Articles by "বিদ্যুৎ"
Showing posts with label বিদ্যুৎ. Show all posts
পটিয়ায় বিদ্যুৎহীন ৫২ ঘন্টা; পিডিবির উদাসীনতায় চরম দূর্ভোগে সাধারণ জনগণ; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় বিদ্যুৎহীন ৫২ ঘন্টা; পিডিবির উদাসীনতায় চরম দূর্ভোগে সাধারণ জনগণ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কয়েক লক্ষাধিক মানুষ টানা ৫২ ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় অন্ধকারে দিনাতিপাত করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদাসীনতার কারণে টানা ৫২ ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে সমগ্র উপজেলার প্রায় এলাকা।

গতকাল শুক্রবার পটিয়া পিডিবি এলাকার পশ্চিম ফিডারের আওতায় কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ আসলেও পূর্ব ফিডারের আওতায় থাকা কোন এলাকাতেই এখনো পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারে নি পিডিবি কর্তৃপক্ষ। ফলে পূর্ব ফিডারের আওতায় থাকা গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে, গত বুধবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় উপজেলার প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের কয়েক লক্ষাধিক মানুষের দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কোলাগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, শিকলবাহা, জিরি, চরলক্ষ্যা, ভাটিখাইন, হাইদগাঁও, দক্ষিণ ভুর্ষি, বিসিক শিল্পনগরী, ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প এলাকা, পাইকপাড়া, দক্ষিণঘাটা, মাঝেরঘাটা, বাসস্টেশন, পোষ্ট অফিস, কাগজীপাড়া, বাহুলী, আল্লাই ওখাড়া, গোবিন্দারখীল, সুচক্রদন্ডী, বৈলতলী রোড সহ পটিয়া সদরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামে গত বুধবার রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় গৃহস্থলীতে থাকা ফ্রিজে রক্ষিত মাছ-মাংস তরিতরকারি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা জানান।
এ ব্যাপারে পাইকপাড়া এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গত বুধবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার তিন হাজারের অধিক গ্রাহক তিন দিন ধরে অন্ধকারে দিনাতিপাত করছে।

এ ব্যাপারে পটিয়া পিডিবির প্রধান কর্মকর্তা আলতাফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঝড়-বৃষ্টির কারণে ১১হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের মেইন লাইনের কোন জায়গায় শর্টসার্কিট হওয়ায়  এ সমস্যা হয়েছে। কোন জায়গায় এ সমস্যা হয়েছে তা খুঁজে বের করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া জনবল সংকটের কারণে দ্রুত কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।’
জিরিতেও ট্রান্সফরমার বিকল; বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পটিয়াবাসী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
জিরিতেও ট্রান্সফরমার বিকল; বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পটিয়াবাসী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া পৌরসভার পর এবার উপজেলার দক্ষিণ জিরি লামারবাজার এলাকায় ঈদের আগের দিন থেকে চারদিন ধরে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় সহস্রাধিক গ্রাহক অন্ধকারে।

এদিকে গ্রাহকরা অভিযোগ তুলেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গুটিকয়েক কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা জানান, ২০ শতাংশ ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ না করায় বিকল ট্রান্সফরমার সচল করা যাচ্ছে না।

উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি ও জিরি এলাকার গ্রাহক নূর মোহাম্মদ চৌধুরী ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঈদের দিন বিকেল ৪ টায় ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত ট্রান্সফরমারটি সচল করতে পারে নি। ট্রান্সফরমারের পার্শ্ববর্তী ফিরোজা পোলট্রি ফার্ম থাকায় ওই ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ২০ শতাংশ ক্ষয়ক্ষতির টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু সে পরিশোধ না করায় তার জন্য অন্যান্য আবাসিক গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।’
পটিয়ায় ঘনঘন লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি; লোডশেডিং; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় ঘনঘন লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ নেই পটিয়া উপজেলার ২০ গ্রামে। বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ (পিডিবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাফিলতির কারণে পবিত্র রমজান মাসেও হাজার হাজার গ্রাহক চরম ভোগান্তির কবলে পড়েছেন। এমনকি গ্রামগঞ্জে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫ ঘন্টা বিদ্যুৎও থাকছে না। ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে মুসল্লিসহ সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। চলতি বর্ষা মওসুমে বৈরি আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্ন ত্রুটির কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নেই বিদ্যুৎ। 

মুসল্লিদের অভিযোগ, নামাজের পূর্বে ও ইফতারির সময় প্রতিদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার হাইদগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, বুধপুরা, শান্তিরহাট, কুসুমপুরা, শোভনদন্ডী, ছনহরা, কচুয়াই, বড়উঠান, চরপাথরঘাটা, ধলঘাট, কেলিশহর, কোলাগাঁও ইউনিয়নের ২০ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। অথচ স্থানীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে রমজানে যাতে লোডশেডিং না হয় সে ব্যবস্থা নিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির কারণে পটিয়া সদর ছাড়াও উপজেলার ২০ গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকলেও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। তবে যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে তা ঠিক করতে বৃহস্পতিবার সকালে লাইনম্যানরা বের হয়েছে। 
হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের রফিক আহমদ জানান, গত ২ দিন ধরে তাদের গ্রামে বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার পরও লাইনের ত্রুটি ঠিক করে পুনরায় চালু করা হয়নি। ফলে অন্ধকারের মধ্যে সেহেরি, ইফতার ও তারাবির নামাজ পড়তে হচ্ছে। 

এদিকে, পটিয়া সদরের ঈদ মার্কেটগুলোতে ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। গত সোমবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় পৌর সদরের শাহ আমির মার্কেটের ‘বড়বাজার’ নামের একটি কাপড়ের দোকানে এসির গ্যাস বের হয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাসহ ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। 

উপজেলার চক্রশালা গ্রামের অনুপম চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে পিডিবি মনগড়াভাবে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার কারণে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই ব্যাপারে পিডিবির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান তিনি। 

এ প্রসঙ্গে পটিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরের ডিজিএম (টেকনিশিয়ান) মোঃ গোলাম কাওছার বলেন, বৈরি আবহওয়া ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আংশিক কিছু এলাকায় যে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রয়েছে তা ঠিক করে পুনরায় চালু করা হবে। ইতোমধ্যে লাইনম্যানরা কাজ শুরু করেছেন বলে তিনি জানান।