ভয়েস অব পটিয়ায় আপনাকে স্বাগতম | Welcome to Voice of Patiya
পটিয়ার মানচিত্র | Map of Patiya
পটিয়াকে জেলা চাই | Demanding Patiya as a District
শাহ আমানত সেতু | নতুন ব্রীজ | Shah Amanat Bridge
পটিয়া কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ | Patiya Central Cenotaph
রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR, পাটকল, Jute mill
রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ
লোকসানে পড়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বাংলাদেশে পাট উৎপাদনের ইতিহাস ৩০০ বছরের। এক সময় গর্ব করে পাটকে বলা হতো ‘সোনালি আঁশ’। যুগের সাথে তাল মিলাতে না পেরে সময়ের বিবর্তনে গুরুত্ব হারাল পাট। যার ফলে লোকসানে ধুঁকতে ধুঁকতে অবশেষে দেশের সকল রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শ্রমিকদের পাওনা মজুরি বুঝিয়ে দিয়ে বন্ধ হচ্ছে সব পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম।

দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের সংখ্যা ২৫টি। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাটকলগুলোতে কর্মরত শ্রমিকরা। তারা বলছেন, এতে হুমকির মুখে পড়বে তাদের জীবন-জীবিকা।

করোনার এই সংকটকালে পাটকল বন্ধকে আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বিরোধী রাজনীতিক ও শ্রমিক নেতারাও। তবে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) বলছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় পাটকলগুলো বন্ধের পর ফের, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীর (পিপিপি) ভিত্তিতে বা অন্য কোনোভাবে পাটকলগুলো চালানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। ব্যবস্থাপনাও ছেড়ে দেয়া হবে বেসরকারি হাতে। পাটকল করপোরেশন সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, নতুন ব্যবস্থাপনায় এসব কারখানায় পুরনো শ্রমিকদের চাকরির নিশ্চয়তা থাকবে। তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই পরবর্তী কৌশল সাজাচ্ছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। শ্রমিকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো এবং তাদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য নতুন পিপিপি ব্যবস্থাপনায় পাটকল স্থাপন করার শর্ত দেয়া হচ্ছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে পাটকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্ধের বিষয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বন্ধের। এরপর বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।
মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, সরকারি খাতের পাটকলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শ্রমিকদের সমুদয় পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে যে পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হয় তার ৯৫ শতাংশই বেসরকারি পাটকলে উৎপাদিত হয়। সরকারি খাতটি অত্যন্ত সংকুচিত হয়ে গেছে, যা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছিল না। এগুলোকে আবার প্রতিযোগিতায় কীভাবে আনা যায় এবং কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সে বিবেচনায় এখন পাটকলগুলো বন্ধ করার ঘোষণা করা হয়েছে। এসব পাটকল বন্ধ থাকলে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় চালু থাকলে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। কাজেই এসব পাটকলের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ভাইদের জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তার জন্য সরকার তাদের ২০১৫ সালের জাতীয় মজুরি কাঠামো অনুযায়ী সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও এ নির্দেশনাও দিয়েছেন, যে পাটকলগুলো বন্ধ আছে সেগুলো কীভাবে চালু করা যায়, যাতে সেগুলো বর্তমান এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে। এ সংক্রান্ত একটি কর্মপন্থা প্রস্তুত করে অতি দ্রুত তার কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
করোনা : চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে ২০টি ভেন্টিলেটর দিলো টি.কে. গ্রুপ;  চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবি: করোনা চিকিৎসায় চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করছে টি.কে. গ্রুপ
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে ২০টি ভেন্টিলেটর দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ টি.কে. গ্রুপ।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোঃ ইলিয়াস হোসেনের নিকট এসব ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন টি.কে. গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) মোঃ মোফাচ্ছেল হক। উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম, সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বিসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

টি.কে. গ্রুপের দেওয়া ২০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০টি, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ৩টি, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে ৩টি, বেসরকারী সার্জিস্কোপ হাসপাতালে ২টি এবং বেসরকারী পার্কভিউ হাসপাতালে ২টি করে হস্তান্তর করা হয়।

টিকে গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) মোঃ মোফাচ্ছেল হক জানান, ‘দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায় মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টি.কে. গ্রুপ। চট্টগ্রামে করোনা রোগী দ্রুত বাড়তে থাকায় তাদের চিকিৎসার জন্য টি.কে. গ্রুপের এমডি স্যারের নির্দেশে চীন থেকে ২০টি ভেন্টিলেটর আমদানি করে তা আমরা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করেছি। এসব ভেন্টিলেটর চট্টগ্রামের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে যুক্ত হলে করোনাক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া আরও সহজ হবে।’

গত ০৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকায় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির শরীরে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। সর্বশেষ আজ ১৯ জুন শুক্রবার সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামে এখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১১ জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় তাদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিভাগকে। আইসিইউ, ভেন্টিলেটর, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমের সংকট থাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি এস. আলম গ্রুপ, সিকমসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ করোনাক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় আইসোলেশন সেন্টার তৈরি, অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম, ভেন্টিলেটরসহ চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান করছে।

আরও পড়ুন >>  চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে এস. আলম গ্রুপ

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে এস. আলম গ্রুপ; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবিঃ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের কার্যাদেশ হস্তান্তর করছেন এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল আলম মাসুদ এর পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
 চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে দেশের অন্যতম শিল্প গ্রুপ এস. আলম গ্রুপ। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে মেডি ট্রেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দিয়েছে এই শিল্প গ্রুপ। কার্যাদেশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেমের কাজ সমাপ্ত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডি ট্রেডকে।

আজ রোববার (১৪ জুন) প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন কাজ সম্পন্ন করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডি ট্রেডকে কার্যাদেশ হস্তান্তর করেন এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল আলম মাসুদ এর পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী। 
চট্টগ্রামের অন্যতম রাষ্ট্রায়াত্ত হাসপাতাল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম পোহাতে হতো। করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে অক্সিজেনের এ সংকট চরমে উঠে। পর্যাপ্ত অক্সিজেন সাপোর্টের অভাবে প্রাণ হারান অনেক রোগী। এই দুঃসময়ের কথা চিন্তা করে মেডিকেল অক্সিজেনের এ ঘাটতি পূরণ করতে এগিয়ে আসলো এস. আলম গ্রুপ।

এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম ইনস্টলেশনের কাজ সম্পন্ন হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অক্সিজেন সাপোর্টের স্বল্পতা দূর হবে বলে জানান তিনি।’

করোনা আতঙ্ক : চট্টগ্রামে মিলছে না সাধারণ রোগের চিকিৎসাও; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
করোনা আতঙ্ক : চট্টগ্রামে মিলছে না সাধারণ রোগের চিকিৎসাও
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা আতঙ্কের প্রভাবে সাধারণ বা ক্রনিক রোগ কোনটাইর ন্যূনতম কোন চিকিৎসাই মিলছেনা চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। সরকারি যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সেখানে রয়েছে অক্সিজেন-আইসিইউসহ চিকিৎসা সরঞ্জামেরও চরম সংকট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর সাথে ভুল ওষুধ-এন্টিবায়োটিক সেবন এবং আতঙ্কও অন্যতম কারণ। ফলে করোনার চেয়ে জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে মৃত্যু হচ্ছে চার-পাঁচগুণ বেশি। গত কয়েকদিনে এ সংখ্যা ছাড়িয়েছে আড়াইশো পর্যন্ত। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা খাতে কঠোর নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিলেন সংশ্লিষ্টরা।

আবদুল মান্নান, চট্টগ্রামের টেরিবাজারের ব্যবসায়ী; বুকে ব্যথার জন্য চারটি হাসপাতাল ঘুরেও পাননি চিকিৎসা। জ্বর-সর্দি-কাশি থাকায় করোনার উপসর্গ বলে চিকিৎসা দেয়নি কোন হাসপাতাল। চিকিৎসা না পেয়ে বাসায় মারা যান তিনি। শুধু তিনিই নন; জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে চট্টগ্রামে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন কেউ না কেউ।

স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়ার মতে, সাধারণ ফ্লু'র সময়ে একদিকে করোনা সন্দেহে যেমন চিকিৎসা পাচ্ছে না মানুষ, তেমনি আছে আতঙ্ক। এর সাথে আছে ভুল ওষুধ-এন্টিবায়োটিক সেবন কিংবা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভরে করোনার বিষয় গোপন করা। যার ফলে সামান্য জ্বর-শ্বাসকষ্টেই দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

চট্টগ্রামে গত কয়েকদিনে শুধু উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আড়াইশোর বেশি মানুষ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর হার করোনার চেয়ে চার-পাঁচগুণ বেশি।

বাড়ছে হাসপাতালের সংখ্যা, শোনা যাচ্ছে নানা উদ্যোগেরও কথা। কিন্তু কোনভাবেই কাটছেনা চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতের লেজেগোবরে অবস্থা। করোনা সংকটের শুরুর দিকে চট্টগ্রামে কোভিড চিকিৎসার দায়িত্ব দেয়া হয় ১২টি বেসরকারি হাসপাতালকে। কিন্তু তারা নিজেদের দায় এড়াতে বেছে নেয় ৭ বছর ধরে বন্ধ থাকা হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালকে। নানা নাটকীয়তার পর যেটি চালু হয় সপ্তাহখানেক আগে। ১১০টি সাধারণ আর আইসিইউ শয্যা নিয়ে চালুর কথা ছিল হাসপাতালটি। তবে ওই হাসপাতাল চালু করা গেলেও বাস্তবে সেবা মিলছে দশ ভাগের এক ভাগ। চলছে দায়সারাভাবে। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি দায়িত্বশীল কারও।

চট্টগ্রামে আরও দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল ঘোষণা করে সরকার। যার একটি বন্দরনগরীর সবচেয়ে আধুনিক সুবিধার ইমপেরিয়াল হাসপাতাল। যেখানে প্রস্তুত করা হচ্ছে ৩০টি আইসিইউ শয্যা। তবে প্রস্তুতি নিয়ে বাস্তবতার সাথে মেলেনি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য। ইউএসটিসি বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে সাধারণ আর আইসিইউ মিলে ১০৩টি শয্যা বুধবার থেকে চালুর কথা বলা হলেও কাজ শেষ করা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সাধারণ রোগীদের ফিরিয়ে দেয়ার একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন চট্টগ্রাম জেলার ২০টি বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে মোট ৮২৫ শয্যা খালি, যা এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ধারণক্ষমতার প্রায় অর্ধেক।

তবে, বেসরকারি হাসপাতালে সব রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিতে মনিটরিং শুরু হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। করোনায় এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা দিতে অনাগ্রহী বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে সার্ভেইল্যান্স টিম।

কোন হাসপাতালে কত শয্যা খালি 

এর আগে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মনিটর করতে গঠিত সার্ভেইল্যান্স দল ৩ জুন হাসপাতালগুলোর তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়। সার্ভেইল্যান্স টিমের কাছে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দেখা যাচ্ছে, নগরী ও জেলার ২০টি হাসপাতালে মোট ১৫৮৮টি শয্যার মধ্যে ৮২৫টি খালি ছিল মঙ্গলবার। এর মধ্যে চন্দনাইশ উপজেলায় বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩০০ শয্যার মধ্যে ২৮৫টিই খালি ছিল। সেখানে একটি ১০০ শয্যার কোভিড-১৯ স্থাপনের কাজ চলছে। নগরীর মধ্যে পূর্ব নাসিরাবাদ চন্দ্রনগর মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫০ শয্যার মধ্যে ২১৩টিই খালি আছে। বহদ্দারহাটের ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫০ শয্যার মধ্যে ১১৯টি খালি। ওআর নিজাম রোডের মেডিকেল সেন্টারে ১২৪ শয্যার মধ্যে ৬১টি শয্যাই খালি। সিএসসিআর এ ৮০ শয্যার মধ্যে ৩৯টি খালি। পাশাপাশি ইম্পেরিয়াল ও শেভরন হাসপাতালে ৩০টি, সার্জিস্কোপে ১৫ এবং রয়েল হাসপাতালে ১৩টি শয্যা খালি। এছাড়া এশিয়ান হাসপাতালে ৮টি, পার্কভিউ ও সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬টি করে বেড খালি আছে বলে জানা গেছে। ২৩০ শয্যার চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার একটি শয্যাও খালি নেই। এখানকার কোভিড-১৯ ইউনিটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১১ জন এবং কোভিড-১৯ সাসপেক্ট ৫০ জন রোগী ভর্তি আছেন। ম্যাক্স হাসপাতালের ৮০টি শয্যার সবগুলোতেই রোগী আছেন। মেট্রোপলিটন ও ডেল্টা হাসপাতালে ৭০টি করে শয্যার একটিও ফাঁকা নেই। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই হাসপাতাল দুটিতেও সেবা বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। তাই সব বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সেবায় বাধ্য করার ওপরই জোর দিলেন তারা। শুধু হাসপাতাল চালু করলেই হবে না, সঠিক ব্যবস্থাপনা বা সমন্বয় না থাকলে মানুষ কোন সুফলই পাবেনা বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

স্বাস্থ্যখাতের বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যবিভাগে ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় আর শৃঙ্খলা ফেরানো না গেলে কোন উদ্যোগেই স্বস্তি আসবেনা।

করোনা : এস.আলম পরিবারের ৬ সদস্য আক্রান্ত, ভবন লকডাউন; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
S Alam Group এস.আলম গ্রুপ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ার বেকার সংস্থানের অগ্রদূত দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস.আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যানসহ এস.আলম গ্রুপ পরিবারের ছয় সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। 

রোববার (১৮ মে) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে বলে জানা যায়। করোনার নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসার পর চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার সুগন্ধা আবাসিক এলাকার ১নং রোডে অবস্থিত তাদের পারিবারিক ভবনকে পুলিশ ‘লকডাউন’ করে দিয়েছে বলে জানান পাঁচলাইশ থানার এসআই আবু তালেব। 

আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের ভাই এস.আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু, এন.আর.বি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম, শহীদুল আলম, ওসমান গণি ও তাদের এক ভাইয়ের স্ত্রী। 
বিষয়টি নিশ্চিত করে এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী আকিজ উদ্দিন জানান,  তাদের পরিবারের সকল সদস্য ঘরেই আইসোলেশনে রয়েছেন। 
এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ, তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এবং সুস্থ আছেন।
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি; পটিয়া বাইপাস, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, সংবাদ, সারাদেশ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি। আজ রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২.৩০টার সময় পটিয়া বাইপাস সড়কের ভাটিখাইন ইউনিয়নাধীন বাকখালী বড়ুয়ার টেক সম্মুখ এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্যরা বসতি এলাকা থেকে ৩ টি গরু ডাকাতি করে নিয়ে যায়। মসজিদের মাইকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার আগেই গরুচোর ডাকাতদলের সদস্যরা কমলমুন্সির হাটের দিকে পালিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ডাকাত দলের কাউকে গ্রেফতার করতে পারে নি।

দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া বাইপাস সড়কে দিনে-দুপুরে কিশোর গ্যাংয়ের চুরি-ছিনতাই, রাতে ডাকাতদলের উৎপাতে আতঙ্কগ্রস্থ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন বসতির এলাকাবাসীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এখন অবধি এই এলাকা চোর-ডাকাতদের নিরাপদ রুট হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এলাকাবাসী উক্ত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।


জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংবাদসহ পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
করোনা পজিটিভ : পটিয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীকে পুঁড়িয়ে মারার হুমকি; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবি: পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স | © voiceofpatiya.com

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক স্বাস্থ্যকর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের পুঁড়িয়ে মারার হুমকি দিয়েছে প্রতিবেশীরা।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্মরত।
করোনা পজিটিভ আসার পর থেকে প্রতিবেশীরা তাকে উপর্যুপরি হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সোমবার (১১ মে) মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন ওই স্বাস্থ্যকর্মী।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ি পটিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ গৌবিন্দারখীল গ্রামের ছিবাতলী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ জাবেদ বলেন, ‘করোনা পজিটিভ হওয়া স্বাস্থ্যকর্মী হুমকির বিষয়টি সম্পর্কে আমাদেরকে ফোনে অবহিত করেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার ওসিকে জানানো হয়েছে।’

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর পিতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনা শনাক্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় লকডাউন করার পর থেকে নিয়ম মেনে আইসোলেশনে আছে আমার ছেলে। রাত দেড়টার দিকে পাশের বাড়ির মাবিয়া খাতুন, আবদুর রহমান ও বাচাসহ কয়েকজন প্রতিবেশী আমার বাড়ির সামনে এসে চিৎকার-চেচামেচি ও গালাগাল করতে থাকে। তারা এলাকায় করোনা রোগী থাকতে পারবেনা বলে থাকলে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়।’ 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা জাহান উপমা বলেন, ‘আমরা আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়িতে আইসোলেশন নিশ্চিত করে তাদের খাবার দিয়ে এসেছি, সেই সাথে প্রতিবেশীদেরও সহমর্মিতা দেখাতে অনুরোধ করেছি।’ 

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী আক্রান্ত হওয়ার আগে থেকেই আমি আমার বাবার বাড়িতেই রয়েছি। আমার স্বামী বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত আমি সেখানে যাই নি। এর মধ্যে গত শনিবার আমার বাবার বাড়িতেও পাড়ার লোকজন এসে বাড়ির পেছনের দরজা তালাবদ্ধ করে দিয়েছে, যাতে আমরা ঘর থেকে বের হতে না পারি। সেই সাথে তারা আমাকে ও আমার পরিবারকেও নানা অপবাদ দিয়ে পুঁড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে শাসিয়ে যাচ্ছে। আমার স্বামী একজন স্বাস্থ্যকর্মী। মানুষের সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। সেবা করা কি অপরাধ?’

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবাদাতা স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ০৮ মে। ওই স্বাস্থকর্মী আক্রান্ত কোন রোগীর কাছ থেকে সংক্রমিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর ০৮ মে শুক্রবার থেকেই ১৪ দিনের জন্য আইসোলেশনে রয়েছেন আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী। তবে এখনও কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক তার খোঁজ খবর নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

ঈদ শপিং না করে নেতা-কর্মীদের গরিবদের অর্থ দেয়ার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের; সংবাদ, সারাদেশ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ঈদ শপিং না করে নেতা-কর্মীদের গরিবদের অর্থ দেয়ার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ এবারের ঈদে দলীয় নেতাকর্মীদের কেনাকাটা না করে গরিব অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে অর্থ বিতরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন-সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার না করে এ সংকটকালে মির্জা ফখরুল ও বিএনপিকে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে করোনা প্রতিরোধে মানবিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। 

জীবন-জীবিকার চাকা সচল রাখতে সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ ছুটি শিথিল করেছেন বলে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এক শ্রেণির মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং অনলাইনে গুজব ছড়াচ্ছে। কোন ঘটনা না ঘটলেও তা রটানো হচ্ছে। এ সকল গুজব ও অপপ্রচার উদ্দেশ্যমূলক।গুজব ও অপপ্রচার ভাইরাসের চেয়েও ভয়ংকর।

করোনাকালীন পারিবারিক সহিংসতা করোনা বিস্তারে সহায়ক মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনাভাইরাসকালে পারিবারিক সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলছে। এ ধরণের সহিংসতা করোনা বিস্তারে সহায়ক হতে পারে। আমি সকলকে রমজানের এ সময়ে সংযমী ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানাচ্ছি।’ 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চর্চার ক্ষেত্রে জনগণকে আরও কঠোর হতে হবে বলে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে যারা ঘরে অবস্থান করছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন, তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ। মনোবল হারালে চলবে না আমাদের। মাস্ক পরিধান, হাত ধোয়া স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা, তা চর্চায় আমাদের আরও কঠোর হতে হবে।’

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিরূপ পোস্ট দিলে ব্যবস্থা; সংবাদ, সারাদেশ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিরূপ পোস্ট দিলে ব্যবস্থা

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিরূপ পোস্ট দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ‘অপব্যবহার’ বা নিজ অ্যাকাউন্টে কেউ ‘ক্ষতিকারক কনটেন্ট’ দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে দায়ী করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা নিয়ে বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক পরিপত্রে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে নির্দেশনা জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরপর বিভিন্ন সময় ওই নির্দেশনা পরিমার্জন করা হয়। 
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছে, “অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কনন্টেটের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং এজন্য প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পরিপত্রে উল্লেখিত নির্দেশনাসমূহ

ক) সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপেলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

খ) জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনো রকম তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

গ) কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে বা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থি কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এরূপ কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার বরা থেকে বিরত থাকতে হবে।

গ) জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস/পেশাকে হেয়প্রতিপন্ন করে এমন কোনো পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ঘ) লিঙ্গ বৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না।

ঙ) জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয় লেখা, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

চ) ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

জ) অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবস্থানার ক্ষেত্রে কনটেন্ট ও ফ্রেন্ড সিলেকশনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং এজন্য প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পরিপত্রে বলা হয়েছে।

> পরিপত্রটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন



অসহায়-দুঃস্থদের পাশে পটিয়া এসএসসি পরিবার;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
অসহায়-দুঃস্থদের পাশে পটিয়া এসএসসি পরিবার

ভয়েস অব পটিয়া
-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
  বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মানুষ আজ গৃহবন্দী, বন্ধ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, আয়-রোজগার। যার ফলে এই দুর্যোগে গরিব-দুঃস্থ-অসহায়, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। চলমান বৈশ্বিক এ দুর্যোগে এসব পরিবারের পাশে থাকার উদ্যোগ নিয়েছে পটিয়ার উপজেলার SSC 1972-2020, Students of Patiya, Chattogram নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ। গ্রুপটিতে সদস্যা হিসেবে রয়েছেন ১৯৭২-২০২০ সালের মধ্যে পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে থেকে এস.এস.সি পাশকৃত শিক্ষার্থীরা। গ্রুপটি তৈরি করার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বর্তমানে গ্রুপটিতে রয়েছে আট হাজারের বেশি মেম্বার। 

করোনার এই দুর্যোগে অসহায়-গরিব-দুঃস্থ মানুষদেরকে খাদ্য সহায়তা দিতে উদ্যোগ নিয়েছে গ্রুপটির সদস্যরা। এ লক্ষ্যে পটিয়া উপজেলার পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫-২০ জনের সমন্বয়ে একটি করে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে যাদের মাধ্যমে প্রকৃত অসহায়-দুঃস্থদের হাতে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী পৌঁছে যায়। ইতিমধ্যে গ্রুপটি দুটি ইউনিয়নের ১৫টি অসহায় পরিবারের মাঝে পৌঁছে দিয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। 

অসহায়-দুঃস্থদের পাশে পটিয়া এসএসসি পরিবার;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
গ্রুপটির এডমিনরা জানান, ‘আমাদের গ্রুপের প্রধান লক্ষ্য মানুষকে সহযোগিতা করা এবং সবার সাথে ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে তোলা। আমরা মনে করি বর্তমান এই সংকটে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। আমাদের টার্গেট পুরো পটিয়া উপজেলার ১০০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া। যার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। আমাদের গ্রুপের সদস্যদের সহায়তায় এই পর্যন্ত এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মতো সংগ্রহ করতে পেরেছি। আরো প্রয়োজন সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার মত। ইতোমধ্যে আমরা খাদ্য সহায়তার লক্ষ্যে উপহারসামগ্রীগুলো পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছি।’

‘তাছাড়া, আমরা প্রত্যেকটা ইউনিয়ন থেকে একটি করে স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করেছি। পুরো পটিয়াতে আমাদের ৩৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। আমরা তাদের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিব। গ্রুপের সদস্যদের অবিচল লক্ষ্য, নতুন নতুন আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে আমাদের কার্যক্রম অনেক সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসি তাহলে এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবো।
সবার কাছে বিনীত অনুরোধ আপনারা আপনাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন। আমাদের এ কার্যক্রম করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে। আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’
দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোকে ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকার সরকারী অনুদান;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোকে ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকার সরকারী অনুদান

ভয়েস অব পটিয়া
-ন্যাশনাল ডেস্কঃ
 পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দেশের ৬ হাজার ৯৫৯টি কওমী মাদ্রাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকার সরকারী অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস উইং জানায়, অনুদানের অর্থ ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে মাদ্রাসাগুলোর কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনুদানপ্রাপ্ত কওমী মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭৮০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪৮১টি,  রংপুর বিভাগে ৭০৩টি, রাজশাহী বিভাগে ৭০৪টি, খুলনা বিভাগে ১০১১টি, বরিশাল বিভাগে ৪০২টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৯৭টি এবং সিলেট বিভাগের ৪৮১টি মাদ্রাসা রয়েছে।

করোনা : ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৬;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ঢাকার মহাখালী থেকে IEDCR ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন প্রেস ব্রিফিং

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশে করোনা ভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে দুই হাজার ১৯০ জনের। এ সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ২৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ৭৫ জনের। মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৩৮ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৮ জন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২.৩০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইন প্রেস ব্রিফিং উপস্থাপনা করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। প্রেস ব্রিফিং এ করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

করোনা : ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪১;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ঢাকার মহাখালী থেকে IEDCR ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন প্রেস ব্রিফিং

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশে করোনা ভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে দুই হাজার ১৯ জনের। এ সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৩৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৭২ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৯ জন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ২.৩০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইন প্রেস ব্রিফিং উপস্থাপনা করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। প্রেস ব্রিফিং এ করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

গ্যালারী

ফিচারড

এডিটরস চয়েস

রাজনীতি

পটিয়া সদর

ভিজিট করেছেন


AD Teletalk

ইউনিয়ন

গ্রাম-গঞ্জ

জাতীয়

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা