"ইসলামিক" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
Showing posts with label ইসলামিক. Show all posts
ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবান পাহাড়ে জেএসএস সন্ত্রাসীদের হাতে খুন নও মুসলিম ইমাম ওমর ফারুক; বান্দরবান; রোয়াংছড়ি; তুলাছড়ি; পাহাড়; পার্বত্য চট্টগ্রাম; সন্ত্রাসী; পাহাড়ী সন্ত্রাসী; জেএসএস সন্ত্রাসী; জেএসএস; শান্তিবাহিনী; জনসংহতি সমিতি; সন্ত্রাসী সংগঠন, জঙ্গি; ঢাকা; সারাদেশ; ইসলামিক; চট্টগ্রাম; ইসলাম; দাঈ; ইসলামী দাঈ; ইসলাম প্রচারক; Bandarban, Hill tracts; Chittagong; Chattogram; Dhaka; Islamic Preacher; Islam; Bangladesh
ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবান পাহাড়ে জেএসএস সন্ত্রাসীদের হাতে খুন নও মুসলিম ইমাম ওমর ফারুক

ভয়েস অব পটিয়া-পার্বত্য চট্টগ্রাম ডেস্কঃ ইসলাম প্রচার করায় বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে নওমুসলিম এক ইমামকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সন্ত্রাসীরা। 

শুক্রবার এশার নামায শেষ করে মসজিদ থেকে বের হলে তাকে গুলি করে হত্যা করে জেএসএস সন্ত্রাসীরা।

হত্যার শিকার নওমুসলিম ইমাম ওমর ফারুক ত্রিপুরা (৫৪) ইতিপূর্বে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়েছিলেন। মুসলিম হওয়ার পর তিনি পাহাড়ে অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতেন। তাঁর এ দাওয়াতী কাজের মাধ্যমে অনেক পরিবার স্ব-ইচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন। 

ওমর ফারুক ২০১৪ সালে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। বান্দরবানের রোয়াংছড়ির দুর্গম পার্বত্য এলাকা তুলাছড়িতে নওমুসলিম ওমর ফারুক নিজের জমিতে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করে ইসলাম চর্চা করতে শুরু করেন। এ কারণে পাহাড়ের উপজাতি সন্ত্রাসীরা একের পর এক তাঁকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু ওমর ফারুক হত্যার হুমকি উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইসলামের দাওয়াতি কার্যক্রম অব্যহত রাখেন। তাঁর এই প্রচেষ্টায় শুধু নিজের পরিবার নয়, রোয়াংছড়ি এলাকায় তাঁর দাওয়াতে প্রায় ৩২টি উপজাতীয় পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ কারণে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা তাঁকে থামাতে গত ১৮ জুন শুক্রবার দিবাগত রাতে মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে ফেরার পথে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে বলে জানায় এলাকাবাসীরা। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাজ করছে শোকের ছায়া । তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। হত্যাকারী উপজাতি সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে শাস্তি দাবি করেছেন তারা। পাশাপাশি সরকার ও পাহাড়ে আইন-শৃংখলা ও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের প্রতি অনতিবিলম্বে এসব শান্তিবিনষ্টকারী দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

মিলেছে আবু ত্বহা আদনানের সন্ধান; ঢাকা; রংপুর; সারাদেশ; ইসলামিক; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona; বাজেট; বাজেট ২০২১; বাজেট ২০২২; বাজেট ২০২১-২২; বাংলাদেশ; সংসদ
ইসলামী স্কলার আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ ৮ দিন ধরে নিখোঁজ আলোচিত তরুণ ইসলামী স্কলার আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান হাফিজাহুল্লাহর সন্ধান পাওয়া গেছে। 

তিনি রংপুরে নিজ বাড়ীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন বলে জানা গেছে। 

রংপুর মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ক্রাইম ডিভিশনের উপ-কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, ‘আবু ত্বহাকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।’ 

আবু ত্বহার আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার রহমান বলেন, ‘নিখোঁজ আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তাঁর সফরসঙ্গী-ড্রাইভারসহ চারজনকে পাওয়া গেছে। আজ ভোরে ফজরের নামাজ শেষে তিনি তার রংপুরের বাসায় ফিরেন। বাসায় ফিরার পর তিনি তাঁর স্ত্রীকে ফোনে জানান। তবে কীভাবে ফিরলেন, কোথা থেকে ফিরলেন এসব বিষয় আপাতত তাঁর স্ত্রীকে শেয়ার না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
ইসলামী স্কলার আবু ত্বহা আদনান নিখোঁজের ৫ দিন, উদ্ধারে নেই অগ্রগতি; ঢাকা; রংপুর; সারাদেশ; ইসলামিক; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona; বাজেট; বাজেট ২০২১; বাজেট ২০২২; বাজেট ২০২১-২২; বাংলাদেশ; সংসদ
ইসলামী স্কলার আবু ত্বহা আদনান নিখোঁজের ৫ দিন, উদ্ধারে নেই অগ্রগতি

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ আলোচিত তরুণ ইসলামী স্কলার আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান হাফিজাহুল্লাহ গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। 

নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। 

এর আগে আবু ত্বহা আদনানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর দারুসসালাম ও মিরপুর থানায় গেলে কোন থানাই জিডি বা মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করছে তাঁর পরিবার। তবে পুলিশ বলছে, তিনি ঠিক কোন জায়গা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেই জিডি-মামলা কোনটাই নেয়া হয়নি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আবু ত্বহা আদনান এবং তাঁর ড্রাইভার সফর সঙ্গীসহ মোট ৪ জন গাড়িতে করে (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৩-৪৩৪২) রংপুর থেকে ঢাকায় আসছিলেন। 
তাঁর স্ত্রী সাবেকুন নাহার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আবু ত্বহা আদনান বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। রাত ২ টা ৩৭ মিনিটে তার সঙ্গে শেষ কথা হয় আমার। তিনি তখন বলেন, ‘ঢাকার কাছাকাছি চলে এসেছি’। এরপর রাত ৩টা থেকে ফোন বন্ধ পাই। এখনও নম্বরটি বন্ধ পাচ্ছি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার সঙ্গে গাড়িচালকসহ আরও তিনজন সহকর্মী ছিলেন।’ সেই তিনজন সহকর্মী এবং গাড়িটিরও কোনো খোঁজ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে তরুণ এই স্কলারের পরিবার। 

এর আগে তাঁর স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘কোথায় মামলা করব, কার কাছে অভিযোগ করব? মামলা করব কী, কেউ তো জিডিই নিতে রাজি হচ্ছে না। দারুসসালাম থানা কিংবা মিরপুর থানা কেউই মামলা নেয়নি। থানায় ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি। কোনো থানাই দায়িত্ব নিচ্ছে না, এক থানা আরেক থানাকে দেখিয়ে দিচ্ছে।’

তবে এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত রবিবার সকালে রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করেছেন আবু ত্বহা আদনানের মা। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তিনি কোথায় হতে নিখোঁজ হয়েছেন, সেই লোকেশনটা তো আমরা নিশ্চিত না। তিনি গাবতলী থেকে নিখোঁজ হইছেন, সেটা তো আমরা জানি না। সেক্ষেত্রে যেখান থেকে তিনি রওনা হয়েছেন, সেই রংপুর অথবা তার ঢাকায় যেখানে বাসা, সেখানে জিডি হতে পারে বা মামলা হতে পারে।’

এদিকে আলোচিত এই তরুণ ইসলামী স্কলারের নিখোঁজের ঘটনায় তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। অনেকেই তাঁকে গুম করা হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাকে অতিসত্বর ফিরিয়ে দেয়ার দাবি তুলেন নেটিজেনরা। 

উল্লেখ্য, আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান কুরআন-সুন্নাহর আলোকে দাজ্জাল-ইহুদি-জায়নিস্ট মুভমেন্ট-ইসলামী অর্থনীতি-শেষ জামানা-কেয়ামত-মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি বিষয়াবলীর উপর চমৎকার বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্যের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছেন ফেসবুক-ইউটিউবসহ নেটদুনিয়ায়। অনেকে তাঁর এই গভীরভাবাপন্ন-বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্যগুলোর কারণে তিনি নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করেছেন।

মসজিদে তারাবীহর নামাযে ২০ জনের বেশি নয় : ধর্ম মন্ত্রণালয়; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
মসজিদে তারাবীহর নামাযে ২০ জনের বেশি নয় : ধর্ম মন্ত্রণালয় 

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণার মধ্যে নতুন করে মসজিদে নামায আদায়ের উপর নির্দেশনা জারি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ পবিত্র রমজান মাসের তারাবীহর নামায আদায়ে খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন-হাফেজ-খাদেম সহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‍উপসচিব মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে দুপুরে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এসময় জরুরী সেবা ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন

মসজিদে ইফতার-সেহরির আয়োজন করা যাবে না : ধর্ম মন্ত্রণালয়; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
মসজিদে ইফতার-সেহরির আয়োজন করা যাবে না : ধর্ম মন্ত্রণালয়

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারাদেশের মসজিদসমূহে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকল্পে জামায়াতে নামায আদায় প্রসঙ্গে নির্দেশনা সংবলিত এক জরুরী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উক্ত নির্দেশনায় পবিত্র রমযান মাসে মসজিদে ইফতার ও সেহেরি আয়োজন না করার প্রতিও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি


বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ চলবে : ওবায়দুল কাদের


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ রাজধানী ধোলাইপাড় এলাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 
সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘নির্মাণাধীন ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ অব্যাহত থাকবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হয়েছে। ভাষ্কর্য ভাঙা কিংবা এর ক্ষতি সাধন করা অবশ্যই সংবিধান বিরোধী এবং রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। এর প্রধান কারণ, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা। তাঁর ভাস্কর্যের ওপর হামলা কোনমতেই মেনে নেয়া যায় না। 
সৌদি আরব, কাতার, মিশর, ইরান, তুরস্ক এমনকি পাকিস্তানে পর্যন্ত ভাস্কর্য রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলোতে যেখানে ভাস্কর্য রয়েছে তাদের চেয়ে কি আমরা বড় মুসলমান হয়ে গেলাম? ওইসব রাষ্ট্রে তো ভাস্কর্য নিয়ে কোনো কথা হয় না। আর মূর্তি হলো দেবতার পূজা-অর্চনা করার। দেবতাকে পূজা করা হয়, কিন্তু এখানে তো মানুষকে পূজা করা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের দেশে কেন বিষয়টি ভিন্ন দিকে যাচ্ছে? 
কুষ্টিয়ায় তারা বঙ্গবন্ধুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুদার ভাস্কর্যের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ধরনের কাজ করার মত ধৃষ্টতা যারা দেখাবে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।’
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের নিন্দা জানিয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।
আজ সোমবার (৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ছয়টার দিকে নিজের ভেরিফাইড অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধ, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতির’ ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন মাওলানা মামুনুল হক। 

তিনি বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় রাতের অন্ধকারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার মাধ্যমে একটি অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও অত্যন্ত নিন্দনীয়। ভাস্কর্য ভাঙার সঙ্গে কেউ কেউ আমার নাম জড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, আমার কোনও বক্তব্যের মাধ্যমে অথবা আমার কোনও কথায় এভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার কোনও কথা আমি কস্মিনকালেও বলিনি। দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল কোনও ব্যক্তি এমনটা কখনও করতে পারেন না।’ 

তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বারবার বলছি, আমাদের বক্তব্যে নিজেদের মতামত, মনগড়া ব্যাখ্যা বিকৃতরূপে উপস্থাপন করে একটি শ্রেণি রাষ্ট্রদ্রোহের বুনিয়াদ সাজিয়েছে। সারাদেশের আলেমরা সবাই বলছেন, আমাদের বক্তব্য কখনোই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়। বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সকল বাংলাদেশী, সকল বাঙালী শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। একজন মুসলিম হিসেবে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সমস্ত বিরোধ হলো ভাস্কর্য তথা মূর্তি নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর নামকে ভুঁইফোড় ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ দেশের ইসলামপন্থীদের মুখোমুখি করে দিতে চাইছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে অভিযোগ করেন মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, এই কাজটি করার মূল উদ্দেশ্য হলো চেতনার ব্যবসা করা। তারা বঙ্গবন্ধুকে ইসলামের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ইসলামকে যেমন ঘায়েল করতে চায়, তেমনি বঙ্গবন্ধুর মহান ব্যক্তিত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি চেতনার ব্যবসা করতে চায়। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে উগ্রবাদী বলে অভিযুক্ত করেন।

আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত 'মুজিব মিনার' নির্মাণের প্রস্তাব হেফাজতে ইসলামের


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি-ভাস্কর্য স্থাপনের পরিবর্তে আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত 'মুজিব মিনার' নির্মাণের বিকল্প প্রস্তাবসহ পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। 
আজ শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বড় মাদ্রাসায় এক বৈঠকে সরকারকে এ প্রস্তাব দেয়া হয়।

উক্ত সভার প্রস্তাবনাসমূহঃ

১ । মানবমূর্তি ও ভাস্কর্য যে কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কোনো মহৎ ব্যক্তি ও নেতাকে মূর্তি বা ভাস্কর্য স্থাপন করে শ্রদ্ধা জানানো শরিয়ত সম্মত নয়। এতে মুসলিম মৃত ব্যক্তির আত্মার কষ্ট হয়। কারো প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও তার স্মৃতিকে জাগ্রত রাখতে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ না করে, শতকরা ৯২ ভাগ মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ সমর্থিত কোনো উত্তম বিকল্প সন্ধান করাই যুক্তিযুক্ত। 

২। আমরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবমাননা, বিষোদগার, ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন ইত্যাদির তীব্র নিন্দা জানাই। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নাশের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি অবমাননাকর আচরণের ওপর কঠোর নজরদারি এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এসব অপকর্ম বন্ধ করা হোক। 

৩। বিগত সময়ে দ্বীনি আন্দোলনে গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দান ও মামলা প্রত্যাহার করা হোক। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সারাদেশের আলেম-ওলামা, ইমাম-খতিব ও ধর্মপ্রাণ‍মুসলমানদের ওপর সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করা হোক। ধোলাইপাড় চত্বরের পাশে ক্ষতিগ্রস্ত পুনঃনির্মিত মসজিদ নামাযের জন্য অবিলম্বে উন্মুক্ত করে দেয়া হোক।

৪। সম্প্রতি শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগের অজুহাতে দ্বীনি মাহফিলে লাউড স্পিকার ব্যবহারে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টির তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। অথচ সাধারণ শব্দদূষণ, উচ্চস্বরে গান-বাজনা ইত্যাদি বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক উদ্যোগ নেই বললেই চলে। কেবল ওয়াজ-মাহফিল নিয়ে শব্দদূষণের অজুহাতে বিশেষ নির্দেশনা অনভিপ্রেত। অতএব, জনগণকে কল্যাণের পথে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে সকল দ্বীনী মাহফিল যথানিয়মে অনুষ্ঠানের অবাধ সুযোগ প্রদান করা হোক।

৫। যে সকল বিষয় শরিয়তে নিষিদ্ধ ও হারাম, সে সব বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সঠিক বক্তব্য তুলে ধরা আলেমদের দায়িত্ব। অথচ এক শ্রেণীর মানুষ আলেমদের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও দায়িত্বহীন আচরণ করছে। কেউ কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনাশের উস্কানিও দিচ্ছে। এসবের খোঁজখবর রাখা এবং শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করা সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্ব। উস্কানিমূলক বক্তব্য, অবমাননাকর মন্তব্য, উগ্র স্লোগান, মিছিল-মিটিং সমাজে অস্থিরতা বৃদ্ধি করবে। ওলামায়ে কেরাম কঠোর ধৈর্য সংযম অবলম্বন করা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা প্রবল। সরকারকে এসবের উপযুক্ত প্রতিবিধান করতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী উদ্ভূত বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতার দায় সরকার এড়িয়ে যেতে পারবে না। বিশেষ করে ইসলাম, দ্বীন ও বাংলাদেশ বিরোধী দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ও অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ রোধ করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। 

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, বেফাকের সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসান সাহেব, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, জমিয়ত একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, বেফাকের খাস কমিটির সদস্য আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী, বি.বাড়িয়ার আল্লামা সাজিদুর রহমান, সিলেটের আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি,  জামিয়া রাহমানিয়ার প্রধান মুফতি মনসুরুল হক, ফরিদাবাদ মাদরাসার মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, জামিয়া ইউনুসিয়ার প্রধান মুফতি মুবারকুল্লাহ, গহরডাঙ্গা মাদরাসার মাওলানা রুহুল আমীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর সৈয়দ ফয়জুল করিম, বরুণার পীর মুফতি রশিদুর রহমান ফারুক, ঢালকানগরের পীর সাহেব মুফতি জাফর আহমদ, বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, বসুন্ধরা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আরশাদ রাহমানী, খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, শাইখ যাকারিয়ার পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, বারিধারা মাদরাসার মাওলানা নাজমুল হাসান, আফতাবনগর মাদরাসার মুহতামিম মুফতী মুহাম্মদ আলী, খুলনার মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, উত্তরার মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ আযহারী, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ্ আইয়ুবী, মাওলানা হাসান জামিলসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-উলামারা।

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফির ইন্তেকাল; হেফাজতে ইসলাম; আল্লামা শফি; আমির; Hefazat e Islam; Allama Shofi
হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ হেফাজতে ইসলামের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৫ বছর। 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আল্লামা আহমদ শফির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আজ বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরপরই সন্ধ্যা ৬.৩০টার দিকে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। 
শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে এর আগেও কয়েক দফায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গতকাল হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের পদ ছাড়তে হয় আহমদ শফিকে। সেই সাথে তাঁর ছেলে আনাস মাদানী ও তাদের অনুসারী কয়েকজন সদস্যের দুর্নীতি-স্বেচ্ছাচারিতার কারণে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির (শূরা কমিটি) বৈঠকে আহমদ শফি পদত্যাগ করেন এবং তাঁর ছেলেসহ দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে শূরা কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন নানুপুরী জানান।

উল্লেখ্য, তিনি বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশেরও (বেফাক) সভাপতি পদে ছিলেন। কওমী মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস সনদকে ‘মাস্টার্স সমমান (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)’ প্রদানে মূল ভূমিকা পালন করেন তিনি। 

আল্লামা শাহ আহমদ শফির জন্ম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জনক। আল্লামা শফির শিক্ষাজীবন শুরু হয় রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা মাদ্রাসায়। এরপর পটিয়ার আল জামিয়াতুল আরাবিয়া মাদ্রাসায় (জিরি মাদ্রাসা) পড়াশোনা করেন তিনি। পরে হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা এবং ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন তিনি। 
১৯৮৬ সালে হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক (মুহতামিম) হিসেবে দায়িত্ব নেন আল্লামা শাহ আহমদ শফি। টানা ৩৪ বছর ধরে এই দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
তাঁর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় দৃশ্যত আহমদ শফির সুদীর্ঘ কর্তৃত্বের অবসান ঘটলো। এই মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন আহমদ শফি, যাদের কাছে তিনি ‘বড় হুজুর’ নামে পরিচিত। 
নারায়ণগঞ্জ মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে; নারায়ণগঞ্জ; গ্যাস; তিতাস; মসজিদ; Nayaranganj; Gas; Titas; Mosque; Blast
নারায়ণগঞ্জ মসজিদে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সদরের একটি মসজিদে পাশের গ্যাস লিকেজের বিস্ফোরণ থেকে আগুনে দগ্ধ হয়ে শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় অর্ধ শতাধিক অগ্নিদগ্ধদের অধিকাংশকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। সকাল ৯টা পর্যন্ত মোট ১১ জন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে জুয়েল নামের এত শিশুর দেহের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যায় বলে জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হুসেইন ইমাম। 
শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল ১১টার দিকে মারা যান রাসেল নামে একজন। ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন বলেন, দুপুরে আরও দুজন মারা যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৬ জনে দাঁড়াল। অগ্নিদগ্ধ আরও ২৩ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানান তিনি। 

লাইনের লিকেজ থেকেই গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয় নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বাইতুল সালাহ জামে মসজিদটি। শুক্রবার রাতে এশার নামাজের সময় বিকট শব্দে মসজিদের পর পর ছয়টি এসিই বিষ্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। দগ্ধ হন মসজিদে নামাযরত অর্ধ শতাধিক মুসল্লী। বিস্ফোরণে মসজিদের সবগুলো জানালার কাচ উড়ে যায়। বিস্ফোরণে দগ্ধ মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বাইরে ছুটে এসে রাস্তায় জমে থাকা পানিতে গড়াগড়ি খেতে শুরু করেন।

শনিবার সকালে মসজিদ পরিদর্শনে যান তিতাসের এমডি, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। গ্যাস লিকেজের লাইন ঠিক করতে ৯ মাস আগে তিতাসকে জানানো হলেও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দেয়ার কারণে কাজ হয়নি বলে দাবি মসজিদ কমিটির সভাপতির। 
নারায়ণগঞ্জ পশ্চিম তল্লা বাইতুল সালাহ জামে মসজিদের সভাপতি আব্দুল গফুর মেম্বার গণমাধ্যমকে বলেন, যখন গ্যাস লাইন লিকেজ হচ্ছে তখন সাথে সাথেই এটি মেরামত করার জন্য আমরা তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তখন তারা আমাদের কাছ থেকে এর জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল, আমরা টাকাটা দিতে পারি নাই বলে তারা লিকেজ মেরামতের ব্যাপারে কোন কর্ণপাত করেনি। যার ফলে এভাবেই লিকেজ রয়ে যায়, আর মেরামত করা হয়নি। 

তবে নিজেদের দায় এড়িয়ে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে, কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মোহাম্মদ আল মামুন। তিনি বলেন, কমিটি এই বিষয়ে তদন্ত করবে। যদি কেউ বিষয়ে গাফিলতি করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
এদিকে গ্যাস লিকেজের সূত্র ধরেই তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব নূর হাসান। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছি। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে আমরা কথা বলছি। গ্যাস লিকেজ এবং বিদ্যুৎ এর বিষয় মাথায় রেখেই আমরা তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছি। 

ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শনিবার কান্নায় ভেঙে পড়েন নারায়ণগঞ্জ মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত-আহতেদের স্বজনরা।
ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ডা. ইমাম বলেন, “দগ্ধদের সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের শরীরের কমপক্ষে ৩০ শতাংশের বেশি দগ্ধ।” 
ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “যারা ভর্তি আছেন, তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন। তাদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ বলা যায়।” 

এদিকে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে বার্ন ইউনিটে যান নারায়ণগঞ্জের ডিসি জসিম ‍উদ্দিন। তিনি মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের ১০ হাজার টাকা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়ার ঘোষণা দেন।
সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আলেমদের এগিয়ে আসতে হবেঃ কবি মুসা আল হাফিজ; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আলেমদের এগিয়ে আসতে হবেঃ কবি মুসা আল হাফিজ

ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ পটিয়ায় আহমদ প্রকাশনের ব্যবস্থাপনায় ‘সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আলেমদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা গত ২১ অক্টোবর’ শনিবার পটিয়ার একটি রেস্তোরায় অনুষ্টিত হয়। অনুষ্ঠানে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য খ্যাতিমান কবি মুসা আল হাফিজকে ‘সাহিত্য সম্মাননা’ দেয়া হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, লেখক ও গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ, বিশিষ্ট গবেষক ও প্রাবন্ধিক মাওলানা খন্দকার মুহাম্মদ হামীদুল্লাহ, আহমদ প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী জাহিদুল ইসলাম জিহান, মাওলানা সাজ্জাদ কাসেমী, কবি আলাউদ্দিন কবির, মিনহাজ উদ্দীন, সাঈদ হোসাইন, ইযাযুল হক, হাসান রাব্বি, জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার কিছু নবীন লেখকসহ আরো অনেকে।

আলোচকগণ উলামায়ে কেরামকে যুগসচেতন হবার তাগিদ দেন। ইতিহাস থেকে দূরে সরে যাওয়ায় উম্মাহর কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা সবিস্তারে বর্ণনা করেন৷ বর্তমান কওমি মাদ্রাসার সিলেবাসে ইতিহাসের যথেষ্ট চর্চা না থাকায় দুঃখ প্রকাশ করেন তারা। নতুন প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাসের গভীর অধ্যয়ন কিভাবে আসতে পারে তার সংক্ষিপ্ত দিক নির্দেশনাও এতে প্রদান করা হয়।

সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আলেমদের এগিয়ে আসতে হবেঃ কবি মুসা আল হাফিজ; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবি মুসা আল হাফিজ বলেন, ‘দ্বীনি দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ না থাকলে লাখ লাখ সৈন্য ও অস্ত্র থাকলেও বিজয় সম্ভব নয়। তিনি অতীতের ইতিহাস থেকে টুকরো কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরে বলেন, মিসর, বাগদাদ, ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের বিজয় ঘটেছিলো দ্বীনি দায়িত্ববোধসম্পন্ন মাত্র একেকজন ব্যক্তির মাধ্যমে।’ তিনি আরো বলেন, ‘সাংস্কৃতিক বিজয় রাজনৈতিক বিজয়ের পূর্বশর্ত৷ এজন্যে তিনি আলেমদের সাংস্কৃতিক শক্তি অর্জনের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন এবং প্রত্যেককেই সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান।’

উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ১২টি নতুন বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে পটিয়ার একমাত্র ইসলামিক গ্রন্থ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আহমদ প্রকাশন।

পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে; আগামীকাল খুশির ঈদ; ঈদ; ঈদ উল ফিতর; রোজার ঈদ; Eid; Eid Ul Fitre
পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে; আগামীকাল খুশির ঈদ

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্ক: বছর ঘুরে আবার এসেছে খুশির ঈদ। এক মাস সিয়াম সাধনার পর শনিবার এই খুশির ঈদ উদযাপনের জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমনরা। বাংলাদেশের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে অনুরণিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই কালজয়ী গান ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ’।

ঈদের চাঁদ উঠেছে এমন খবর শোনার পর পরই ঘরে-ঘরে জনে-জনে শুরু হয়েছে ঈদের আনন্দ। শনিবার সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজের পরই কোলাকুলিতে ঘোষিত হবে সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের মহিমা শুক্রবার বিকেল থেকেই এক ফালি বাঁকা চাঁদের আশায় পশ্চিমাকাশে বারবার তাকিয়েছিল সবাই। শাওয়াল মাসের চাঁদের খবর নিতে বৈঠকে বসেছিল জাতীয় চাঁদ দেখা দেখা কমিটিও। সবার কাঙ্খিত বাঁকা চাঁদ দেখা গেছে অবশেষে। সরকারের পক্ষ থেকেও ঈদুল ফিতরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শনিবার উদযাপিত হবে আনন্দের ঈদ।

মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এই আনন্দ-উৎসব সামাজিক সম্প্রীতি আর সাম্যচেতনায় ভাস্বর। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই ঈদের আনন্দে শামিল হবে- এটাই এই উৎসবের মূল মর্মবাণী। মাসজুড়ে রোজা পালনের মাধ্যমে সংযম আর ত্যাগের শিক্ষা অর্জন এই আনন্দের জন্য প্রস্তুত করেছে প্রতিটি মুসলমানকে। ধনী-গরিব সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করছে স্বজন-পরিজন নিয়ে দিনটি উদযাপনের। ঈদের কেনাকাটা সেরে তাই সবাই ছুটেছে মাটি ও নাড়ির টানে শহর ছেড়ে গ্রামে। স্বজন-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিলনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে পথে পথে।এখন ঘরে ঘরে চলছে পিঠা-পায়েস বানানোর তোড়জোড়। শিশু-তরুণ-বৃদ্ধ সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে ঈদগাহে গিয়ে নামাজ আদায়ের। কিশোরী-তরুণীরা বসছে মেহেদিতে হাত রাঙাতে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতের জন্য প্রস্তুত দেশের ঈদগাহগুলো। বরাবরের মতো দেশের বৃহত্তম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান।

ঈদ উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।