Articles by "পটিয়া"
Showing posts with label পটিয়া. Show all posts

মসজিদে তারাবীহর নামাযে ২০ জনের বেশি নয় : ধর্ম মন্ত্রণালয়; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
মসজিদে তারাবীহর নামাযে ২০ জনের বেশি নয় : ধর্ম মন্ত্রণালয় 

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণার মধ্যে নতুন করে মসজিদে নামায আদায়ের উপর নির্দেশনা জারি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ পবিত্র রমজান মাসের তারাবীহর নামায আদায়ে খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন-হাফেজ-খাদেম সহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‍উপসচিব মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে দুপুরে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এসময় জরুরী সেবা ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন

১৪ থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর লকডাউন-চালু থাকবে শিল্প-কারখানা; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
করোনা : ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর লকডাউন-চালু থাকবে শিল্প-কারখানা


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণা করে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। 

এ সময় বন্ধ থাকবে অফিস-আদালত, দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চলবে না বাস, ট্রেন, লঞ্চ, প্লেন। তবে খোলা থাকবে শিল্প-কারখানাসমূহ। 

মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ‍উপসচিব মোঃ রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে লকডাউনে গণপরিবহন চলাচল সম্পর্কে অনলাইন ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সকল প্রকার গণপরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা, পণ্য পরিবহন, ওষুধ, জ্বালানী, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, গার্মেন্টস সামগ্রী ও সংবাদপত্র এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে কঠোর।’ 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। 

দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত খাবার দোকান-হোটেল রেস্তোরাগুলো খোলা থাকবে,  তবে কেবলমাত্র খাবার বিক্রয়/নেয়া যাবে। বসে খাওয়া যাবে না।

কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরী পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস / জ্বালানী, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরী ও অত্যাবশকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন ও নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন


মসজিদে ইফতার-সেহরির আয়োজন করা যাবে না : ধর্ম মন্ত্রণালয়; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
মসজিদে ইফতার-সেহরির আয়োজন করা যাবে না : ধর্ম মন্ত্রণালয়

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারাদেশের মসজিদসমূহে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকল্পে জামায়াতে নামায আদায় প্রসঙ্গে নির্দেশনা সংবলিত এক জরুরী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উক্ত নির্দেশনায় পবিত্র রমযান মাসে মসজিদে ইফতার ও সেহেরি আয়োজন না করার প্রতিও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি


করোনা : ৫ থেকে ১১ এপ্রিল লকডাউন-বন্ধ থাকবে গণপরিবহন; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona
করোনা : ৫ থেকে ১১ এপ্রিল লকডাউন-বন্ধ থাকবে গণপরিবহন

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ  দেশে করোনার সংক্রমণের উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামীকাল ০৫ এপ্রিল হতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে লকডাউনের ঘোষণা করে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। 
এ সময় বন্ধ থাকবে অফিস-আদালত, দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চলবে না বাস, ট্রেন, লঞ্চ,প্লেন। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিং এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

লকডাউনে গণপরিবহন চলাচল সম্পর্কে অনলাইন ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সোমবার (০৫ এপ্রিল) থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা, পণ্য পরিবহন, ওষুধ, জ্বালানী, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, গার্মেন্টস সামগ্রী ও সংবাদপত্র এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।’ 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ রোববার (০৪ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরী সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। 
আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরী পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস / জ্বালানী, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরী ও অত্যাবশকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন ও নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। 

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন


গণপরিবহনের ভাড়া ৬০% বাড়ানো হয়েছে : সড়কমন্ত্রী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা
গণপরিবহনের ভাড়া ৬০% বাড়ানো হয়েছে : সড়কমন্ত্রী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনায় সংক্রমণের হার উর্ধ্বগতি হওয়ায় আগামীকাল বুধবার (৩১ মার্চ) হতে সারাদেশে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ০২ সপ্তাহ পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভাড়া আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।’ 

আজ মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সকালে মন্ত্রী তার সরকারী বাসভবনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
করোনার সংক্রমণ এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনের অর্ধেক আসন খালি রেখে এবং মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়ে সড়কমন্ত্রী গণপরিবহনের মালিক-শ্রমিকদের এ বিষয়ে কঠোর হবার নির্দেশনা দেন। করোনার সংক্রমণের হার উর্ধ্বগতি হওয়ায় সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা মেনে চলার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহবান জানান সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
প্রেস রিলিজ

 

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউসের মেয়াদ বৃদ্ধি; পটিয়ার কৃতি ব্যক্তিত্ব; শেখ হাসিনা; সচিবালয়

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ অবসরোত্তর ছুটি ও এ সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পটিয়ার কৃতি ব্যক্তিত্ব ড. আহমদ কায়কাউসকে একই পদে আরও দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। 

সরকারী চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী গতকাল (২৩ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ অলিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

আগামী ০১ জানুয়ারি বা যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এর আগে সরকারী চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৩(১)(ক) ধারা অনুযায়ী আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাকে অবসর প্রদান করে বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, ড. আহমদ কায়কাউস ১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে সরকারী চাকরিতে যোগ দেন। বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব থাকাকালীন তাকে ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদমর্যাদায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হন তিনি। ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সচিব পদে পদোন্নতি পান। ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। গত বছর ২৯ ডিসেম্বর ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তখন থেকে এখন অবধি তিনি প্রায় এক বছর যাবত এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। 



প্রজ্ঞাপন

অবসরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পটিয়ার কৃতি ব্যক্তিত্ব ড. আহমদ কায়কাউস।
সরকারী চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৩(১)(ক) ধারা অনুযায়ী আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে তাকে অবসর প্রদান করে আজ বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেই সাথে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ল্যাম্পগ্র্যান্টসহ আগামী ০১ জানুয়ারি হতে তাকে ১ বছরের অবসরোত্তর ছুটি (পি.আর.এল) মঞ্জুর করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত বছর ২৯ ডিসেম্বর ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়ে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তখন থেকে তিনি প্রায় এক বছর এই পদে দায়িত্ব পালন করলেন।
তবে, এখন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। 

প্রশাসন ক্যাডারের ৮৪, ৮৫ এবং ৮৬ ব্যাচের মধ্য থেকে সরকারের বিশ্বস্ত কাউকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে এ নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছে।

প্রজ্ঞাপন

 

ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ)’র অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ
ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর অবমাননার প্রতিবাদে পটিয়ায় বিক্ষোভ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র পটিয়ায় তৌহিদি জনতার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাদে জুমা পটিয়া রেল স্টেশন চত্বর হতে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পটিয়ার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানার মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহানবী (সাঃ) এঁর ব্যাঙ্গচিত্র অঙ্কনকারী ম্যাগাজিন শার্লি এব্দো ও এর সমর্থনকারী ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। 

ফ্রান্সের ইসলাম বিদ্বেষ ও মহানবী (সাঃ) এর অবমাননায় বিশ্বের দুইশত কোটি মুসলমান ব্যথিত হয়েছে। ফ্রান্সের এহেন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে। ইসলাম ও মহানবী (সাঃ) এঁর অবমাননা কোনভাবেই বিশ্ব মুসলিম বরদাস্ত করবে না। বিক্ষুব্ধ মুসলমানদের হৃদয়ের ক্ষত মুছতে হলে ফ্রান্সকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন।

কালুরঘাট সেতুঃ সংস্কার কাজের জন্য ২৩ জুলাই থেকে যান চলাচল বন্ধ;
ছবিঃ কালুরঘাট সেতু

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
সংস্কার কাজের জন্য আগামী ১৩ জুলাই হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত টানা ১০ দিন কালুরঘাট সেতুতে যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এর আগে রেলওয়ে ২৩ জুলাই থেকে সংস্কার কাজের ঘোষণা দেয়। তারিখ পরিবর্তন করায় দুঃখপ্রকাশ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

সেতুতে যান চলাচল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জনসংযোগ কর্মকর্তা তৌষিয়া আহমেদ ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কালুরঘাট সেতু মেরামতের জন্য কার্যাদেশ হয়েছে। প্রথমে ২৩ জুলাই থেকে সংস্কার কাজ শুরু করার কথা বলা হলেও, পরে তারিখ পরিবর্তন করা হয়। আগামী ১৩ জুলাই হতে ২৩ জুলাই টানা ১০ দিন এ সেতুর সংস্কার কাজ চলবে; যার ফলে এসময় সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ থাকবে। 

কর্ণফুলি নদীর উপর নির্মিত ৯০ বছরের পুরনো মেয়াদোত্তীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি ও নানান ভোগান্তি মাথায় নিয়ে দৈনিক পারাপার হচ্ছেন ১ লক্ষাধিকের উপর মানুষ। দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটের গাড়িসহ বোয়ালখালী উপজেলা ও পটিয়া উপজেলার তিন ইউনিয়নের প্রায় ২০ লাখ মানুষের চলাচল সরাসরি নির্ভরশীল এ সেতুর উপর। সেতুর পূর্ব পাড়ে বোয়ালখালী উপজেলা অংশে প্রায় ৫০টি কলকারখানা রয়েছে। এসব কলকারখানার আমদানি-রপ্তানি সরাসরি এ সেতুর উপর নির্ভর। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ-নড়বড়ে হওয়ায় পণ্য পরিবহনে বেগ পোহাতে হচ্ছে এসব কারখানার। 

মেয়াদোত্তীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণে যুগ যুগ ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছে বোয়ালখালী, পটিয়া’র মানুষ। কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণ হলে বোয়ালখালী-পটিয়া’সহ সমগ্র দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হবে।
করোনা : চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে ২০টি ভেন্টিলেটর দিলো টি.কে. গ্রুপ;  চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবি: করোনা চিকিৎসায় চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করছে টি.কে. গ্রুপ
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে ২০টি ভেন্টিলেটর দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ টি.কে. গ্রুপ।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোঃ ইলিয়াস হোসেনের নিকট এসব ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন টি.কে. গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) মোঃ মোফাচ্ছেল হক। উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম, সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বিসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

টি.কে. গ্রুপের দেওয়া ২০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০টি, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ৩টি, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে ৩টি, বেসরকারী সার্জিস্কোপ হাসপাতালে ২টি এবং বেসরকারী পার্কভিউ হাসপাতালে ২টি করে হস্তান্তর করা হয়।

টিকে গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) মোঃ মোফাচ্ছেল হক জানান, ‘দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায় মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টি.কে. গ্রুপ। চট্টগ্রামে করোনা রোগী দ্রুত বাড়তে থাকায় তাদের চিকিৎসার জন্য টি.কে. গ্রুপের এমডি স্যারের নির্দেশে চীন থেকে ২০টি ভেন্টিলেটর আমদানি করে তা আমরা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করেছি। এসব ভেন্টিলেটর চট্টগ্রামের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে যুক্ত হলে করোনাক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া আরও সহজ হবে।’

গত ০৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকায় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির শরীরে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। সর্বশেষ আজ ১৯ জুন শুক্রবার সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামে এখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১১ জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় তাদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিভাগকে। আইসিইউ, ভেন্টিলেটর, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমের সংকট থাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি এস. আলম গ্রুপ, সিকমসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ করোনাক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় আইসোলেশন সেন্টার তৈরি, অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম, ভেন্টিলেটরসহ চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোকে বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান করছে।

আরও পড়ুন >>  চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে এস. আলম গ্রুপ

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে এস. আলম গ্রুপ; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবিঃ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের কার্যাদেশ হস্তান্তর করছেন এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল আলম মাসুদ এর পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী

ভয়েস অব পটিয়া
-নিউজ ডেস্কঃ
 চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করে দিচ্ছে দেশের অন্যতম শিল্প গ্রুপ এস. আলম গ্রুপ। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে মেডি ট্রেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দিয়েছে এই শিল্প গ্রুপ। কার্যাদেশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেমের কাজ সমাপ্ত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডি ট্রেডকে।

আজ রোববার (১৪ জুন) প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন কাজ সম্পন্ন করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডি ট্রেডকে কার্যাদেশ হস্তান্তর করেন এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল আলম মাসুদ এর পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী। 
চট্টগ্রামের অন্যতম রাষ্ট্রায়াত্ত হাসপাতাল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম পোহাতে হতো। করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে অক্সিজেনের এ সংকট চরমে উঠে। পর্যাপ্ত অক্সিজেন সাপোর্টের অভাবে প্রাণ হারান অনেক রোগী। এই দুঃসময়ের কথা চিন্তা করে মেডিকেল অক্সিজেনের এ ঘাটতি পূরণ করতে এগিয়ে আসলো এস. আলম গ্রুপ।

এস. আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম ইনস্টলেশনের কাজ সম্পন্ন হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অক্সিজেন সাপোর্টের স্বল্পতা দূর হবে বলে জানান তিনি।’

করোনা আতঙ্ক : চট্টগ্রামে মিলছে না সাধারণ রোগের চিকিৎসাও; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
করোনা আতঙ্ক : চট্টগ্রামে মিলছে না সাধারণ রোগের চিকিৎসাও
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা আতঙ্কের প্রভাবে সাধারণ বা ক্রনিক রোগ কোনটাইর ন্যূনতম কোন চিকিৎসাই মিলছেনা চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। সরকারি যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সেখানে রয়েছে অক্সিজেন-আইসিইউসহ চিকিৎসা সরঞ্জামেরও চরম সংকট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর সাথে ভুল ওষুধ-এন্টিবায়োটিক সেবন এবং আতঙ্কও অন্যতম কারণ। ফলে করোনার চেয়ে জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে মৃত্যু হচ্ছে চার-পাঁচগুণ বেশি। গত কয়েকদিনে এ সংখ্যা ছাড়িয়েছে আড়াইশো পর্যন্ত। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা খাতে কঠোর নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিলেন সংশ্লিষ্টরা।

আবদুল মান্নান, চট্টগ্রামের টেরিবাজারের ব্যবসায়ী; বুকে ব্যথার জন্য চারটি হাসপাতাল ঘুরেও পাননি চিকিৎসা। জ্বর-সর্দি-কাশি থাকায় করোনার উপসর্গ বলে চিকিৎসা দেয়নি কোন হাসপাতাল। চিকিৎসা না পেয়ে বাসায় মারা যান তিনি। শুধু তিনিই নন; জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে চট্টগ্রামে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন কেউ না কেউ।

স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়ার মতে, সাধারণ ফ্লু'র সময়ে একদিকে করোনা সন্দেহে যেমন চিকিৎসা পাচ্ছে না মানুষ, তেমনি আছে আতঙ্ক। এর সাথে আছে ভুল ওষুধ-এন্টিবায়োটিক সেবন কিংবা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভরে করোনার বিষয় গোপন করা। যার ফলে সামান্য জ্বর-শ্বাসকষ্টেই দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

চট্টগ্রামে গত কয়েকদিনে শুধু উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আড়াইশোর বেশি মানুষ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর হার করোনার চেয়ে চার-পাঁচগুণ বেশি।

বাড়ছে হাসপাতালের সংখ্যা, শোনা যাচ্ছে নানা উদ্যোগেরও কথা। কিন্তু কোনভাবেই কাটছেনা চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতের লেজেগোবরে অবস্থা। করোনা সংকটের শুরুর দিকে চট্টগ্রামে কোভিড চিকিৎসার দায়িত্ব দেয়া হয় ১২টি বেসরকারি হাসপাতালকে। কিন্তু তারা নিজেদের দায় এড়াতে বেছে নেয় ৭ বছর ধরে বন্ধ থাকা হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালকে। নানা নাটকীয়তার পর যেটি চালু হয় সপ্তাহখানেক আগে। ১১০টি সাধারণ আর আইসিইউ শয্যা নিয়ে চালুর কথা ছিল হাসপাতালটি। তবে ওই হাসপাতাল চালু করা গেলেও বাস্তবে সেবা মিলছে দশ ভাগের এক ভাগ। চলছে দায়সারাভাবে। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি দায়িত্বশীল কারও।

চট্টগ্রামে আরও দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল ঘোষণা করে সরকার। যার একটি বন্দরনগরীর সবচেয়ে আধুনিক সুবিধার ইমপেরিয়াল হাসপাতাল। যেখানে প্রস্তুত করা হচ্ছে ৩০টি আইসিইউ শয্যা। তবে প্রস্তুতি নিয়ে বাস্তবতার সাথে মেলেনি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য। ইউএসটিসি বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে সাধারণ আর আইসিইউ মিলে ১০৩টি শয্যা বুধবার থেকে চালুর কথা বলা হলেও কাজ শেষ করা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সাধারণ রোগীদের ফিরিয়ে দেয়ার একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন চট্টগ্রাম জেলার ২০টি বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে মোট ৮২৫ শয্যা খালি, যা এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ধারণক্ষমতার প্রায় অর্ধেক।

তবে, বেসরকারি হাসপাতালে সব রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিতে মনিটরিং শুরু হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। করোনায় এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা দিতে অনাগ্রহী বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে সার্ভেইল্যান্স টিম।

কোন হাসপাতালে কত শয্যা খালি 

এর আগে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মনিটর করতে গঠিত সার্ভেইল্যান্স দল ৩ জুন হাসপাতালগুলোর তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়। সার্ভেইল্যান্স টিমের কাছে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দেখা যাচ্ছে, নগরী ও জেলার ২০টি হাসপাতালে মোট ১৫৮৮টি শয্যার মধ্যে ৮২৫টি খালি ছিল মঙ্গলবার। এর মধ্যে চন্দনাইশ উপজেলায় বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩০০ শয্যার মধ্যে ২৮৫টিই খালি ছিল। সেখানে একটি ১০০ শয্যার কোভিড-১৯ স্থাপনের কাজ চলছে। নগরীর মধ্যে পূর্ব নাসিরাবাদ চন্দ্রনগর মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫০ শয্যার মধ্যে ২১৩টিই খালি আছে। বহদ্দারহাটের ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫০ শয্যার মধ্যে ১১৯টি খালি। ওআর নিজাম রোডের মেডিকেল সেন্টারে ১২৪ শয্যার মধ্যে ৬১টি শয্যাই খালি। সিএসসিআর এ ৮০ শয্যার মধ্যে ৩৯টি খালি। পাশাপাশি ইম্পেরিয়াল ও শেভরন হাসপাতালে ৩০টি, সার্জিস্কোপে ১৫ এবং রয়েল হাসপাতালে ১৩টি শয্যা খালি। এছাড়া এশিয়ান হাসপাতালে ৮টি, পার্কভিউ ও সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬টি করে বেড খালি আছে বলে জানা গেছে। ২৩০ শয্যার চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার একটি শয্যাও খালি নেই। এখানকার কোভিড-১৯ ইউনিটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১১ জন এবং কোভিড-১৯ সাসপেক্ট ৫০ জন রোগী ভর্তি আছেন। ম্যাক্স হাসপাতালের ৮০টি শয্যার সবগুলোতেই রোগী আছেন। মেট্রোপলিটন ও ডেল্টা হাসপাতালে ৭০টি করে শয্যার একটিও ফাঁকা নেই। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই হাসপাতাল দুটিতেও সেবা বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। তাই সব বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সেবায় বাধ্য করার ওপরই জোর দিলেন তারা। শুধু হাসপাতাল চালু করলেই হবে না, সঠিক ব্যবস্থাপনা বা সমন্বয় না থাকলে মানুষ কোন সুফলই পাবেনা বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

স্বাস্থ্যখাতের বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যবিভাগে ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় আর শৃঙ্খলা ফেরানো না গেলে কোন উদ্যোগেই স্বস্তি আসবেনা।

করোনা : এস.আলম পরিবারের ৬ সদস্য আক্রান্ত, ভবন লকডাউন; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এস. আলম গ্রুপ, সাইফুল আলম মাসুদ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
S Alam Group এস.আলম গ্রুপ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ার বেকার সংস্থানের অগ্রদূত দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস.আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যানসহ এস.আলম গ্রুপ পরিবারের ছয় সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। 

রোববার (১৮ মে) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে বলে জানা যায়। করোনার নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসার পর চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার সুগন্ধা আবাসিক এলাকার ১নং রোডে অবস্থিত তাদের পারিবারিক ভবনকে পুলিশ ‘লকডাউন’ করে দিয়েছে বলে জানান পাঁচলাইশ থানার এসআই আবু তালেব। 

আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের ভাই এস.আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু, এন.আর.বি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম, শহীদুল আলম, ওসমান গণি ও তাদের এক ভাইয়ের স্ত্রী। 
বিষয়টি নিশ্চিত করে এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী আকিজ উদ্দিন জানান,  তাদের পরিবারের সকল সদস্য ঘরেই আইসোলেশনে রয়েছেন। 
এস.আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ, তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এবং সুস্থ আছেন।
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি; পটিয়া বাইপাস, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, সংবাদ, সারাদেশ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়া বাইপাস সড়কে ফের ডাকাতি। আজ রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২.৩০টার সময় পটিয়া বাইপাস সড়কের ভাটিখাইন ইউনিয়নাধীন বাকখালী বড়ুয়ার টেক সম্মুখ এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্যরা বসতি এলাকা থেকে ৩ টি গরু ডাকাতি করে নিয়ে যায়। মসজিদের মাইকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার আগেই গরুচোর ডাকাতদলের সদস্যরা কমলমুন্সির হাটের দিকে পালিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ডাকাত দলের কাউকে গ্রেফতার করতে পারে নি।

দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া বাইপাস সড়কে দিনে-দুপুরে কিশোর গ্যাংয়ের চুরি-ছিনতাই, রাতে ডাকাতদলের উৎপাতে আতঙ্কগ্রস্থ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন বসতির এলাকাবাসীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এখন অবধি এই এলাকা চোর-ডাকাতদের নিরাপদ রুট হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এলাকাবাসী উক্ত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।


জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংবাদসহ পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
করোনা পজিটিভ : পটিয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীকে পুঁড়িয়ে মারার হুমকি; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ছবি: পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স | © voiceofpatiya.com

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক স্বাস্থ্যকর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের পুঁড়িয়ে মারার হুমকি দিয়েছে প্রতিবেশীরা।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্মরত।
করোনা পজিটিভ আসার পর থেকে প্রতিবেশীরা তাকে উপর্যুপরি হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সোমবার (১১ মে) মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন ওই স্বাস্থ্যকর্মী।

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ি পটিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ গৌবিন্দারখীল গ্রামের ছিবাতলী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ জাবেদ বলেন, ‘করোনা পজিটিভ হওয়া স্বাস্থ্যকর্মী হুমকির বিষয়টি সম্পর্কে আমাদেরকে ফোনে অবহিত করেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার ওসিকে জানানো হয়েছে।’

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর পিতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনা শনাক্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় লকডাউন করার পর থেকে নিয়ম মেনে আইসোলেশনে আছে আমার ছেলে। রাত দেড়টার দিকে পাশের বাড়ির মাবিয়া খাতুন, আবদুর রহমান ও বাচাসহ কয়েকজন প্রতিবেশী আমার বাড়ির সামনে এসে চিৎকার-চেচামেচি ও গালাগাল করতে থাকে। তারা এলাকায় করোনা রোগী থাকতে পারবেনা বলে থাকলে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়।’ 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা জাহান উপমা বলেন, ‘আমরা আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়িতে আইসোলেশন নিশ্চিত করে তাদের খাবার দিয়ে এসেছি, সেই সাথে প্রতিবেশীদেরও সহমর্মিতা দেখাতে অনুরোধ করেছি।’ 

আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী আক্রান্ত হওয়ার আগে থেকেই আমি আমার বাবার বাড়িতেই রয়েছি। আমার স্বামী বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত আমি সেখানে যাই নি। এর মধ্যে গত শনিবার আমার বাবার বাড়িতেও পাড়ার লোকজন এসে বাড়ির পেছনের দরজা তালাবদ্ধ করে দিয়েছে, যাতে আমরা ঘর থেকে বের হতে না পারি। সেই সাথে তারা আমাকে ও আমার পরিবারকেও নানা অপবাদ দিয়ে পুঁড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে শাসিয়ে যাচ্ছে। আমার স্বামী একজন স্বাস্থ্যকর্মী। মানুষের সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। সেবা করা কি অপরাধ?’

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবাদাতা স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ০৮ মে। ওই স্বাস্থকর্মী আক্রান্ত কোন রোগীর কাছ থেকে সংক্রমিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর ০৮ মে শুক্রবার থেকেই ১৪ দিনের জন্য আইসোলেশনে রয়েছেন আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী। তবে এখনও কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক তার খোঁজ খবর নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

অসহায়-দুঃস্থদের পাশে পটিয়া এসএসসি পরিবার;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
অসহায়-দুঃস্থদের পাশে পটিয়া এসএসসি পরিবার

ভয়েস অব পটিয়া
-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
  বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মানুষ আজ গৃহবন্দী, বন্ধ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, আয়-রোজগার। যার ফলে এই দুর্যোগে গরিব-দুঃস্থ-অসহায়, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। চলমান বৈশ্বিক এ দুর্যোগে এসব পরিবারের পাশে থাকার উদ্যোগ নিয়েছে পটিয়ার উপজেলার SSC 1972-2020, Students of Patiya, Chattogram নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ। গ্রুপটিতে সদস্যা হিসেবে রয়েছেন ১৯৭২-২০২০ সালের মধ্যে পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে থেকে এস.এস.সি পাশকৃত শিক্ষার্থীরা। গ্রুপটি তৈরি করার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বর্তমানে গ্রুপটিতে রয়েছে আট হাজারের বেশি মেম্বার। 

করোনার এই দুর্যোগে অসহায়-গরিব-দুঃস্থ মানুষদেরকে খাদ্য সহায়তা দিতে উদ্যোগ নিয়েছে গ্রুপটির সদস্যরা। এ লক্ষ্যে পটিয়া উপজেলার পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫-২০ জনের সমন্বয়ে একটি করে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে যাদের মাধ্যমে প্রকৃত অসহায়-দুঃস্থদের হাতে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী পৌঁছে যায়। ইতিমধ্যে গ্রুপটি দুটি ইউনিয়নের ১৫টি অসহায় পরিবারের মাঝে পৌঁছে দিয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। 

অসহায়-দুঃস্থদের পাশে পটিয়া এসএসসি পরিবার;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
গ্রুপটির এডমিনরা জানান, ‘আমাদের গ্রুপের প্রধান লক্ষ্য মানুষকে সহযোগিতা করা এবং সবার সাথে ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে তোলা। আমরা মনে করি বর্তমান এই সংকটে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। আমাদের টার্গেট পুরো পটিয়া উপজেলার ১০০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া। যার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। আমাদের গ্রুপের সদস্যদের সহায়তায় এই পর্যন্ত এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মতো সংগ্রহ করতে পেরেছি। আরো প্রয়োজন সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার মত। ইতোমধ্যে আমরা খাদ্য সহায়তার লক্ষ্যে উপহারসামগ্রীগুলো পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছি।’

‘তাছাড়া, আমরা প্রত্যেকটা ইউনিয়ন থেকে একটি করে স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করেছি। পুরো পটিয়াতে আমাদের ৩৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। আমরা তাদের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিব। গ্রুপের সদস্যদের অবিচল লক্ষ্য, নতুন নতুন আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে আমাদের কার্যক্রম অনেক সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসি তাহলে এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবো।
সবার কাছে বিনীত অনুরোধ আপনারা আপনাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন। আমাদের এ কার্যক্রম করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে। আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’
করোনা : ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৬;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ঢাকার মহাখালী থেকে IEDCR ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন প্রেস ব্রিফিং

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশে করোনা ভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে দুই হাজার ১৯০ জনের। এ সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ২৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ৭৫ জনের। মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৩৮ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৮ জন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২.৩০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইন প্রেস ব্রিফিং উপস্থাপনা করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। প্রেস ব্রিফিং এ করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

করোনা : ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪১;করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR
ঢাকার মহাখালী থেকে IEDCR ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন প্রেস ব্রিফিং

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশে করোনা ভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে দুই হাজার ১৯ জনের। এ সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৩৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৭২ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৯ জন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ২.৩০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইন প্রেস ব্রিফিং উপস্থাপনা করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। প্রেস ব্রিফিং এ করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID
Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Diseases (BITID), Chittagong

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে কিটের সংকট তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের একমাত্র করোনা টেস্টিং ল্যাব বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ (বিআইটিআইডি) এ। 
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটি ৯৬০ কিট পেলেও তা সম্পূর্ণ নয় বলে জানিয়েছেন পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্টরা। তারা জানিয়েছেন, একটি কোভিড-১৯ করোনার নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন করতে তিনটি ধাপে কাজ করতে হয়। কিন্তু ঢাকার আইইডিসিআর থেকে যেসব কিট পাঠানো হয়েছে তা সর্বশেষ ধাপ অর্থাৎ পিসিআর মেশিনে কাজ করার জন্য। এর সাথে প্রয়োজনীয় আরও যেসব উপাদান সামগ্রী রয়েছে তা দেয়া হয় নি। যার ফলে ৯৬০ টি অসম্পূর্ণ কিট দিয়ে আগামীকাল নমুনা পরীক্ষা করা প্রায় অনিশ্চিত। 

আইইডিসিআর সূত্র জানায়, গত ২৫ মার্চ ঢাকার রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) থেকে ৮৫০ কিট বরাদ্দ প্রদান করা হয় চট্টগ্রামের বিআইটিআইডিকে। পরে বিদেশি একটি দাতা সংস্থা থেকে আরও ১০০ কিট বরাদ্দ দেয়। এছাড়া বিআইটিআইডির কাছে পূর্বে থেকে ১০০ কিট মজুদ থাকায় সব মিলিয়ে ১ হাজার ৫০টি কিটে এতদিন করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করে আসছিল। এর পর কিট শেষ হয়ে আসলে মঙ্গলবার আরও কিছু কিট দেয় আইইডিসিআর।
 
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইটিআইডি’র মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক শাকিল আহমেদ। তিনি জানান, ‘আমাদের ল্যাবটি বিদেশি ফান্ডের মাধ্যমে পরিচালিত। যার কারণে আমাদেরকে সব সময় পিসিআরের মাধ্যমে বিভিন্ন গবেষণার কাজ করতে হয়। গবেষণার জন্য যেসব উপাদান এখানে রয়েছে সেখান থেকে কিছু দিয়ে হয়তো আরও একদিন মত কাজ চালাতে পারবো। কিন্তু বর্তমানে প্রতিদিনি যেহেতু করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে প্রায় ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়; এখন হয়তো এই পরিমাণ নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে না।’

করোনা : পটিয়ায় আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID
করোনা : পটিয়ায় আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ায় করোনা আক্রান্ত বাকপ্রতিবন্ধী ৬ বছরের শিশুটি মারা গেছে। করোনা শনাক্তের পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করার পরপরই শিশুটি মারা যায়। গতকাল রাত ৮ টার দিকে শিশুটির নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে। এর পরপরি শিশুটিকে পটিয়া থেকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম কুমার নাথ জানান, গতকাল দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে শিশুটিকে হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। ভর্তির ২০ মিনিট পর শিশুটি মারা যায়। শিশুটির জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ছিল। চিকিৎসা শুরু হতে না হতেই মারা যায়। শিশুটি কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, তা তিনি জানাতে পারেননি। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় দুজনের মৃত্যু হলো। সর্বশেষ চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে। এদের মধ্যে ১২ জন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পটিয়ার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ওই শিশুর পরিবার যে বাড়িতে থাকে, তার পাশেই এক ওমানফেরত প্রবাসী এবং এক ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি। তার মধ্যে ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি ওই শিশুর বাড়ির সাথে একেবারে লাগোয়া। ওই কর্মকর্তা ইসলামী ব্যাংকের ঢাকার একটি শাখায় কর্মরত। গত ৫-৬ দিন আগে ঢাকা থেকে পটিয়ায় নিজ বাড়িতে আসেন তিনি। অপরদিকে ওমানফেরত প্রবাসী ব্যক্তিটি পটিয়ার বাড়িতে এসেছেন মার্চের শেষের দিকে।
এ তথ্য জেনে সে সময় থেকে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারহানা জাহান উপমা পরপর দু দফায়, বিদেশফেরত ও ঢাকা থেকে ফেরত ব্যাংকার দুজনকেই হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা ওই নির্দেশ না মেনে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছিলেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবারও (০৮ এপ্রিল) ইউএনও ওই এলাকায় যান। নির্দেশ অমান্য করায় তাদের জরিমানা করতে চাইলে দুজনই তখন কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশনা মানবেন বলে অঙ্গীকার করেন।

করোনায় আক্রান্ত মৃত্যুবরণকৃত বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির গত বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) থেকেই সর্দি-কাশি-জ্বর শুরু হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে শনিবার (১১ এপ্রিল) শিশুটিকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. জাবেদ জানান, শনিবার সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রতিবন্ধী শিশুটিকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসে। এ সময় বর্হিবিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির উপসর্গ দেখে ফ্লু কর্নারে নিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে ওই নমুনাটি চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গতকাল রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে নমুনা পরীক্ষায় শিশুটির করোনা পজেটিভ আসে।

শিশুটির পরিবারসূত্রে জানা যায়, তাদের এক চাচা হংকং থেকে মাসখানেক আগে পটিয়ার বাড়িতে এসেছিলেন। তিনি এক সপ্তাহ বাড়িতে থাকার পর আবার হংকং চলে যান।

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারহানা জাহান উপমা জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যে পটিয়ার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ৫০টিরও বেশি বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুটি যাওয়ার সময় কারা কারা সংস্পর্শে এসেছেন, শিশুটির বাবা কোথায় কোথায় যেতেন, কাদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন এসব বিষয়ে আরও নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে পটিয়া উপজেলা প্রশাসন। . নিশ্চিত হলে লকডাউনের পরিসর আরও বড় হতে পারে।