ভয়েস অব পটিয়ায় আপনাকে স্বাগতম | Welcome to Voice of Patiya
পটিয়ার মানচিত্র | Map of Patiya
পটিয়াকে জেলা চাই | Demanding Patiya as a District
শাহ আমানত সেতু | নতুন ব্রীজ | Shah Amanat Bridge
পটিয়া কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ | Patiya Central Cenotaph
একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা চায় বাংলাদেশ; বাংলাদেশ; পাকিস্তান; ১৯৭১; মুক্তিযুদ্ধ; পাকিস্তানের বর্বরতা; পাকিস্তানের গণহত্যা; Liberation War; 1971, Bangladesh vs Pakistan; Genocide by Pakistan
একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা চায় বাংলাদেশ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়াসহ অমীমাংসিত দ্বিপক্ষীয় ইস্যুর সমাধানের গুরুত্ব উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ। 
সেই সাথে বাংলাদেশে আটকা পড়ে থাকা পাকিস্তানীদের প্রত্যাবাসন এবং সম্পদ ভাগাভাগির বিষয়টি নিষ্পত্তির করার আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ। 

আজ বৃহষ্পতিবার (০৭ জানুয়ারী) বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলমের সাথে সাক্ষাৎ করলে বিষয়টি উত্থাপন করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। 
‘প্রতিমন্ত্রী হাই কমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বাড়ানোর সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে জানান। এই নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশ ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দ্বিপক্ষীয় ব্যাপারে সম্পর্ক জোরদার করার প্রত্যাশায় রয়েছে বলে জানান তিনি। সেই সাথে সাফটা চুক্তিকে ব্যবহার করে, নেতিবাচক তালিকা শিথিল করে এবং বাণিজ্য বাধাগুলি অপসারণ করে আরও বেশি বাংলাদেশী পণ্যের প্রবেশাধিকার দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, বর্তমান বাণিজ্য ভারসাম্য পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে।’

বৈঠকে পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী পাকিস্তান সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলমকে শুভেচ্ছা জানান এবং তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্ভাব্য সকল ক্ষেত্রে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন।

উল্লেখ্য, উভয় পক্ষ দুদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক যৌথ সভার আয়োজনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। সেই সাথে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
করোনার ভ্যাকসিন ‘বঙ্গভ্যাক্স’  উৎপাদনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন পেলো গ্লোব বায়োটেক; করোনা; করোনা ভাইরাস; করোনা ভ্যাকসিন; কোভিড-১৯; Covid-19; Covid; Corona; Vaccine
করোনার ভ্যাকসিন ‘বঙ্গভ্যাক্স’  উৎপাদনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন পেলো গ্লোব বায়োটেক


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের উদ্ভাবিত ‘কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের‘ ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন পেয়েছে।

গ্লোব বায়োটেকের প্রধান  বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আসিফ মাহমুদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

গ্লোব বায়োটেক উদ্ভাবিত এই ভ্যাকসিটির নাম দেয়া হয়েছে বঙ্গভ্যাক্স। 
গত বছরের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠানটি করোনার এই ভ্যাকসিনটি উদ্ভাবন করেছে বলে দাবি করে। মার্চ মাস থেকে তারা এই ভ্যাকসিনটি তৈরির কাজ শুরু করে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ঠিকমতো চললে ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন জানাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তালিকাভুক্ত বাংলাদেশী এ প্রতিষ্ঠানটির ৩টি ভ্যাকসিন ইঁদুরের উপর সফল পরীক্ষা চালানোর পর এই ভ্যাকসিনটি কার্যকর ও সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে দাবি করেছে। উল্লেখ্য বর্তমানে বিশ্বে ১৫৬ টি কোভিড-১৯ করোনার ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পূর্বাবস্থায় রয়েছে। 

গ্লোব বায়োটেকের ব্যবস্থাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, মানবদেহে প্রয়োগের আগে যে কোনো ড্রাগ বা ভ্যাকসিনের ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। গত ২৮ ডিসেম্বর তারা ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক কর্তৃক অনুমোদন পেয়েছেন। এখন তারা বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল থেকে অ্যান্টিজেন ক্লিয়ারেন্স নেবেন বলে জানান তিনি।


বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মত ‘কোভিড ১৯ করোনা ভাইরাসের’ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দৌঁড়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড একমাত্র বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন >> বাংলাদেশের উদ্ভাবিত ‘করোনার’ ভ্যাকসিন কিনবে নেপাল 
বেসরকারী কলেজে থাকবে না অনার্স-মাস্টার্স : শিক্ষামন্ত্রী; জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়; সংবাদ; সারাদেশ; বেসরকারী কলেজ; অনার্স; মাস্টার্স; ডিগ্রী; কারিগরী; টেকনিক্যাল; National University; Degree; Honors; Masters
বেসরকারী কলেজে থাকবে না অনার্স-মাস্টার্স : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ ‘দেশব্যাপী ৩১৫ টি বেসরকারী কলেজ হতে ধাপে ধাপে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স তুলে নেবে সরকার। অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের বদলে এসব কলেজে ডিগ্রী পাস কোর্সের পাশাপাশি টেকনিক্যাল বিভিন্ন ট্রেড কোর্স খোলা হবে। এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়’-  এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা আর সনদধারী বেকার তৈরি করতে চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে দিচ্ছেন। কাজেই যারা অনার্স-মাস্টার্স করবেন তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই করবেন। শিক্ষিত বেকার যাতে তৈরি না হয় সেজন্য বেসরকারী কলেজগুলোতে ডিগ্রী পাস কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন শর্টকোর্স চালু করতে পারি। বেসরকারী যেসব কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু আছে সেখান থেকে পাস করা বেশিরভাগ সনদধারী চাকরি পান না, ফলে বেকার থেকে যান। তাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে বিরাট একটা ব্যবধান তৈরি হয়ে যায়, যারা এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যান তাদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা তৈরি হয়। অভিভাবকদের জন্যেও এটি কোন সুখকর বিষয় নয়। অভিভাবকরা সন্তানকে কষ্ট করে পড়ালেন, তাদের একটি ভালো চাকরির প্রত্যাশা থাকে, চাকরি না হলে তখন হতাশা ঘিরে ধরে। কোনও একটা কিছু করবে সেটির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা তারা অর্জন করতে পারে না। ফলে পিছিয়ে পড়ে বেকার বনে রয়ে যায়। এসব সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্যোগ আমরা নিচ্ছি।’ 

উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত বেসরকারী কলেজগুলোর ডিগ্রী স্তরের শিক্ষকরা সরকারীবেতন-ভাতার অংশ পেলেও অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকরা সে সুবিধা পান না। যার ফলে বিগত ২৮ বছর ধরে বঞ্চনার শিকার তারা। 
ডিগ্রী স্তর পর্যন্ত পরিচালিত এমপিওভুক্ত বেসরকারী কলেজগুলোয় ১৯৯৩ সালে অনার্স-মাস্টার্স স্তরের কোর্স চালুর অনুমোদন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এসব কলেজ কর্তৃপক্ষ বিধিবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত স্কেলে শিক্ষকদের মূল বেতন দেওয়ার শর্তে অনার্স-মাস্টার্সের বিষয় অনুমোদন নেয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কলেজের টিউশন ফি থেকে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করার নির্দেশনা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এর ফলে অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকের পদ কলেজগুলোর জনবল কাঠামোয় স্থান পায়নি। যার কারণে সরকারী বিধিবিধান অনুযায়ী এমপিওভুক্ত হওয়ার সুযোগ বঞ্চিত তারা।

অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছি। এতে হয়তো কিছুটা সময় লাগবে। কিন্তু আমরা যদি এমপিওভুক্তিতে এক ধরনের সিদ্ধান্ত নিই, আবার যদি ভিন্ন নতুন সিস্টেম চালু করি, তখন সমন্বয়টা করাটা জটিল হয়ে যাবে। এ কারণে এসব বিষয়ে আরও বিস্তর বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউসের মেয়াদ বৃদ্ধি; পটিয়ার কৃতি ব্যক্তিত্ব; শেখ হাসিনা; সচিবালয়

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ অবসরোত্তর ছুটি ও এ সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পটিয়ার কৃতি ব্যক্তিত্ব ড. আহমদ কায়কাউসকে একই পদে আরও দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। 

সরকারী চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী গতকাল (২৩ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ অলিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

আগামী ০১ জানুয়ারি বা যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এর আগে সরকারী চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৩(১)(ক) ধারা অনুযায়ী আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাকে অবসর প্রদান করে বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, ড. আহমদ কায়কাউস ১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে সরকারী চাকরিতে যোগ দেন। বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব থাকাকালীন তাকে ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদমর্যাদায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হন তিনি। ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সচিব পদে পদোন্নতি পান। ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। গত বছর ২৯ ডিসেম্বর ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তখন থেকে এখন অবধি তিনি প্রায় এক বছর যাবত এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। 



প্রজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে তুরষ্ক; turkey with bangladesh; recep tayyip erdogan


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ মিয়ানমার থেকে গণহত্যা, নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দশ লক্ষেরও অধিক রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে তুরস্ক বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগ্লু। 

আজ বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘পদ্মা’য় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারেন, সেজন্য কাজ করবে তুরস্ক। তুরস্ক রোহিঙ্গা সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।’ 
এ সময় তিনি ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পরামর্শ নেওয়ার প্রতি জোর দিয়ে বলেন, ‘তারা যেন ভালো থাকেন, সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়াটাই মূল সমাধান বলে মন্তব্য করেন তিনি।’

বাণিজ্য বিষয়ে প্রশ্নে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ-তুরষ্কের মধ্যকার এখন প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। আমরা আগামীতে একে দুই বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চাই।’

উল্লেখ্য, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগ্লু মঙ্গলবার রাতে দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।
পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান। 
আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। বেলা সাড়ে ১১ টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। 
এরপর  ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগ্লু।
অবসরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পটিয়ার কৃতি ব্যক্তিত্ব ড. আহমদ কায়কাউস।
সরকারী চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৩(১)(ক) ধারা অনুযায়ী আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাকে অবসর প্রদান করে আজ বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেই সাথে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ল্যাম্পগ্র্যান্টসহ আগামী ০১ জানুয়ারি হতে তাকে ১ বছরের অবসরোত্তর ছুটি (পি.আর.এল) মঞ্জুর করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত বছর ২৯ ডিসেম্বর ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়ে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তখন থেকে তিনি প্রায় এক বছর এই পদে দায়িত্ব পালন করলেন।
তবে, এখন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। 

প্রশাসন ক্যাডারের ৮৪, ৮৫ এবং ৮৬ ব্যাচের মধ্য থেকে সরকারের বিশ্বস্ত কাউকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে এ নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছে।

প্রজ্ঞাপন

করোনার সংক্রমণ এড়াতে মন্ত্রীসভার ফের নির্দেশনা

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ এই শীতকালীন সময়ে দেশব্যাপী করোনার সংক্রমণ এড়াতে মুখে মাস্ক পড়া ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রীসভা। 

আজ সোমবার (২১ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রীসভার এক ভার্চুয়াল সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। 

ভার্চুয়াল এই সভায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা অংশ নেন।

সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন, “‘কোভিড-১৯ করোনা’র সংক্রমণ এড়াতে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীসভার সদস্যদের অবহিত করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যে বাসার বাইরে চলাচলের ক্ষেত্রে সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে সরকার। 
এ নির্দেশনা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের জেল-জরিমানা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ‘No Mask, No Service’ ব্যাপকভাবে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য সচেতন ব্যক্তিকে এ কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগামীতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সংক্রমণ এড়াতে আমাদের আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে যথাসম্ভব সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়। 
এছাড়া মাস্কের ব্যবহারের কথা বার বার আলোচনায় আসছে। মাস্ক পড়া ছাড়া যাতে কেউ সেবা না পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। এটি বাস্তবায়নে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগকে।”
বিতর্কিত কৃষি সংস্কার আইন : প্রতিবাদে ভারতজুড়ে কৃষকদের বিক্ষোভ


ভয়েস অব পটিয়া-ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ ভারতে বিতর্কিত নতুন কৃষি সংস্কার আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকদের আন্দোলনে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসান হয়নি এখনো। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কৃষকদের বৈঠকে কোনো ফল না হওয়ায় পুনরায় অচলাবস্থার ডাক। 
বিতর্কিত এ কৃষি সংস্কার আইনগুলো বাতিলের দাবিতে ভারতের হাজার হাজার কৃষক বেশ কয়েকদিন ধরেই রাজধানী নয়াদিল্লির প্রবেশ মুখে অবস্থান নিয়েছেন। যার ফলে মহাসড়কে বন্ধ হয়ে গেছে যান চলাচল। 

ভারতীয় কৃষকদের মতে, ‘বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের নতুন পাশকৃত কৃষি সংস্কার আইনগুলো তাদের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার বলছে, মান্ধাতা আমলের বিপণন পদ্ধতি সংস্কারের লক্ষ্যেই নতুন এ আইনগুলো করা হয়েছে। এসব আইনের ফলে কৃষকরা তাদের ফসল বিক্রির ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশি বিকল্প পাবেন বলেও ভাষ্য সরকারের।
কৃষকরা আরো জানান, ‘সরকারকে অবিলম্বে এ আইনগুলো বাতিল করতে হবে।’

দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে আসা কৃষকদের বেশিরভাগই ভারতের শস্য উৎপাদক দুই রাজ্য হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের বাসিন্দা। ভারতের ২ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির প্রায় ১৫ শতাংশই কৃষির উপর নির্ভরশীল। দেশটির ১৩০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। 
সংশ্লিষ্ট কৃষকদের আশঙ্কা, বিতর্কিত নতুন এ কৃষি সংস্কার আইনগুলো ভারতের নিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থাকে ভেঙে দেবে, যার ফলে সরকারও ধীরে ধীরে নির্ধারিত মূল্যে গম ও ধান কেনা বন্ধ করে দেবে, এর ফলশ্রুতিতে তাদেরকে ফসল বেচতে বেসরকারি ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষিতে প্রতিযোগিতা করতে হবে। এ  আইনগুলো কৃষকদের জীবন-জীবিকাকে অনিশ্চিত অবস্থার দিকে ঠেলে দেবে বলে দাবি করে আইনগুলো বাতিলসহ উৎপাদিত ফসল সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কিনতে সরকারের বাধ্যবাধকতা বহালসহ আরও বেশ কিছু দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভরত কৃষকরা ।

রয়টার্স অবলম্বনে
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ চলবে : ওবায়দুল কাদের


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ রাজধানী ধোলাইপাড় এলাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 
সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘নির্মাণাধীন ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ অব্যাহত থাকবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হয়েছে। ভাষ্কর্য ভাঙা কিংবা এর ক্ষতি সাধন করা অবশ্যই সংবিধান বিরোধী এবং রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। এর প্রধান কারণ, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা। তাঁর ভাস্কর্যের ওপর হামলা কোনমতেই মেনে নেয়া যায় না। 
সৌদি আরব, কাতার, মিশর, ইরান, তুরস্ক এমনকি পাকিস্তানে পর্যন্ত ভাস্কর্য রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলোতে যেখানে ভাস্কর্য রয়েছে তাদের চেয়ে কি আমরা বড় মুসলমান হয়ে গেলাম? ওইসব রাষ্ট্রে তো ভাস্কর্য নিয়ে কোনো কথা হয় না। আর মূর্তি হলো দেবতার পূজা-অর্চনা করার। দেবতাকে পূজা করা হয়, কিন্তু এখানে তো মানুষকে পূজা করা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের দেশে কেন বিষয়টি ভিন্ন দিকে যাচ্ছে? 
কুষ্টিয়ায় তারা বঙ্গবন্ধুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুদার ভাস্কর্যের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ধরনের কাজ করার মত ধৃষ্টতা যারা দেখাবে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।’
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের নিন্দা জানিয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।
আজ সোমবার (৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ছয়টার দিকে নিজের ভেরিফাইড অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধ, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতির’ ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন মাওলানা মামুনুল হক। 

তিনি বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় রাতের অন্ধকারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার মাধ্যমে একটি অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও অত্যন্ত নিন্দনীয়। ভাস্কর্য ভাঙার সঙ্গে কেউ কেউ আমার নাম জড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, আমার কোনও বক্তব্যের মাধ্যমে অথবা আমার কোনও কথায় এভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার কোনও কথা আমি কস্মিনকালেও বলিনি। দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল কোনও ব্যক্তি এমনটা কখনও করতে পারেন না।’ 

তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বারবার বলছি, আমাদের বক্তব্যে নিজেদের মতামত, মনগড়া ব্যাখ্যা বিকৃতরূপে উপস্থাপন করে একটি শ্রেণি রাষ্ট্রদ্রোহের বুনিয়াদ সাজিয়েছে। সারাদেশের আলেমরা সবাই বলছেন, আমাদের বক্তব্য কখনোই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়। বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সকল বাংলাদেশী, সকল বাঙালী শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। একজন মুসলিম হিসেবে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সমস্ত বিরোধ হলো ভাস্কর্য তথা মূর্তি নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর নামকে ভুঁইফোড় ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ দেশের ইসলামপন্থীদের মুখোমুখি করে দিতে চাইছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে অভিযোগ করেন মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, এই কাজটি করার মূল উদ্দেশ্য হলো চেতনার ব্যবসা করা। তারা বঙ্গবন্ধুকে ইসলামের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ইসলামকে যেমন ঘায়েল করতে চায়, তেমনি বঙ্গবন্ধুর মহান ব্যক্তিত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি চেতনার ব্যবসা করতে চায়। এসময় তিনি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে উগ্রবাদী বলে অভিযুক্ত করেন।
আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত 'মুজিব মিনার' নির্মাণের প্রস্তাব হেফাজতে ইসলামের


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি-ভাস্কর্য স্থাপনের পরিবর্তে আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত 'মুজিব মিনার' নির্মাণের বিকল্প প্রস্তাবসহ পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। 
আজ শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বড় মাদ্রাসায় এক বৈঠকে সরকারকে এ প্রস্তাব দেয়া হয়।

উক্ত সভার প্রস্তাবনাসমূহঃ

১ । মানবমূর্তি ও ভাস্কর্য যে কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কোনো মহৎ ব্যক্তি ও নেতাকে মূর্তি বা ভাস্কর্য স্থাপন করে শ্রদ্ধা জানানো শরিয়ত সম্মত নয়। এতে মুসলিম মৃত ব্যক্তির আত্মার কষ্ট হয়। কারো প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও তার স্মৃতিকে জাগ্রত রাখতে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ না করে, শতকরা ৯২ ভাগ মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ সমর্থিত কোনো উত্তম বিকল্প সন্ধান করাই যুক্তিযুক্ত। 

২। আমরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবমাননা, বিষোদগার, ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন ইত্যাদির তীব্র নিন্দা জানাই। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নাশের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি অবমাননাকর আচরণের ওপর কঠোর নজরদারি এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এসব অপকর্ম বন্ধ করা হোক। 

৩। বিগত সময়ে দ্বীনি আন্দোলনে গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দান ও মামলা প্রত্যাহার করা হোক। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সারাদেশের আলেম-ওলামা, ইমাম-খতিব ও ধর্মপ্রাণ‍মুসলমানদের ওপর সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করা হোক। ধোলাইপাড় চত্বরের পাশে ক্ষতিগ্রস্ত পুনঃনির্মিত মসজিদ নামাযের জন্য অবিলম্বে উন্মুক্ত করে দেয়া হোক।

৪। সম্প্রতি শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগের অজুহাতে দ্বীনি মাহফিলে লাউড স্পিকার ব্যবহারে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টির তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। অথচ সাধারণ শব্দদূষণ, উচ্চস্বরে গান-বাজনা ইত্যাদি বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক উদ্যোগ নেই বললেই চলে। কেবল ওয়াজ-মাহফিল নিয়ে শব্দদূষণের অজুহাতে বিশেষ নির্দেশনা অনভিপ্রেত। অতএব, জনগণকে কল্যাণের পথে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে সকল দ্বীনী মাহফিল যথানিয়মে অনুষ্ঠানের অবাধ সুযোগ প্রদান করা হোক।

৫। যে সকল বিষয় শরিয়তে নিষিদ্ধ ও হারাম, সে সব বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সঠিক বক্তব্য তুলে ধরা আলেমদের দায়িত্ব। অথচ এক শ্রেণীর মানুষ আলেমদের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও দায়িত্বহীন আচরণ করছে। কেউ কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনাশের উস্কানিও দিচ্ছে। এসবের খোঁজখবর রাখা এবং শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করা সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্ব। উস্কানিমূলক বক্তব্য, অবমাননাকর মন্তব্য, উগ্র স্লোগান, মিছিল-মিটিং সমাজে অস্থিরতা বৃদ্ধি করবে। ওলামায়ে কেরাম কঠোর ধৈর্য সংযম অবলম্বন করা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা প্রবল। সরকারকে এসবের উপযুক্ত প্রতিবিধান করতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী উদ্ভূত বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতার দায় সরকার এড়িয়ে যেতে পারবে না। বিশেষ করে ইসলাম, দ্বীন ও বাংলাদেশ বিরোধী দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ও অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ রোধ করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। 

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, বেফাকের সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসান সাহেব, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, জমিয়ত একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, বেফাকের খাস কমিটির সদস্য আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী, বি.বাড়িয়ার আল্লামা সাজিদুর রহমান, সিলেটের আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি,  জামিয়া রাহমানিয়ার প্রধান মুফতি মনসুরুল হক, ফরিদাবাদ মাদরাসার মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, জামিয়া ইউনুসিয়ার প্রধান মুফতি মুবারকুল্লাহ, গহরডাঙ্গা মাদরাসার মাওলানা রুহুল আমীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর সৈয়দ ফয়জুল করিম, বরুণার পীর মুফতি রশিদুর রহমান ফারুক, ঢালকানগরের পীর সাহেব মুফতি জাফর আহমদ, বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, বসুন্ধরা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আরশাদ রাহমানী, খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, শাইখ যাকারিয়ার পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, বারিধারা মাদরাসার মাওলানা নাজমুল হাসান, আফতাবনগর মাদরাসার মুহতামিম মুফতী মুহাম্মদ আলী, খুলনার মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, উত্তরার মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ আযহারী, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ্ আইয়ুবী, মাওলানা হাসান জামিলসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-উলামারা।

মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এখন থেকে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (০৮ নভেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে অন্যান্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ধর্মীয় উপসনালয়ে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ইদানিং গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সারাদেশে বিশেষ করে মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ব্যবহারে শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরা নিশ্চিত করার নিমিত্ত সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, পূর্বের বিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় নিম্নরূপ নির্দেশনা জারি করা হলোঃ-

ক) মসজিদে সকল মুসল্লির মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করে প্রবেশের জন্য মসজিদের মাইকে প্রচারণা চালাতে হবে। এ বিষয়ে মসজিদের ফটকে ব্যানার প্রদর্শন করতে হবে। বিষয়টি মসজিদ কমিটি নিশ্চিত করবেন। 

খ) হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরে উপাসনালয়ে প্রবেশ করবেন। মাস্ক পরে উপাসনালয়ে প্রবেশের জন্য প্রধান ফটকে ব্যানার প্রদর্শনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উপাসানালয় কমিটিকে নিশ্চিত করবেন। 

গ) ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ বিষয়ে সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে সচেতন করার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। স্লোগানটি সব উন্মুক্ত স্থানে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে পোস্টার/ডিজিটাল প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখতে হবে; 

ঘ) কিছুক্ষণ পরপর সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। 

২। দেশের সকল মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাইক থেকে নিয়মিতভাবে উপরে বর্ণিত ঘোষণাসমূহ আবশ্যিকভাবে প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও উপাসনালয়ের পরিচালনা কমিটিকে অনুরোধ করা হলো।’

এ মর্মে জনস্বার্থে এ বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি

 

ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ)’র অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ
ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র পটিয়ায় তৌহিদি জনতার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাদে জুমা পটিয়া রেল স্টেশন চত্বর হতে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পটিয়ার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানার মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহানবী (সাঃ) এঁর ব্যাঙ্গচিত্র অঙ্কনকারী ম্যাগাজিন শার্লি এব্দো ও এর সমর্থনকারী ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। 

ফ্রান্সের ইসলাম বিদ্বেষ ও মহানবী (সাঃ) এর অবমাননায় বিশ্বের দুইশত কোটি মুসলমান ব্যথিত হয়েছে। ফ্রান্সের এহেন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে। ইসলাম ও মহানবী (সাঃ) এঁর অবমাননা কোনভাবেই বিশ্ব মুসলিম বরদাস্ত করবে না। বিক্ষুব্ধ মুসলমানদের হৃদয়ের ক্ষত মুছতে হলে ফ্রান্সকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে ‘বীর’, গেজেট প্রকাশ


ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ এখন থেকে সকল ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহারের বিধান করে গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) মোঃ মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০১৮ এর ২(১১) ধারায় মুক্তিযোদ্ধাদের “বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এ আইনের সাথে সঙ্গতি রেখে একাদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৩ তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের পূর্বে ‘বীর’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

করোনা : ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত কওমী মাদ্রাসা ব্যতীত বাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “করোনা ভাইরাসে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতে আমরা বাধ্য হয়েছি। আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত কওমী মাদ্রাসা ব্যতীত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সেই সাথে আমরা পর্যালোচনা করেছি, সীমিত পরিসরে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায় কি না। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে পরিস্থিতি অনুকূল হলে সীমিত পরিসরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার চেষ্টা করব।

উক্ত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুকসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ।

গ্যালারী

ফিচারড

এডিটরস চয়েস

সারাদেশ

রাজনীতি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পটিয়া সদর

ভিজিট করেছেন

ইউনিয়ন

গ্রাম-গঞ্জ

জাতীয়

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা