ভয়েস অব পটিয়ায় আপনাকে স্বাগতম | Welcome to Voice of Patiya
পটিয়ার মানচিত্র | Map of Patiya
পটিয়াকে জেলা চাই | Demanding Patiya as a District
শাহ আমানত সেতু | নতুন ব্রীজ | Shah Amanat Bridge
পটিয়া কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ | Patiya Central Cenotaph
চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার শুরু ভারতের, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসাম-ত্রিপুরায় যাচ্ছে ভারতীয় পণ্য; চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম, ভারত, বাংলাদেশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
চট্টগ্রাম বন্দর

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে পণ্য পৌঁছে দিতে কলকাতার বন্দর থেকে একটি জাহাজ রওনা হয়েছে। আগামী সোমবার এটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে। একই দিনে একটি বাংলাদেশি পণ্য বোঝাই জাহাজ ও ভারতের পণ্য বোঝাই জাহাজ বন্দরে এলে চুক্তি অনুযায়ী ভারতের পণ্যবাহী জাহাজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুবিধা পাবে। দেশীয় ব্যবসায়ীদের চেয়ে ভারতের ব্যবসায়ীরা বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ব্যবসায়ী মহলে।

বৃহস্পতিবার ভারতের কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর থেকে চারটি কনটেইনারে রড ও ডালের একটি চালান নিয়ে যাত্রা করেছে এমভি সেঁজুতি নামের ভারতীয় জাহাজ। 
বাংলাদেশে নিযুক্ত  ভারতের হাই কমিশনার ও বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারত বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট এর চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো এ জাহাজটি ১০৮ টি কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। এরপর, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কাভার্ড ভ্যানে করে চারটি কনটেইনার আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর হয়ে প্রবেশ করবে ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যে।

ভারতীয় হাইকমিশন ও বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক চিঠির সূত্রে জানা গেছে, এ চারটি কনটেইনারের মধ্যে দুটি কনটেইনারের রড ত্রিপুরার জিরানিয়ার এস এম করপোরেশনের। বাকি দুই কনটেইনারের ডাল যাবে আসামের জেইন প্রতিষ্ঠানের কাছে। 
এ চালানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর ও সড়কপথ ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যেগুলোতে পরিবহনের প্রথম পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হলো। 

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘এখন বন্দরে কোন জাহাজের জট নেই। ফলে ভারতীয় জাহাজটি আসা মাত্রই আমরা বার্থিং কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।’ বাংলাদেশের অন্যান্য আমদানিকারকদের মতোই নির্ধারিত হারে মাশুল আদায় করে জাহাজটিকে ছাড়পত্র দেয়া হবে বলে জানান তিনি। 

সূত্র জানায়, চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সাত ধরনের মাশুল আদায় করবে। এই সাতটি হলো প্রতি চালানের প্রসেসিং ফি ৩০ টাকা, প্রতি টনের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট ফি ৩০ টাকা, নিরাপত্তা মাশুল ১০০ টাকা, এসকর্ট মাশুল ৫০ টাকা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক মাশুল ১০০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কনটেইনার স্ক্যানিং ফি ২৫৪ টাকা এবং বিধি অনুযায়ী ইলেকট্রিক সিল ও লক মাশুল প্রযোজ্য হবে। 

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের অক্টোবরে দিল্লিতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের চুক্তি হয়। চুক্তির আর্টিক্যাল-৪ (পোর্ট এন্ড আদার্স ফ্যাসিলিটিজ) এ বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যে ধরণের সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে পরিবাহিত ইন্ডিয়ার পণ্যের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রদান করবে। এছাড়াও এ ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ‘প্রায়োরিটি’র ভিত্তিতে ‘স্পেস’ প্রদান করবে ‘ডেডিকেটেড’ নয়। 

ভারতীয় পণ্য অগ্রাধিকার (প্রায়োরিটি) দেয়ার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, এর অর্থ এই নয়, ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানোর জন্য আমরা দেশীয় জাহাজকে জেটি থেকে বের করে দেবো। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ড খালি থাকা সাপেক্ষেই তাদের এ সুবিধা দেয়া হবে। একই দিনে একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পণ্য বোঝাই জাহাজ ও ভারতের পণ্য বোঝাই জাহাজ বন্দরে এলে কোনটি আগে বন্দরে ভিড়বে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী অবশ্যই ভারতের পণ্যবাহী জাহাজটিকেই আগে প্রায়োরিটি দিতে হবে।’ এতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তিকে সবারই সম্মান করা উচিত।’ 
চট্টগ্রাম বন্দরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভারতের পণ্যের ক্ষেত্রে যে প্রায়োরিটি দেয়ার কথা বলা হয়েছে তাতে বন্দরের কিছু করার নেই। চুক্তি অনুযায়ী তা আমাদের করতে হবে। যদিও চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাড়ার কারণে বছরে কয়েক দফা, প্রায় ৫-৬ মাস জাহাজ জটে পড়তে হয়।’ তিনি বলেন, ‘শুরুতে ভারতের পক্ষ থেকে তাদের পণ্যবাহী জাহাজের জন্য একটি ডেডিকেটেড জেটি ও ইয়ার্ড দাবি করা হয়েছিল। বন্দর বিভিন্ন চেষ্টার মাধ্যমে ‘ডেডিকেটেড’ এর পরিবর্তে ‘প্রায়োরিটি’ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। 

দেশীয় ব্যবসায়ীদের চেয়ে ভারতের ব্যবসায়ীরা বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলে। তবে ভারতীয় পণ্যের এ সুবিধার পক্ষেও মত দিয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। 
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আপনার বাড়িতে কোন মেহমান এলে নিজে খাওয়ার আগে অবশ্যই মেহমানদের খাওয়ানো উচিত। সে হিসাবে ভারতীয় পণ্য বেশি প্রায়োরিটি পেতে পারে। এতে দেশি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের তেমন কোন সমস্যা হবে না বলে দাবি করেন তিনি।’

তবে তৈরি পোশাক শিল্পের সংগঠন বিজিএমইএর সহ সভাপতি এ এম চৌধুরী সেলিম বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে বন্দরে যেহেতু জাহাজ জট ও কনটেইনার জট নেই সেহেতু আপাতত কোন সমস্যা হবে না। তবে যখন বন্দরের জাহাজ জট শুরু হবে এবং চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতের পণ্য পরিবহন আস্তে আস্তে বাড়বে তখন দেশীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। একজন ব্যবসায়ী যখন নিজ দেশে প্রায়োরিটি পাবেন না তখন তিনি কোথাও ভালো কিছু করতে পারবেন না।’

বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমদানি পণ্য হাতে বুঝে পেতে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের। ঈদ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাজেটের আগে-পরে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ জট তীব্র হয়ে পড়ে। তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক মাস সময় লাগে। এমন অবস্থায় ভারতীয় পণ্য অগ্রাধিকার পেলে দেশের অর্থনীতিতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তৈরি পোশাক ক্রেতাদের কাছে জাহাজের গড় অবস্থান ও পণ্য খালাসের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ভবিষ্যতে তা আরো বাড়বে এবং রপ্তানিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।’ 

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এখনো জানি না বছরে ভারত থেকে কী পরিমান পণ্য এ বন্দর দিয়ে পরিবহন করা হবে। ফলে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। যদি ভারতের পণ্য পরিবহন বাড়ার পাশাপাশি আমাদের বন্দরের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ না হয় তাহলে তা দেশের আমদানি-রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (অপারেশন) এনামুল হক বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে কোন জাহাজ জট কিংবা কনটেইনার জট নেই। ফলে এখন প্রায়োরিটি দেয়া না দেয়া একই কথা। করোনার শুরুতে প্রতিটি জাহাজের গড় অবস্থান চার দিন হলেও তা কমে এখন একদিনে চলে এসেছে বলেও জানান তিনি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাহাজ জট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
ঈদে গণপরিবহন চলবে : ওবায়দুল কাদের; চামড়া শিল্প, ওলামা পরিষদ, কওমী মাদ্রাসা, ঢাকা, বায়তুল মোকাররম, জাতীয় মসজিদ, ঈদ উল আযহা, কুরবানীর ঈদ, গণপরিবহন, মহাসড়ক
ছবিঃ ওবায়দুল কাদের

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহার (কুরবানীর ঈদ) ছুটিতে গণপরিবহন চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গণপরিবহন চলাচল বিষয়ে গণমাধ্যমে  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর বক্তব্য পাঠানো হয়। এতে ওবায়দুল কাদের জানান, ভারী যানবাহন ঈদের আগের তিন দিন বন্ধ থাকবে। বাকি সব গণপরিবহন চলবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)  বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানাবে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা জাতীয় ওলামা পরিষদের; চামড়া শিল্প, ওলামা পরিষদ, কওমী মাদ্রাসা, ঢাকা, বায়তুল মোকাররম, জাতীয় মসজিদ, ঈদ উল আযহা, কুরবানীর ঈদ
ছবিঃ চামড়া শিল্প ধ্বংসের কবল থেকে রক্ষার দাবীতে জাতীয় ওলামা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন

ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ দেশের অর্থনীতি এবং এতিম-গরীবের হক রক্ষায় পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জাতীয় ওলামা পরিষদ। 

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয় ওলামা পরিষদের উদ্যোগে দেশবরেণ্য আলেমদের এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। 
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি বারিধারা মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ‘এ দেশে রফতানি শিল্পের মধ্যে পাট, চা ও চামড়া অন্যতম। কিন্তু দেশ যখন অর্থনীতিতে অগ্রসর হচ্ছিল, তখন এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাতকেই ধ্বংস করতে একটি কুচক্রী মহল ওঠেপড়ে লেগেছে, যাতে এ দেশের অর্থনীতিকে সমূলে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ এ শিল্পগুলোকে রক্ষার জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী।’

এতে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা বশীর আহমদ, মাওলানা গোলাম মুহিউদ্দীন ইকরাম, হাফেজ মাওলানা আলী আকবর, মুফতি নেসার আহমদ, মাওলানা নাজমুল হাসান প্রমুখ। 
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ। 

আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, চামড়া শিল্পকে ধ্বংসে তৎপর সিন্ডিকেট চক্রকে প্রতিহত করে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করুন। দেশের অর্থনীতিকে রক্ষার জন্য চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরী। অন্যথায় গত বৎসরের মতো লাখ লাখ চামড়া বিনষ্ট হওয়ার মতো ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে এবং এতে দেশের বিপুল সংখ্যক এতিম, গরীব ও নিঃস্ব মানুষ বঞ্চিত হবে। 

কুরবানীর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের দাবিতে জাতীয় উলামা পরিষদের উদ্যোগে আগামী ১৭ জুলাই শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এক গণসমাবেশ এবং পরদিন ১৮ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের কর্মসূচী ঘোষণা করে কর্মসূচী সর্বাত্মকভাবে সফলের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।  

কুরবানী ঈদের আগে ও পরে মোট ৯ দিন গণপরিবহন চলাচল বন্ধ;চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR, পাটকল, Jute mill, শিক্ষা মন্ত্রণায়ল; Ministry of Education
ছবিঃ শাপলা চত্বর, ঢাকা।

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতিতে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহায় (কুরবানীর ঈদ) মোট ৯ দিন গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। ঈদের পাঁচ দিন আগে এবং ঈদের তিন দিন পর পর্যন্ত সড়কে কোন প্রকার গণপরিবহন চলবে না। 

ঈদে গণপরিবহন চলাচণ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গণপরিবহন বন্ধের এমন নির্দেশনা সম্পর্কিত চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার সচিবালয়ে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি, স্টিমার চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কর্মপন্থা নির্ধারণ সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগের পাঁচ দিন এবং ঈদের পর তিন দিন গণপরিবহন বন্ধ রাখার বিষয়ে একটি চিঠি আমরা পেয়েছি। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এ নির্দেশনার আলোকে আলোচনা করে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।
তিনি বলেন, এবারের ঈদে যারা বাড়ি যেতে চান, তাদেরকে ঈদের পাঁচ দিন আগেই যেতে হবে। যারা ফিরতে চান, তাদের তিন দিন পরেই ফিরতে হবে।

অন্যদিকে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধের লক্ষ্যে আসন্ন ঈদের সময় জনগণের চলাচল সীমাবদ্ধ করতে ঈদ-উল-আজহার পাঁচ দিন আগে থেকে এবং ঈদের পরের তিন দিন পর পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানের কাছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট দেশে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা (কুরবানীর ঈদ) উদযাপিত হবে। এর আগে ও পরে মোট ৯ দিন সড়কে কোনপ্রকার গণপরিবহন চলাচল করবে না বলে সূত্র জানিয়েছে।
কালুরঘাট সেতুঃ সংস্কার কাজের জন্য ২৩ জুলাই থেকে যান চলাচল বন্ধ;
ছবিঃ কালুরঘাট সেতু

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
সংস্কার কাজের জন্য আগামী ১৩ জুলাই হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত টানা ১০ দিন কালুরঘাট সেতুতে যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এর আগে রেলওয়ে ২৩ জুলাই থেকে সংস্কার কাজের ঘোষণা দেয়। তারিখ পরিবর্তন করায় দুঃখপ্রকাশ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

সেতুতে যান চলাচল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জনসংযোগ কর্মকর্তা তৌষিয়া আহমেদ ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কালুরঘাট সেতু মেরামতের জন্য কার্যাদেশ হয়েছে। প্রথমে ২৩ জুলাই থেকে সংস্কার কাজ শুরু করার কথা বলা হলেও, পরে তারিখ পরিবর্তন করা হয়। আগামী ১৩ জুলাই হতে ২৩ জুলাই টানা ১০ দিন এ সেতুর সংস্কার কাজ চলবে; যার ফলে এসময় সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ থাকবে। 

কর্ণফুলি নদীর উপর নির্মিত ৯০ বছরের পুরনো মেয়াদোত্তীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি ও নানান ভোগান্তি মাথায় নিয়ে দৈনিক পারাপার হচ্ছেন ১ লক্ষাধিকের উপর মানুষ। দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটের গাড়িসহ বোয়ালখালী উপজেলা ও পটিয়া উপজেলার তিন ইউনিয়নের প্রায় ২০ লাখ মানুষের চলাচল সরাসরি নির্ভরশীল এ সেতুর উপর। সেতুর পূর্ব পাড়ে বোয়ালখালী উপজেলা অংশে প্রায় ৫০টি কলকারখানা রয়েছে। এসব কলকারখানার আমদানি-রপ্তানি সরাসরি এ সেতুর উপর নির্ভর। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ-নড়বড়ে হওয়ায় পণ্য পরিবহনে বেগ পোহাতে হচ্ছে এসব কারখানার। 

মেয়াদোত্তীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণে যুগ যুগ ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছে বোয়ালখালী, পটিয়া’র মানুষ। কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণ হলে বোয়ালখালী-পটিয়া’সহ সমগ্র দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হবে।
শিক্ষার্থীদের অটো প্রমোশনের খবর ‘গুজব’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR, পাটকল, Jute mill, শিক্ষা মন্ত্রণায়ল; Ministry of Education

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা ছাড়াই অটো প্রমোশন দিয়ে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘গুজব’ বলে জানানো হয়েছে। 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা ছাড়া শিক্ষার্থীদের অটোপাস করানো হবে- এ ধরনের প্রতিবেদন সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘গুজব’। এ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। 

মহামারী করোনাভাইরাসে কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে গত ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা একপ্রকার অনিশ্চিত। এ কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক কলেজ কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে অটো প্রমোশন করিয়েছেন। চলতি মাস থেকে অনলাইনে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করা হবে। এই বিষয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে বলা হয়, চলতি মাসে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাময়িক পরীক্ষা ছাড়া শিক্ষার্থীদের পাস করানো হতে পারে। এমনকি মাধ্যমিক পর্যায়েও এমন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। 

শিক্ষাবিদরা বলছেন, অটোপ্রমোশন সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে রাখা যেতে পারে। তবে সে সিদ্ধান্ত  নেয়ার সময় এখনো আসেনি। বিষয়টির ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে আরো সময়ের প্রয়োজন।

রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR, পাটকল, Jute mill
রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ
লোকসানে পড়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বাংলাদেশে পাট উৎপাদনের ইতিহাস ৩০০ বছরের। এক সময় গর্ব করে পাটকে বলা হতো ‘সোনালি আঁশ’। যুগের সাথে তাল মিলাতে না পেরে সময়ের বিবর্তনে গুরুত্ব হারাল পাট। যার ফলে লোকসানে ধুঁকতে ধুঁকতে অবশেষে দেশের সকল রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শ্রমিকদের পাওনা মজুরি বুঝিয়ে দিয়ে বন্ধ হচ্ছে সব পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম।

দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের সংখ্যা ২৫টি। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাটকলগুলোতে কর্মরত শ্রমিকরা। তারা বলছেন, এতে হুমকির মুখে পড়বে তাদের জীবন-জীবিকা।

করোনার এই সংকটকালে পাটকল বন্ধকে আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বিরোধী রাজনীতিক ও শ্রমিক নেতারাও। তবে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) বলছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় পাটকলগুলো বন্ধের পর ফের, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীর (পিপিপি) ভিত্তিতে বা অন্য কোনোভাবে পাটকলগুলো চালানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। ব্যবস্থাপনাও ছেড়ে দেয়া হবে বেসরকারি হাতে। পাটকল করপোরেশন সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, নতুন ব্যবস্থাপনায় এসব কারখানায় পুরনো শ্রমিকদের চাকরির নিশ্চয়তা থাকবে। তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই পরবর্তী কৌশল সাজাচ্ছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। শ্রমিকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো এবং তাদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য নতুন পিপিপি ব্যবস্থাপনায় পাটকল স্থাপন করার শর্ত দেয়া হচ্ছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে পাটকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্ধের বিষয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বন্ধের। এরপর বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।
মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, সরকারি খাতের পাটকলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শ্রমিকদের সমুদয় পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে যে পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হয় তার ৯৫ শতাংশই বেসরকারি পাটকলে উৎপাদিত হয়। সরকারি খাতটি অত্যন্ত সংকুচিত হয়ে গেছে, যা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছিল না। এগুলোকে আবার প্রতিযোগিতায় কীভাবে আনা যায় এবং কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সে বিবেচনায় এখন পাটকলগুলো বন্ধ করার ঘোষণা করা হয়েছে। এসব পাটকল বন্ধ থাকলে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় চালু থাকলে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। কাজেই এসব পাটকলের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ভাইদের জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তার জন্য সরকার তাদের ২০১৫ সালের জাতীয় মজুরি কাঠামো অনুযায়ী সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও এ নির্দেশনাও দিয়েছেন, যে পাটকলগুলো বন্ধ আছে সেগুলো কীভাবে চালু করা যায়, যাতে সেগুলো বর্তমান এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে। এ সংক্রান্ত একটি কর্মপন্থা প্রস্তুত করে অতি দ্রুত তার কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
করোনা : চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে ২০টি ভেন্টিলেটর দিলো টি.কে. গ্রুপ;  চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবি: করোনা চিকিৎসায় চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করছে টি.কে. গ্রুপ
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে ২০টি ভেন্টিলেটর দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ টি.কে. গ্রুপ।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোঃ ইলিয়াস হোসেনের নিকট এসব ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন টি.কে. গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) মোঃ মোফাচ্ছেল হক। উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম, সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বিসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

টি.কে. গ্রুপের দেওয়া ২০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০টি, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ৩টি, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে ৩টি, বেসরকারী সার্জিস্কোপ হাসপাতালে ২টি এবং বেসরকারী পার্কভিউ হাসপাতালে ২টি করে হস্তান্তর করা হয়।

টিকে গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) মোঃ মোফাচ্ছেল হক জানান, ‘দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায় মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টি.কে. গ্রুপ। চট্টগ্রামে করোনা রোগী দ্রুত বাড়তে থাকায় তাদের চিকিৎসার জন্য টি.কে. গ্রুপের এমডি স্যারের নির্দেশে চীন থেকে ২০টি ভেন্টিলেটর আমদানি করে তা আমরা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করেছি। এসব ভেন্টিলেটর চট্টগ্রামের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে যুক্ত হলে করোনাক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া আরও সহজ হবে।’

গত ০৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকায় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির শরীরে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। সর্বশেষ আজ ১৯ জুন শুক্রবার সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামে এখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১১ জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় তাদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিভাগকে। আইসিইউ, ভেন্টিলেটর, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমের সংকট থাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি এস. আলম গ্রুপ, সিকমসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ করোনাক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় আইসোলেশন সেন্টার তৈরি, অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম, ভেন্টিলেটরসহ চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান করছে।

আরও পড়ুন >>  চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে এস. আলম গ্রুপ

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে এস. আলম গ্রুপ; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবিঃ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের কার্যাদেশ হস্তান্তর করছেন এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল আলম মাসুদ এর পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
 চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে দেশের অন্যতম শিল্প গ্রুপ এস. আলম গ্রুপ। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে মেডি ট্রেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দিয়েছে এই শিল্প গ্রুপ। কার্যাদেশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেমের কাজ সমাপ্ত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডি ট্রেডকে।

আজ রোববার (১৪ জুন) প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন কাজ সম্পন্ন করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডি ট্রেডকে কার্যাদেশ হস্তান্তর করেন এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল আলম মাসুদ এর পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী। 
চট্টগ্রামের অন্যতম রাষ্ট্রায়াত্ত হাসপাতাল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম পোহাতে হতো। করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে অক্সিজেনের এ সংকট চরমে উঠে। পর্যাপ্ত অক্সিজেন সাপোর্টের অভাবে প্রাণ হারান অনেক রোগী। এই দুঃসময়ের কথা চিন্তা করে মেডিকেল অক্সিজেনের এ ঘাটতি পূরণ করতে এগিয়ে আসলো এস. আলম গ্রুপ।

এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম ইনস্টলেশনের কাজ সম্পন্ন হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অক্সিজেন সাপোর্টের স্বল্পতা দূর হবে বলে জানান তিনি।’

করোনা আতঙ্ক : চট্টগ্রামে মিলছে না সাধারণ রোগের চিকিৎসাও; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
করোনা আতঙ্ক : চট্টগ্রামে মিলছে না সাধারণ রোগের চিকিৎসাও
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা আতঙ্কের প্রভাবে সাধারণ বা ক্রনিক রোগ কোনটাইর ন্যূনতম কোন চিকিৎসাই মিলছেনা চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। সরকারি যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সেখানে রয়েছে অক্সিজেন-আইসিইউসহ চিকিৎসা সরঞ্জামেরও চরম সংকট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর সাথে ভুল ওষুধ-এন্টিবায়োটিক সেবন এবং আতঙ্কও অন্যতম কারণ। ফলে করোনার চেয়ে জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে মৃত্যু হচ্ছে চার-পাঁচগুণ বেশি। গত কয়েকদিনে এ সংখ্যা ছাড়িয়েছে আড়াইশো পর্যন্ত। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা খাতে কঠোর নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিলেন সংশ্লিষ্টরা।

আবদুল মান্নান, চট্টগ্রামের টেরিবাজারের ব্যবসায়ী; বুকে ব্যথার জন্য চারটি হাসপাতাল ঘুরেও পাননি চিকিৎসা। জ্বর-সর্দি-কাশি থাকায় করোনার উপসর্গ বলে চিকিৎসা দেয়নি কোন হাসপাতাল। চিকিৎসা না পেয়ে বাসায় মারা যান তিনি। শুধু তিনিই নন; জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে চট্টগ্রামে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন কেউ না কেউ।

স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়ার মতে, সাধারণ ফ্লু'র সময়ে একদিকে করোনা সন্দেহে যেমন চিকিৎসা পাচ্ছে না মানুষ, তেমনি আছে আতঙ্ক। এর সাথে আছে ভুল ওষুধ-এন্টিবায়োটিক সেবন কিংবা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভরে করোনার বিষয় গোপন করা। যার ফলে সামান্য জ্বর-শ্বাসকষ্টেই দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

চট্টগ্রামে গত কয়েকদিনে শুধু উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আড়াইশোর বেশি মানুষ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর হার করোনার চেয়ে চার-পাঁচগুণ বেশি।

বাড়ছে হাসপাতালের সংখ্যা, শোনা যাচ্ছে নানা উদ্যোগেরও কথা। কিন্তু কোনভাবেই কাটছেনা চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতের লেজেগোবরে অবস্থা। করোনা সংকটের শুরুর দিকে চট্টগ্রামে কোভিড চিকিৎসার দায়িত্ব দেয়া হয় ১২টি বেসরকারি হাসপাতালকে। কিন্তু তারা নিজেদের দায় এড়াতে বেছে নেয় ৭ বছর ধরে বন্ধ থাকা হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালকে। নানা নাটকীয়তার পর যেটি চালু হয় সপ্তাহখানেক আগে। ১১০টি সাধারণ আর আইসিইউ শয্যা নিয়ে চালুর কথা ছিল হাসপাতালটি। তবে ওই হাসপাতাল চালু করা গেলেও বাস্তবে সেবা মিলছে দশ ভাগের এক ভাগ। চলছে দায়সারাভাবে। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি দায়িত্বশীল কারও।

চট্টগ্রামে আরও দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল ঘোষণা করে সরকার। যার একটি বন্দরনগরীর সবচেয়ে আধুনিক সুবিধার ইমপেরিয়াল হাসপাতাল। যেখানে প্রস্তুত করা হচ্ছে ৩০টি আইসিইউ শয্যা। তবে প্রস্তুতি নিয়ে বাস্তবতার সাথে মেলেনি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য। ইউএসটিসি বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে সাধারণ আর আইসিইউ মিলে ১০৩টি শয্যা বুধবার থেকে চালুর কথা বলা হলেও কাজ শেষ করা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সাধারণ রোগীদের ফিরিয়ে দেয়ার একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন চট্টগ্রাম জেলার ২০টি বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে মোট ৮২৫ শয্যা খালি, যা এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ধারণক্ষমতার প্রায় অর্ধেক।

তবে, বেসরকারি হাসপাতালে সব রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিতে মনিটরিং শুরু হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। করোনায় এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা দিতে অনাগ্রহী বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে সার্ভেইল্যান্স টিম।

কোন হাসপাতালে কত শয্যা খালি 

এর আগে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মনিটর করতে গঠিত সার্ভেইল্যান্স দল ৩ জুন হাসপাতালগুলোর তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়। সার্ভেইল্যান্স টিমের কাছে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দেখা যাচ্ছে, নগরী ও জেলার ২০টি হাসপাতালে মোট ১৫৮৮টি শয্যার মধ্যে ৮২৫টি খালি ছিল মঙ্গলবার। এর মধ্যে চন্দনাইশ উপজেলায় বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩০০ শয্যার মধ্যে ২৮৫টিই খালি ছিল। সেখানে একটি ১০০ শয্যার কোভিড-১৯ স্থাপনের কাজ চলছে। নগরীর মধ্যে পূর্ব নাসিরাবাদ চন্দ্রনগর মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫০ শয্যার মধ্যে ২১৩টিই খালি আছে। বহদ্দারহাটের ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫০ শয্যার মধ্যে ১১৯টি খালি। ওআর নিজাম রোডের মেডিকেল সেন্টারে ১২৪ শয্যার মধ্যে ৬১টি শয্যাই খালি। সিএসসিআর এ ৮০ শয্যার মধ্যে ৩৯টি খালি। পাশাপাশি ইম্পেরিয়াল ও শেভরন হাসপাতালে ৩০টি, সার্জিস্কোপে ১৫ এবং রয়েল হাসপাতালে ১৩টি শয্যা খালি। এছাড়া এশিয়ান হাসপাতালে ৮টি, পার্কভিউ ও সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬টি করে বেড খালি আছে বলে জানা গেছে। ২৩০ শয্যার চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার একটি শয্যাও খালি নেই। এখানকার কোভিড-১৯ ইউনিটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১১ জন এবং কোভিড-১৯ সাসপেক্ট ৫০ জন রোগী ভর্তি আছেন। ম্যাক্স হাসপাতালের ৮০টি শয্যার সবগুলোতেই রোগী আছেন। মেট্রোপলিটন ও ডেল্টা হাসপাতালে ৭০টি করে শয্যার একটিও ফাঁকা নেই। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই হাসপাতাল দুটিতেও সেবা বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। তাই সব বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সেবায় বাধ্য করার ওপরই জোর দিলেন তারা। শুধু হাসপাতাল চালু করলেই হবে না, সঠিক ব্যবস্থাপনা বা সমন্বয় না থাকলে মানুষ কোন সুফলই পাবেনা বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

স্বাস্থ্যখাতের বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যবিভাগে ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় আর শৃঙ্খলা ফেরানো না গেলে কোন উদ্যোগেই স্বস্তি আসবেনা।

করোনা : এস.আলম পরিবারের ৬ সদস্য আক্রান্ত, ভবন লকডাউন; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
S Alam Group এস.আলম গ্রুপ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ার বেকার সংস্থানের অগ্রদূত দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস.আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যানসহ এস.আলম গ্রুপ পরিবারের ছয় সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। 

রোববার (১৮ মে) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে বলে জানা যায়। করোনার নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসার পর চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার সুগন্ধা আবাসিক এলাকার ১নং রোডে অবস্থিত তাদের পারিবারিক ভবনকে পুলিশ ‘লকডাউন’ করে দিয়েছে বলে জানান পাঁচলাইশ থানার এসআই আবু তালেব। 

আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের ভাই এস.আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু, এন.আর.বি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম, শহীদুল আলম, ওসমান গণি ও তাদের এক ভাইয়ের স্ত্রী। 
বিষয়টি নিশ্চিত করে এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী আকিজ উদ্দিন জানান,  তাদের পরিবারের সকল সদস্য ঘরেই আইসোলেশনে রয়েছেন। 
এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ, তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এবং সুস্থ আছেন।
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি; পটিয়া বাইপাস, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, সংবাদ, সারাদেশ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি। আজ রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২.৩০টার সময় পটিয়া বাইপাস সড়কের ভাটিখাইন ইউনিয়নাধীন বাকখালী বড়ুয়ার টেক সম্মুখ এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্যরা বসতি এলাকা থেকে ৩ টি গরু ডাকাতি করে নিয়ে যায়। মসজিদের মাইকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার আগেই গরুচোর ডাকাতদলের সদস্যরা কমলমুন্সির হাটের দিকে পালিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ডাকাত দলের কাউকে গ্রেফতার করতে পারে নি।

দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া বাইপাস সড়কে দিনে-দুপুরে কিশোর গ্যাংয়ের চুরি-ছিনতাই, রাতে ডাকাতদলের উৎপাতে আতঙ্কগ্রস্থ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন বসতির এলাকাবাসীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এখন অবধি এই এলাকা চোর-ডাকাতদের নিরাপদ রুট হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এলাকাবাসী উক্ত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।


জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংবাদসহ পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
করোনা পজিটিভ : পটিয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীকে পুঁড়িয়ে মারার হুমকি; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবি: পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স | © voiceofpatiya.com

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক স্বাস্থ্যকর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের পুঁড়িয়ে মারার হুমকি দিয়েছে প্রতিবেশীরা।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্মরত।
করোনা পজিটিভ আসার পর থেকে প্রতিবেশীরা তাকে উপর্যুপরি হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সোমবার (১১ মে) মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন ওই স্বাস্থ্যকর্মী।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ি পটিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ গৌবিন্দারখীল গ্রামের ছিবাতলী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ জাবেদ বলেন, ‘করোনা পজিটিভ হওয়া স্বাস্থ্যকর্মী হুমকির বিষয়টি সম্পর্কে আমাদেরকে ফোনে অবহিত করেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার ওসিকে জানানো হয়েছে।’

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর পিতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনা শনাক্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় লকডাউন করার পর থেকে নিয়ম মেনে আইসোলেশনে আছে আমার ছেলে। রাত দেড়টার দিকে পাশের বাড়ির মাবিয়া খাতুন, আবদুর রহমান ও বাচাসহ কয়েকজন প্রতিবেশী আমার বাড়ির সামনে এসে চিৎকার-চেচামেচি ও গালাগাল করতে থাকে। তারা এলাকায় করোনা রোগী থাকতে পারবেনা বলে থাকলে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়।’ 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা জাহান উপমা বলেন, ‘আমরা আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়িতে আইসোলেশন নিশ্চিত করে তাদের খাবার দিয়ে এসেছি, সেই সাথে প্রতিবেশীদেরও সহমর্মিতা দেখাতে অনুরোধ করেছি।’ 

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী আক্রান্ত হওয়ার আগে থেকেই আমি আমার বাবার বাড়িতেই রয়েছি। আমার স্বামী বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত আমি সেখানে যাই নি। এর মধ্যে গত শনিবার আমার বাবার বাড়িতেও পাড়ার লোকজন এসে বাড়ির পেছনের দরজা তালাবদ্ধ করে দিয়েছে, যাতে আমরা ঘর থেকে বের হতে না পারি। সেই সাথে তারা আমাকে ও আমার পরিবারকেও নানা অপবাদ দিয়ে পুঁড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে শাসিয়ে যাচ্ছে। আমার স্বামী একজন স্বাস্থ্যকর্মী। মানুষের সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। সেবা করা কি অপরাধ?’

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবাদাতা স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ০৮ মে। ওই স্বাস্থকর্মী আক্রান্ত কোন রোগীর কাছ থেকে সংক্রমিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর ০৮ মে শুক্রবার থেকেই ১৪ দিনের জন্য আইসোলেশনে রয়েছেন আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী। তবে এখনও কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক তার খোঁজ খবর নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

গ্যালারী

ফিচারড

এডিটরস চয়েস

সারাদেশ

রাজনীতি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পটিয়া সদর

ভিজিট করেছেন

ইউনিয়ন

গ্রাম-গঞ্জ

জাতীয়

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা