এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে। নেতৃবৃন্দ বিক্ষুদ্ধ জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলার সাথে জড়িত পুলিশ ও দলীয় ক্যাডারদের অবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দেয়ার জোর দাবি জানান।’ 

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বিক্ষোভ ও রবিবার দেশব্যাপী হরতালের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলামের নেতারা। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও যুব অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি-সংঘর্ষ ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে সাধারণ বিক্ষোভকারীসহ আহত হন পুলিশের কয়েকজন সদস্যও। 


এদিকে সারাদেশের ন্যায় পটিয়া উপজেলাতে মোদি বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় (ভিডিও):



উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ভারতে রাষ্ট্রীয় মদদে সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর গণহত্যা চালানো হয়। যা ‘গুজরাট দাঙ্গা’ বলে পরিচিত। ওই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। উগ্র সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরএসএস-শিবসেনা-বিজেপির সমর্থকদের মদদ দিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর সাম্প্রদায়িক বর্বর এই গণহত্যায় নীরব ভূমিকা পালন করায় তাকে ‘গুজরাটের কসাই’ও বলা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং শ্রীলঙ্কার সমস্ত মহিলা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক তথ্য-প্রমাণ কমিটি জানায়, "সন্ত্রাসের কৌশল হিসাবে এই রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মহিলাদের উপরে যৌন সহিংসতা চালানো হয়। কমপক্ষে আড়াই শতাধিক বালিকা ও মহিলাদের গণধর্ষণ করা হয়েছিল এবং পরে তাদের পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। বাচ্চাদের জোর করে পেট্রোল খাওয়ানো হয় এবং তারপরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, গর্ভবতী মহিলাদের আগুনে পুড়ানো হয়েছিল এবং তারপরে তাদের পেটে অনাগত সন্তানের পোড়া দেহ দেখা যাচ্ছিল। নানদা পটিয়া গণকবরে ৯৬ টি দেহের মৃতদেহ ছিল, যার মধ্যে ৪৬ টি জন মহিলা ছিলেন। মৌলবাদী উগ্র হিন্দুরা তাদের বাড়ি প্লাবিত করে এবং ঘরের পুরো পরিবারকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে। মহিলাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মধ্যে তাদের উলঙ্গ করে ছিনিয়ে নেওয়া বস্তুর মত ব্যবহার করেছিল এবং হত্যা করেছিল। 

কল্পনা কন্নবিরানের মতে,  উগ্র মৌলবাদী হিন্দুদের দ্বারা ধর্ষণগুলি একটি সুসংহত, ইচ্ছাকৃত এবং পূর্বপরিকল্পিত কৌশলের একটি অংশ ছিল এবং এই ঘটনাগুলি সহিংসতাকে রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং গণহত্যার অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। মহিলাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অন্যান্য ক্রিয়াকলাপগুলির মধ্যে ছিল অ্যাসিড আক্রমণ, মারধর এবং গর্ভবতী মহিলাদের হত্যা। বাচ্চাদের তাদের পিতামাতার সামনে হত্যা করা হয়। জর্জ ফার্নান্দিস সহিংসতা নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজ্য সরকারের প্রতিরক্ষার পক্ষে ব্যাপক হট্টগোল সৃষ্টি করে বলেছিলেন যে ভারতে শুধুমাত্র এই প্রথমবারের মতো মহিলাদের আক্রমণ ও ধর্ষণ করা হয়নি। এ গণহত্যা-দাঙ্গায় ভারতে ১,০৪৪ জন নিহত, ২২৩ নিখোঁজ এবং ২,৫০০ আহত হয়। নিহতদের মধ্যে ৭৯০ জন মুসলমান এবং ২৫৪ জন হিন্দু ছিলেন। বহু নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের পাশাপাশি ব্যাপক লুটপাট ও সম্পদ ধ্বংসের খবর পাওয়া যায়। গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে এই সহিংসতা শুরু করার এবং প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়, যেমন পুলিশ এবং সরকারী আধিকারিকরা যারা দাঙ্গাকারীদের নির্দেশনা দিয়েছিল এবং মুসলমানদের মালিকানাধীন সম্পত্তির তালিকা তাদেরকে দিয়েছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে ভারতে শুরু হওয়া বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন-এনআরসি’কে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় মদদে দিল্লীতে গণহত্যার সূত্রপাত হয়। বিজেপি সমর্থকরা একে গুজরাট মডেলকে ফলো করে দাঙ্গায় রূপ দেয়। পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে। কিন্তু তিন দিন ধরা জ্বলা আগুন আর নৃশংসতায় দিল্লির উত্তর-পূর্বের খাজুরি খাস এলাকায় ৪০ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, শত শত মানুষ আহত এবং অনেকে নিখোঁজ হন। কোটি কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ নষ্ট করা হয়। প্রমাণ মিলেছে, পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের টার্গেট করা হয়েছিল এই দাঙ্গায়। নথিবদ্ধ প্রমাণাদি বলছে যে, সেখানে কিছু পুলিশ দাঙ্গাকারীদের সহায়তা করছিল বা বিষয়টিকে পুরোপুরি এড়িয়ে গেছে। খাজুরি খাস এলাকায় প্রায় ২০০টির মতো বাড়ি ও দোকান ছিল, যার এক পঞ্চমাংশের মালিক ছিল মুসলমানেরা। যারা জানেন না, তাদের পক্ষে দেখে বোঝা কঠিন ছিলো, গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকা ছোট ঘরগুলোর কোনটি মুসলমানের আর কোনটি তাদের হিন্দু প্রতিবেশীর। কোথাও কোথাও দুই ধর্মের দুই প্রতিবেশীর বাড়ির ছিলো একই দেয়াল। কোথাও কোথাও জোড়া লাগানো টানা ছাদ। তারপরও খুব সহজেই শুধুমাত্র মুসলিমদের বাড়ি আর দোকানগুলোতেই হামলা করেছিল দুষ্কৃতিকারীরা। 

(স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম অবলম্বনে)

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মণি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; Dhaka; ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মণি

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আগে খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মণি। 

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন ‘পরিস্থিতি এরকম থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ঈদের পর খুলতে পারে। জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে সে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না, যাতে করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। আমরা বিকেলে জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবো, করোনা সংক্রমণ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করবো। যেহেতু করোনা সংক্রমণ সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বাড়ছে সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।’

 

হযরত হামিদ আউলিয়া (রহিঃ)’র ওরশ ও সুন্নী সম্মেলনে সৈয়দ আবুল মনসুর আল মাইজভান্ডারী; বোয়ালখালী; ফটিকছড়ি; Boalkhali; Fatikchari; চট্টগ্রাম; Chattogram; Chittagong
হযরত হামিদ আউলিয়া (রহিঃ)’র ওরশ ও সুন্নী সম্মেলনে সৈয়দ আবুল মনসুর আল মাইজভান্ডারী

ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ বোয়ালখালী হযরত হামিদ আউলিয়া (রহিঃ) এর ১১৯ তম বার্ষিক ওরশ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সুন্নী সম্মেলন ও ছেমা মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের গাউছিয়া গায়েবীধন মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীল আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল মনসুর আল মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ.)। 

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ ইরফানুর রহমান মিজান আল হাসানী আল মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ.)। অনুষ্ঠানে প্রধান ওয়াজীন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী, প্রধান বক্তা মাওলানা সৈয়দ আহমদুল হক মাইজভান্ডারী। বিশেষ বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুফতি আব্দুল আজিজ রজভী, মুফতি জসিম উদ্দিন আল কাদেরী, আল্লামা মনছুর আলী আল কাদেরী, মাওলানা আরিফুল হোসাইন আশরাফী, হাফেজ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আল কাদেরী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম খালেদ। অনুষ্ঠানে নাত পরিবেশন করেন ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ তারেক আবেদীন কাদেরী।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ঢাকা আসছেন মোদী, এবারও হচ্ছে না তিস্তা চুক্তি; জাতীয়; বাংলাদেশ; ভারত; সংবাদ; সারাদেশ; আন্তর্জাতিক; নরেন্দ্র মোদী; এ কে আবদুল মোমেন; পররাষ্ট্রমন্ত্রী; প্রধানমন্ত্রী; বঙ্গবন্ধু; মুজিব বর্ষ; সুবর্ণ জয়ন্তী
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ঢাকা আসছেন মোদী, এবারও হচ্ছে না তিস্তা চুক্তি

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ) ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকা সফরে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এবারের সফরেও হচ্ছে না বহুল প্রতিক্ষিত তিস্তা চুক্তিসহ বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে আলোচনা।

রাজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আবদুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এবারের সফর হবে শুধুই উদযাপনের, দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলো তারা এবার তুলতে চান না। 

তিনি আরো বলেন, নরেন্দ্র মোদী আসছেন, এতেই আমরা অনেক খুশি। শুধু উনি না, উনার দেখাদেখি আরও চার জন রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান বাংলাদেশে আসছেন। শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপ ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানও আসছেন। আমরা এতে খুবই আনন্দিত, ইট শোজ দা হাইট অব ডিপ্লোম্যাটিক ম্যাচুরিটি অ্যান্ড এচিভমেন্ট। 

দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরে কোনো আলোচনা হবে কি না- এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওগুলো বাদ, আমরা যেটা চাই- সেটা হচ্ছে এই যে একটি আনন্দ উৎসব, আমাদের বড় উৎসবে সবাই আসছেন, এতে আমরা আনন্দিত। আর অন্যান্য ছোটখাট জিনিস যেগুলো ভারতের সঙ্গে তো আমাদের যে ধরনের বড় বড় সমস্যা, সব আমরা আলোচনার মাধ্যমেই দূর করেছি। আর যদি কিছু থাকে, সেগুলোও আস্তে আস্তে করব। বাট দিস ইভেন্ট শুড নট বি অ্যান অকেশন ফর রিজলভিং।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, যেসব দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানরা আসছেন না, তারাও বার্তা পাঠিয়েছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট, কানাডার প্রধানমন্ত্রী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বার্তা পাঠিয়েছেন। বার্তায় তারা জানিয়েছেন, আমাদের সুবর্ণ জয়ন্তীতে তারা আমাদের সাথে আছেন এবং সেইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর যে উদযাপন এবং উনার যে ত্যাগ, সেগুলো অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।’

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন, দ্বার খুলেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের; চট্টগ্রাম বন্দর; চট্টগ্রাম; খাগড়াছড়ি; রাঙ্গামাটি; রামগড়; সাব্রুম
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন, দ্বার খুলেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ফেনী নদীর উপর নির্মিত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করা হয়েছে। 
আজ মঙ্গলবার (০৯ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সিং এ যুক্ত হয়ে এই সেতুর উদ্বোধন করেন। 

এই প্রথম বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার কোনো নদী সেতুর উদ্বোধন হলো। ফেনী নদীর উপর নির্মিত এই সেতুর নাম রাখা হয়েছে ‘মৈত্রী সেতু’। 
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এই সেতু উদ্বোধন করার পাশাপাশি ত্রিপুরার সাবরুমে একটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। 

ত্রিপুরাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি এই সেতু আমাদের দুই দেশের মাঝে শুধু সেতুবন্ধই রচনা করবে না বরং ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ত্রিপুরাবাসী ব্যবহার করতে পারবে।’

ফেনী নদীর উপর নির্মিত ফেনী সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৯ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশের রামগড় উপজেলার সাথে ভারতের ত্রিপুরার সাবরুমকে যুক্ত করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ত্রিপুরাসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আমদানি-রপ্তানির সুবিধার জন্য ১৩৩ কোটি রুপি ব্যয়ে ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন এই সেতু নির্মাণ করেছে। 

এই সেতু নির্মিত হওয়ায় সহজেই পণ্য আমদানি-রপ্তানির পাশাপাশি দীর্ঘ দশক যোগাযোগ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা ত্রিপুরাসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে উন্নয়নের দ্বার উন্মোচিত হল।



গ্যালারী

ফিচারড

এডিটরস চয়েস

সারাদেশ

রাজনীতি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পটিয়া সদর

ইউনিয়ন

গ্রাম-গঞ্জ

জাতীয়

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা