"ঈদ" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
ঈদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রমযান; রমজান; রোজা; রোযা; ঈদ; ঈদ উল ফিতর; চাঁদ; Ramadan; Holy Ramadan; Eid; Eid Al Fitre; Moon sighting
চাঁদ দেখা যায়নি, মঙ্গলবার ঈদ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ দেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় এবার রমযান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। ফলে মঙ্গলবার (০৩ মে) সারা দেশে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হবে।
  
আজ রোববার (০২ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটির কাছে ফোন করে ৬৪ জেলা থেকে ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালকরা চাঁদ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান। 

এদিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ না দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সোমবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। অন্যদিকে আফগানিস্তান, নাইজার, মালি সহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে গতকাল শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। 

ঈদের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে অসংখ্য মানুষ।
চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা জাতীয় ওলামা পরিষদের; চামড়া শিল্প, ওলামা পরিষদ, কওমী মাদ্রাসা, ঢাকা, বায়তুল মোকাররম, জাতীয় মসজিদ, ঈদ উল আযহা, কুরবানীর ঈদ
ছবিঃ চামড়া শিল্প ধ্বংসের কবল থেকে রক্ষার দাবীতে জাতীয় ওলামা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন

ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ দেশের অর্থনীতি এবং এতিম-গরীবের হক রক্ষায় পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জাতীয় ওলামা পরিষদ। 

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয় ওলামা পরিষদের উদ্যোগে দেশবরেণ্য আলেমদের এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। 
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি বারিধারা মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ‘এ দেশে রফতানি শিল্পের মধ্যে পাট, চা ও চামড়া অন্যতম। কিন্তু দেশ যখন অর্থনীতিতে অগ্রসর হচ্ছিল, তখন এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাতকেই ধ্বংস করতে একটি কুচক্রী মহল ওঠেপড়ে লেগেছে, যাতে এ দেশের অর্থনীতিকে সমূলে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ এ শিল্পগুলোকে রক্ষার জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী।’

এতে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা বশীর আহমদ, মাওলানা গোলাম মুহিউদ্দীন ইকরাম, হাফেজ মাওলানা আলী আকবর, মুফতি নেসার আহমদ, মাওলানা নাজমুল হাসান প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ। 

আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, চামড়া শিল্পকে ধ্বংসে তৎপর সিন্ডিকেট চক্রকে প্রতিহত করে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করুন। দেশের অর্থনীতিকে রক্ষার জন্য চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরী। অন্যথায় গত বৎসরের মতো লাখ লাখ চামড়া বিনষ্ট হওয়ার মতো ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে এবং এতে দেশের বিপুল সংখ্যক এতিম, গরীব ও নিঃস্ব মানুষ বঞ্চিত হবে। 

কুরবানীর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের দাবিতে জাতীয় উলামা পরিষদের উদ্যোগে আগামী ১৭ জুলাই শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এক গণসমাবেশ এবং পরদিন ১৮ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের কর্মসূচী ঘোষণা করে কর্মসূচী সর্বাত্মকভাবে সফলের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। 
পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে; আগামীকাল খুশির ঈদ; ঈদ; ঈদ উল ফিতর; রোজার ঈদ; Eid; Eid Ul Fitre
পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে; আগামীকাল খুশির ঈদ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্ক: বছর ঘুরে আবার এসেছে খুশির ঈদ। এক মাস সিয়াম সাধনার পর শনিবার এই খুশির ঈদ উদযাপনের জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমনরা। বাংলাদেশের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে অনুরণিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই কালজয়ী গান ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ’।

ঈদের চাঁদ উঠেছে এমন খবর শোনার পর পরই ঘরে-ঘরে জনে-জনে শুরু হয়েছে ঈদের আনন্দ। শনিবার সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজের পরই কোলাকুলিতে ঘোষিত হবে সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের মহিমা শুক্রবার বিকেল থেকেই এক ফালি বাঁকা চাঁদের আশায় পশ্চিমাকাশে বারবার তাকিয়েছিল সবাই। শাওয়াল মাসের চাঁদের খবর নিতে বৈঠকে বসেছিল জাতীয় চাঁদ দেখা দেখা কমিটিও। সবার কাঙ্খিত বাঁকা চাঁদ দেখা গেছে অবশেষে। সরকারের পক্ষ থেকেও ঈদুল ফিতরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শনিবার উদযাপিত হবে আনন্দের ঈদ।

মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এই আনন্দ-উৎসব সামাজিক সম্প্রীতি আর সাম্যচেতনায় ভাস্বর। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই ঈদের আনন্দে শামিল হবে- এটাই এই উৎসবের মূল মর্মবাণী। মাসজুড়ে রোজা পালনের মাধ্যমে সংযম আর ত্যাগের শিক্ষা অর্জন এই আনন্দের জন্য প্রস্তুত করেছে প্রতিটি মুসলমানকে। ধনী-গরিব সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করছে স্বজন-পরিজন নিয়ে দিনটি উদযাপনের। ঈদের কেনাকাটা সেরে তাই সবাই ছুটেছে মাটি ও নাড়ির টানে শহর ছেড়ে গ্রামে। স্বজন-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিলনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে পথে পথে।এখন ঘরে ঘরে চলছে পিঠা-পায়েস বানানোর তোড়জোড়। শিশু-তরুণ-বৃদ্ধ সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে ঈদগাহে গিয়ে নামাজ আদায়ের। কিশোরী-তরুণীরা বসছে মেহেদিতে হাত রাঙাতে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতের জন্য প্রস্তুত দেশের ঈদগাহগুলো। বরাবরের মতো দেশের বৃহত্তম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান।

ঈদ উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।