"বিদ্যুৎ" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
Showing posts with label বিদ্যুৎ. Show all posts
রূপপুরে দেশের ১ম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি স্থাপন; পারমাণবিক; আণবিক; বিদ্যুৎকেন্দ্র; Nuclear; Nuclear Power; Energy
রূপপুরে দেশের ১ম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি স্থাপন

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ পাবনা জেলার রূপপুরে নির্মানাধীন বাংলাদেশের ১ম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের 'রিয়াক্টর প্রেসার ভেসেল' বা পরমাণু চুল্লিপাত্র স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
আজ রোববার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার পরমাণু শক্তি কমিশন-রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ। 
পরমাণু বিজ্ঞানীরা রিএ্যাক্টর প্রেসার ভেসেলকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের 'হার্ট বা হৃৎপিণ্ড' বলে থাকেন। 

রিয়াক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপনের আগে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে রূপপুর প্রকল্পের বাংলাদেশী ও রাশিয়ান কর্মকর্তারা। রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। 
প্রকল্প পরিচালক ও পরমাণু বিজ্ঞানী ড. মোঃ শৌকত আকবর বলেন, ‘ইউনিট-১ এর ভৌত কাঠামোর ভেতরে রিয়াক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপনের মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের পারমাণবিক যন্ত্রাংশ স্থাপন সম্পন্ন হলো। এর ফলে এই ইউনিটের রিয়াক্টর ভবনের ভেতরের কাজ প্রায় শেষ হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে এ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে ৷’
 
এর আগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘রিয়াক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপনের এই ঘটনা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর ফলে প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের সাথে তাল মিলিয়েই এগিয়ে যাবে।’

উল্লেখ্য, রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প। 

১ম চুল্লি স্থাপনের আগে রাশিয়ান পরমাণু শক্তি কমিশন-রোসাটমের মহাপরিচালক এলেক্সি লিখাচেভ এআরবিকে বলেন, ‘বিজ্ঞান প্রযুক্তি নিয়ে বছরের পর বছর রাশিয়া যে উৎকর্ষ অর্জন করেছে, সেই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান আজ রূপপুরে প্রয়োগ করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কিছু ব্যবস্থাপনা রূপপুর প্রকল্পকে করেছে সবচেয়ে নিরাপদ।’ 

রূপপুরের এই পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ায়। ভিভিআর-১২০০ মডেলের এই রিয়্যাক্টরে পরমাণু জ্বালানি পুড়িয়ে মূল শক্তি উৎপাদন হবে এবং দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে পারবে বলে ধারণা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। 
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প। 

তবে এ প্রকল্প নিয়ে রয়েছে ভীতি ও উদ্বেগ!

জলবায়ু পরিবর্তনের কথা চিন্তা করে বর্তমানে বিশ্বে নবায়নযোগ্য শক্তির ওপরে যে জোর দেয়া হচ্ছে পারমাণবিক শক্তি তার অন্যতম একটি উৎস। তবে এইসব পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লির নিরাপত্তা নিয়ে সবসময় কিছুটা উদ্বেগ থেকেই যায়। কারণ, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার ব্যাপারে একটা ভীতি সবসময় কাজ করে অনেকের মধ্যেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ভয়ের প্রবণতা আছে বিশ্বব্যাপী। আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থার সাবেক একজন বিজ্ঞানী ড. শহীদ হোসেন বলেন, "ভয়টা কমেনি। ভয়টা অনেক সময় না জানার কারণেও হয়। যারা এসব কেন্দ্রের কাছে থাকে, তাদের মধ্যে ভয় কম কিন্তু দূরে যারা থাকে- দেখা যায় তাদের ভয় বেশি। আর যেহেতু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়েক স্তরে নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হয়, এ কারণেও অনেকে চিন্তা করেন নিরাপদ যদি হবে, তাহলে এত নিরাপত্তা বলয় কীসের জন্য?" "এছাড়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে অনেক মতবাদ আছে যেমন- রিয়্যাক্টরকে কখনোই বিশ্বাস করা যাবে না। এসব কারণেও ভীতি কমেনি।" 

উল্লেখ্য, সর্বশেষ জাপানের ফুকুশিমা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনাসহ বিশ্বে এ পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তিনটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়লে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব থাকে বলেই বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে রয়েছে ভয় আর আতঙ্ক। তবে ফুকুশিমায় দুর্ঘটনার পর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনা ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। 
রাশিয়ার ভিভিআর ১২০০ মডেলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনা রোধে ৫টি স্তরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রয়েছে। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেন, "আমরা এখানে কো-ক্যাচার নামে একটি বাড়তি জিনিস লাগিয়েছি যেটা ফুকুশিমার ঘটনার পর আবিস্কৃত হয়ে অলরেডি চালু হয়ে গেছে। নতুন যে প্ল্যান্ট হয়েছে দুটোতে এই ব্যবস্থা লাগানো হয়েছে আমাদেরটি তৃতীয়।" 
কো-ক্যাচার ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্ত্রী ব্যাখ্যা করে বলেন, "কো-ক্যাচার বসানো হয়েছে খোদা না চায় যদি ওরকম কোন ঘটনা ঘটেও তাহলে পুরো দূষিত জিনিসটা গলে নিচে পড়ে যাবে। একটা কুয়ার মতো যেটার মধ্যে পড়ে ওটা সিল হয়ে যাবে। অর্থাৎ তেজস্ক্রিয়তা ছড়াবে না এবং এটার স্লোগানই হলো ‘Make More Safe, More Safe & More Safe’ এবং আমরাতো একেবারে লেটেস্ট প্রযুক্তিটাই নিচ্ছি।"
পটিয়া পিডিবিকে পল্লী বিদ্যুৎ এর কাছে হস্তান্তর করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়া পিডিবিকে পল্লী বিদ্যুৎ এর কাছে হস্তান্তর করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)’র বিতরণ বিভাগ পটিয়া ও এর আওতাধীন দোহাজারী, সাতকানিয়ার বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন ও এলাকাসমূহ পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে হস্তান্তরের সরকারী সিদ্ধান্ত বাতিল ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শনিবার পটিয়া পৌর সদরে বিক্ষুদ্ধ গ্রাহকরা ‘পিডিবি গ্রাহক সমিতি’র ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। 

উক্ত বিক্ষোভ মিছিল পটিয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে পটিয়া বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির সভাপতি আইয়ুব বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক বিএম জসিমের নেতৃত্বে পটিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন রায়ের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এরকম সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে সরে আসার জোর দাবি জানান। 

পটিয়ায় পিডিবিকে পল্লী বিদ্যুৎ এর কাছে হস্তান্তর করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
পটিয়া পিডিবিকে পল্লী বিদ্যুৎ এর কাছে হস্তান্তর করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

এসময় উপস্থিত ছিলেন পিডিবির গ্রাহক সমিতির সদস্য ফরিদ আহমদ, মোঃ জসিম উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক চৌধুরী, আবদুল মান্নান, আমির হোসেন, শহিদুল ইসলাম জুলু মেম্বার, আবুল হাসনাত মুহাম্মদ ফয়সাল, আবদুল্লাহ আল মামুন, হাজী নবাব মিয়া, ইমন চৌধুরী, দিদারুল আলম, মাহমুদুল হক মাষ্টার, আমিরুল ইসলাম, আজগর আলী, মোঃ ইদ্রিস, জাহাঙ্গীর আলম, সেলিম উদ্দিন, আবু তালেব টিটু, মোঃ ফারুক প্রমুখ। 

এতে বক্তারা বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পিডিবির সুরক্ষিত লাইন নিজেদের আয়ত্ত্বে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা সাধারণ গ্রাহকদের দাবি মেনে সরকারকে এ ধরণের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানান। 

আগামীকাল মঙ্গলবার পিডিবি গ্রাহক সমিতি এ উপলক্ষে পটিয়া থানার মোড়ে সকাল ১০ টায় মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করেছে। এতে গ্রাহক সমিতির পক্ষ থেকে সর্বমহলের উপস্থিতি কামনা করা হয়।
চট্টগ্রামে এলএনজি এপ্রিলেইঃ যুক্ত হচ্ছে পটিয়ার শিল্পকারখানাতেও; পটিয়া; চট্টগ্রাম; মহেশখালী, কক্সবাজার, Patiya; Chittagong; Chattogram; Moheskhali, Coxsbazar
চট্টগ্রামে এলএনজি এপ্রিলেইঃ যুক্ত হচ্ছে পটিয়ার শিল্পকারখানাতেও

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ আগামী ২৫ এপ্রিল নগরীতে প্রবেশ করছে এলএনজি (Liquefied Natural Gas বা তরলায়িত প্রাকৃতিক গ্যাস)। এতে বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে গ্যাস সমস্যায় ধুঁকতে থাকা অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে চট্টগ্রামবাসী। 
গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে শিল্প কারখানায় ও আবাসিকে সংযোগ বন্ধ থাকায় পিছিয়ে রয়েছে চট্টগ্রাম। এলএনজি গ্যাস আসার সাথে সাথে সবার আগে গ্যাস সংযোগ পাবে শিল্প ও অ্যাকটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট। ইতিমধ্যে এ দুই খাতে গ্যাস সংযোগের ডিমান্ড নোটও দেয়া হয়েছে।

এলএনজি আলাদা কোন জ্বালানি নয়, আদতে এটি প্রাকৃতিক গ্যাসেরই তরল রূপ। প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণ চাপ ও তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। শীতলীকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের তাপমাত্রা কমিয়ে -১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনলে গ্যাস তরলে পরিণত হয়। এই তরল প্রাকৃতিক গ্যাসকেই এলএনজি বলা হয়। পরিবহনের সুবিধার্থে এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে এলএনজি তৈরি করা হয়। এলএনজির প্রধান উপাদান হচ্ছে মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিত করার সময় মিথেন বাদে অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত উপাদান যেমন ধূলিকণা, এসিড, হিলিয়াম, পানি, অপেক্ষাকৃত ভারী হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন ইত্যাদি দূর করা হয়; যার ফলে অন্য অনেক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে এলএনজি ব্যবহারে দূষণ কম হয়।

তবে এলএনজি এলেও এর দাম কতো হবে তা নিয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা রয়েছে। এলএনজি আসার আগে থেকেই বলা হচ্ছে এ গ্যাসের দাম বেশি পড়বে। আর চট্টগ্রামে এর সংযোগ দেয়া হবে বলে এখানকার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে। 
এ বিষয়ে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম বলেন, ‘এলএনজি আসবে ভাল কথা, কিন্তু এর মূল্য কি হবে? চট্টগ্রামের জন্য এক রেট এবং বাইরের এলাকার জন্য আরেক রেট হলে হবে না। সারাদেশের জন্য একই রেট হতে হবে। অন্যথায় শিল্পপণ্য উৎপাদনে পিছিয়ে পড়বে চট্টগ্রামের শিল্প মালিকরা।’

ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের বিষয়ে কথা হয় কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মনজুরুল হকের সাথে, তিনি বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ প্রাকৃতিক গ্যাস ও মহেশখালী দিয়ে আসা এলএনজি দুটো একসাথে মিলিত হয়ে পাইপ লাইনে সরবরাহ করা হবে। তাই সারাদেশে গ্যাসের দরের ক্ষেত্রে কোনো তারতম্য হবে না। চট্টগ্রামে যে দর হবে, অন্যান্য এলাকায়ও একই দর হবে।’
কতো দর হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপাতত শিল্প ও ক্যাপটিভ পাওয়ারে প্রতি ঘনমিটারে ১৪ টাকা ৯০ পয়সা হতে যাচ্ছে। আর এই দর সারা দেশের শিল্প ও ক্যাপটিভ পাওয়ারের ক্ষেত্রে একই হবে।’

উল্লেখ্য, বর্তমানে শিল্প ও ক্যাপটিভ পাওয়ারে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস গ্রাহকের কাছে বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ৭ টাকা ৪২ পয়সা ও ৭ টাকা ৪৬ পয়সা দরে। তবে আবাসিক বা অন্য খাতগুলোতে আগামীতে কি দর হবে তা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে কর্ণফুলী গ্যাসের রাজস্ব বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান।

আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে এলএনজি প্রবেশ করলেও তা নিয়ে কর্ণফুলী গ্যাসের কি পরিকল্পনা সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, ‘১৫০ কোটি টাকায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বিদ্যমান গ্যাসের মেইন চাপের পাইপলাইনগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একইসাথে পটিয়ার শিকলবাহা ও কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড় এলাকার শিল্প কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করতে ১৬ ইঞ্চি ব্যাসের একটি নতুন পাইপ লাইন বসানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে ওই এলাকায় দিনে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাবে।’

বর্তমানে চট্টগ্রামে দিনে সরবরাহ করা হচ্ছে ২০৭ থেকে ২০৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে খাগড়াছড়ির সেমুতাং থেকে প্রায় দুই মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের বাইরে পুরো গ্যাসই আসে জাতীয় গ্রিড থেকে। এখন মহেশখালীতে স্থাপন করা এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে দিনে আসবে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
তখন গ্যাসের সমন্বয় কিভাবে করা হবে সে সম্পর্কে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মনজুরুল হক বলেন, ‘তখন আমরা জাতীয় গ্রীড থেকে গ্যাস নিবো না। আর আমাদের এখানে উদ্বৃত্ত থাকলে তা জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হবে। এছাড়া ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের পুরোটা আমরা একসাথে নগরীর পাইপ লাইনে যুক্ত করবো না, পর্যায়ক্রমে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট করে বাড়ানো হবে। তবে এতটুকু বলা যায় ২৫ এপ্রিল এলএনজি প্রবেশের সাথে সাথে নগরীতে গ্যাসের যে সঙ্কট আছে তা আর থাকবে না।’

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মহেশখালীর মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আগামী এপ্রিলে চালু হচ্ছে এলএনজি গ্যাস।’

উল্লেখ্য, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় এলএনজি ছাড়া গ্যাস সমস্যা সমাধানের কোনো অপশন নেই। আর এ জন্যই এলএনজি গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে ২০১০ সালে নেয়া প্রকল্পের চুক্তি হয় ২০১৬ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি লিমিটেডের সাথে। সেই চুক্তির আলোকে মহেশখালীতে ভাসমান এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) ইউনিট স্থাপনের মাধ্যমে গ্যাস আসবে জাতীয় গ্রীডে।

গত বছর পাইপ লাইনের কাজ শেষ হওয়ার পর শুরু হওয়া এফএসআরইউ স্থাপনের কাজ শেষ হচ্ছে এপ্রিলে। আর তা শেষ হলেই জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। 
কাতার থেকে আমদানি করা তরল গ্যাসকে কক্সবাজারের মহেশখালীর সাগর উপকূল থেকে তিন কিলোমিটার দূরে সাগরবক্ষে ভাসমান এফএসআরইউ গ্রহণ করবে। সেখান থেকে সাগরের তলদেশ দিয়ে পাইপ লাইনের মাধ্যমে এলএনজি চলে আসবে স্থলভাগে। রূপান্তরিত গ্যাস ৩০ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপ লাইনের মাধ্যমে মহেশখালী থেকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা পর্যন্ত চলে আসবে। আনোয়ারা থেকে একটি সাবস্টেশনের মাধ্যমে গ্যাসের প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে নগরীতে প্রবেশ করবে এ গ্যাস।
পটিয়ায় জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ ২০১৫ উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও সভা; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ ২০১৫ উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও সভা


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ “আলোর পথে আরো এগিয়ে”এই শ্লোগান কে সামনে রেখে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত “জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ-২০১৫” উপলক্ষে পটিয়ায় র‌্যালী ও আলোচনা সভা গতকাল সোমবার সকালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ বিভাগ পটিয়ার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

পটিয়া পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু ছাইদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উদ্বোধক এবং প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র হারুনুর রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সামশুল হক চৌধুরী এমপির প্রতিনিধি ও পৌরসভা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন। 
কামরুল হাসান বাবুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ বিভাগ পটিয়ার (পিডিবি) সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ জাকের সারোয়ার খান, মোঃ খোরশেদ আলী চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ ভুইয়া, জহিরুল হক, সমীর বড়ুয়া, মোঃ সাইফুল্লাহ রনি, মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার, জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ (সিবিএ)’র পক্ষ থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ নেতা মোঃ আজহারুল হক, আতাউর রহমান খান, আহসান হাবীব চৌধুরী, কুদ্দুছুর রহমান চৌধুরী, তপন কুমার চৌধুরী, রনজিত কান্তি দেব প্রমুখ প্রমুখ। 

সভায় জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হারুনুর রশিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড আগামী ২০২১ সালের মধ্যে সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোসহ গতিশীল করতে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে কাজ প্রশংসার দাবীদার।’
সভার সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ বিভাগ-পটিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু ছাইদ বলেন, ‘সরকার বর্তমানে ১১০০০ হাজার মেগাওয়াট এর বেশী বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। এর সুফল পটিয়ার ঘরে ঘরে পৌছেঁছে এবং দেশের ১৬ কোটি মানুষ ভোগ করছে; আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। এতে জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ ২০১৫ সালের সফলতা সার্থক হবে। দেশের অগ্রযাত্রা আরো তরান্বীত হবে।’
দক্ষিণ চট্টগ্রামে লোডশেডিং চরমে; দূর্ভোগে লক্ষাধিক গ্রাহক; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
দক্ষিণ চট্টগ্রামে লোডশেডিং চরমে; দূর্ভোগে লক্ষাধিক গ্রাহক

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশ জুড়ে চলছে তীব্র তাপদাহ। ফ্যানের বাতাস কিংবা বরফের পানি পান করেও রেহাই পাচ্ছেন না জনগণ। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শুরু হয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং। এ যেন মরার ওপর খাড়ার ঘা! দিন-রাত মানছে না, গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে লোডশেডিং। 

তীব্র তাপদাহ ও লোডশেডিংয়ের কারণে একদিকে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। অন্যদিকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

জানা যায়, পটিয়া উপজেলার শিকলবাহা খালের পাড়ে নির্মিত শিকলবাহা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুইটি ট্রান্সফরমার অগ্নিকান্ডে নষ্ট হওয়ার ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও সচল হয়নি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। ফলে অব্যাহত লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছে পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭ উপজেলার লক্ষাধিক গ্রাহক। পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় দৈনিক ১০-১২ ঘন্টা লোডশেডিং চলছে। 

এছাড়া এ দূর্ঘটনার পর থেকে পিডিবি কর্তৃপক্ষ পটিয়া উপজেলায় পার্শ্ববর্তী দোহাজারী সাব ষ্টেশন থেকে বিকল্প সঞ্চালন লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসলেও গত সোমবার দোহাজারী সাব ষ্টেশনের ৩৩ কেবি লাইনে অতিরিক্ত লোডের কারণের বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেলে দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পটিয়ায় বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ থাকে। ফলে পটিয়ার প্রায় ২০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। এতে গ্রাহকদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। 

তাছাড়াও পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় গ্রাহকদের জন্য প্রতিদিন ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা থাকলেও বর্তমানে পাচ্ছে ৪ মেগাওয়াট। পিডিবির আওতাধীন পটিয়া উপজেলায় প্রতিদিন ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে ৬ মেগাওয়াট।

এদিকে পটিয়া পিডিবির বিদ্যুৎ সঞ্চালন যন্ত্রগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পরায় নিয়মিত যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত দৈনিক ১০-১২ ঘন্টা  বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। 

এ প্রসঙ্গে পটিয়ার বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা জানান, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ৩০-৩৫ বার লোডশেডিংয় হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যবসা করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এভাবে যদি লোডশেডিং হয় তা হলে পটিয়া পৌরসদরের ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হবে।’

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে পোল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত ১৩২ কেভির একটি ও ১৯৮৬ সালে চীন থেকে আমদানীকৃত ১৩৩ কেভির একটি সহ মোট দুটি ট্রান্সফরমার শিকলবাহা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বসানো হয়। এই দুই ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে পটিয়া সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। গত ৩০ আগস্ট শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে শর্টসার্কিট থেকে দুটো ট্রান্সফরমারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একটি ট্রান্সফরমার সম্পূর্ণ বিনষ্ট ও অন্যটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে ঐদিন বিকেল সাড়ে ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত পটিয়া সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭টি উপজেলা, বান্দরবান পার্বত্য এলাকা ও কক্সবাজারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। দমকল বাহিনী ও সেনাবাহিনীর ৭ টি ইউনিট দেড় ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও দুটি ট্রান্সফরমার ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। রাত ১০ টার দিকে পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাচঁটি উপজেলায় দোহাজারী সাব ষ্টেশন থেকে বিকল্প সঞ্চালন লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। 

এ ঘটনার পরের দিন পিডিবি কর্তৃপক্ষ রাউজান তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল খালেককে প্রধান করে ঐ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী কানাই চন্দ্র দাশ ও সহকারী প্রকৌশলী (নিরাপত্তা) আবুল বাশারসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে দূর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়া হয়। 

এ ব্যাপারে পটিয়ার পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী আবু সাইদ জানান, ‘শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অগ্নিকান্ডের পর থেকে বিকল্প বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন হিসেবে পটিয়া এলাকায় দোহাজারী সাব স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়ে আসছিল। দোহাজারী লাইনের অতিরিক্ত লোডের কারণে ৩৩ কেভি ভোল্টের তার ছিঁড়ে যায়। ফলে পটিয়ায় ৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিলো।’

শিকলবাহা বিদ্যুকেন্দ্র প্রধান ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী ভূবন বিজয় দত্ত জানান, ‘অগ্নিকান্ডে বিনষ্ট হয়ে যাওয়া দুটো ট্রান্সফরমারের মধ্যে একটি মেরামত করে বসানো হবে। আরেকটি নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ চলছে। এজন্য এনার্জী প্যাক কোম্পানীকে ৭০ এমভি ট্রান্সফরমারের জন্য টেন্ডার দেয়া হয়েছে। তারা অতি শীঘ্রই এ ট্রান্সফরমারের সরবরাহ করবে। এতে করে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আগামী ২০ দিনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে বিদ্যুৎ সঞ্চালন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে আশা করা যাচ্ছে।’
পটিয়া শিকলবাহা বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন; কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন; ; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; শিকলবাহা; Shikolbaha
পটিয়া শিকলবাহা বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন; কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন

ভয়েস অব পটিয়া-বিশেষ প্রতিনিধি: পটিয়া উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নাধীন ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকান্ডের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। 

চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (উৎপাদন) আবদুল খালেদকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক (নিরাপত্তা) আবুল বাশার এবং ইলেক্ট্রনিক ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী কানাই চন্দ্র দাশ। 
উক্ত তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক বিজয় ভুবন দত্ত ভয়েস অব পটিয়া’কে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান আবুল খালেক ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘অগ্নিকান্ডে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ট্রান্সফরমারের একটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। অপর ট্রান্সফরমারটি মেরামত করে রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে বিকল্প ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে পটিয়া শিকলবাহা ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ট্রান্সফরমারে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং বান্দরবান জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কয়েক ঘন্টা বিঘ্নিত হয়।

এদিকে সোমবার সকাল থেকেও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। 

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরো দুই-তিনদিন সময় লাগতে পারে বলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে।

পটিয়ার শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগুন নিয়ন্ত্রণে; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; শিকলবাহা; Shikolbaha
পটিয়ার শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ভয়েস অব পটিয়া-শিকলবাহা প্রতিনিধিঃ পটিয়া উপজেলাধীন শিকলবাহা ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুনে পুড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রটির পরিচালক ভুবন বিজয় দত্ত।
তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এরপর থেকে বন্ধ সংযোগ দেওয়া শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। তিনি জানান, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কোন এক জায়গায় শর্ট সার্কিট হয়েছে। যার ফলে ট্রান্সফরমারে  অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম না থাকায় আগুন বাড়তে থাকে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের ৭টি গাড়ি ঘঠনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুইঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণেও আসলে ট্রান্সফরমারে তেল থাকায় কিছুক্ষণ পর পর আগুন জ্বলে উঠছে। তবে এখনো ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’

এর আগে শিকলবাহা বিদ্যুকেন্দ্রের উপ-প্রকল্প প্রকৌশলী মোঃ শামসুদ্দিন জানান, ‘বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ট্রান্সফরমার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে বিকাল ৩টার দিকে পটিয়া ও চাক্তাই দমকল বাহিনীর ৩টি ইউনিট আগুন নিভাতে কাজ শুরু করে। এ ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। তবে এখনো হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।’
পটিয়ায় বিদ্যুৎহীন ৫২ ঘন্টা; পিডিবির উদাসীনতায় চরম দূর্ভোগে সাধারণ জনগণ; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় বিদ্যুৎহীন ৫২ ঘন্টা; পিডিবির উদাসীনতায় চরম দূর্ভোগে সাধারণ জনগণ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কয়েক লক্ষাধিক মানুষ টানা ৫২ ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় অন্ধকারে দিনাতিপাত করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (পিডিবি) কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদাসীনতার কারণে টানা ৫২ ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে সমগ্র উপজেলার প্রায় এলাকা।

গতকাল শুক্রবার পটিয়া পিডিবি এলাকার পশ্চিম ফিডারের আওতায় কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ আসলেও পূর্ব ফিডারের আওতায় থাকা কোন এলাকাতেই এখনো পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারে নি পিডিবি কর্তৃপক্ষ। ফলে পূর্ব ফিডারের আওতায় থাকা গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে, গত বুধবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় উপজেলার প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের কয়েক লক্ষাধিক মানুষের দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কোলাগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, শিকলবাহা, জিরি, চরলক্ষ্যা, ভাটিখাইন, হাইদগাঁও, দক্ষিণ ভুর্ষি, বিসিক শিল্পনগরী, ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প এলাকা, পাইকপাড়া, দক্ষিণঘাটা, মাঝেরঘাটা, বাসস্টেশন, পোষ্ট অফিস, কাগজীপাড়া, বাহুলী, আল্লাই ওখাড়া, গোবিন্দারখীল, সুচক্রদন্ডী, বৈলতলী রোড সহ পটিয়া সদরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামে গত বুধবার রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় গৃহস্থলীতে থাকা ফ্রিজে রক্ষিত মাছ-মাংস তরিতরকারি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা জানান।
এ ব্যাপারে পাইকপাড়া এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গত বুধবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার তিন হাজারের অধিক গ্রাহক তিন দিন ধরে অন্ধকারে দিনাতিপাত করছে।

এ ব্যাপারে পটিয়া পিডিবির প্রধান কর্মকর্তা আলতাফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঝড়-বৃষ্টির কারণে ১১হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের মেইন লাইনের কোন জায়গায় শর্টসার্কিট হওয়ায়  এ সমস্যা হয়েছে। কোন জায়গায় এ সমস্যা হয়েছে তা খুঁজে বের করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া জনবল সংকটের কারণে দ্রুত কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।’
জিরিতেও ট্রান্সফরমার বিকল; বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পটিয়াবাসী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
জিরিতেও ট্রান্সফরমার বিকল; বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পটিয়াবাসী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া পৌরসভার পর এবার উপজেলার দক্ষিণ জিরি লামারবাজার এলাকায় ঈদের আগের দিন থেকে চারদিন ধরে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় সহস্রাধিক গ্রাহক অন্ধকারে।

এদিকে গ্রাহকরা অভিযোগ তুলেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গুটিকয়েক কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা জানান, ২০ শতাংশ ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ না করায় বিকল ট্রান্সফরমার সচল করা যাচ্ছে না।

উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি ও জিরি এলাকার গ্রাহক নূর মোহাম্মদ চৌধুরী ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঈদের দিন বিকেল ৪ টায় ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত ট্রান্সফরমারটি সচল করতে পারে নি। ট্রান্সফরমারের পার্শ্ববর্তী ফিরোজা পোলট্রি ফার্ম থাকায় ওই ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ২০ শতাংশ ক্ষয়ক্ষতির টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু সে পরিশোধ না করায় তার জন্য অন্যান্য আবাসিক গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।’
পটিয়ায় ঘনঘন লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি; লোডশেডিং; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় ঘনঘন লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ নেই পটিয়া উপজেলার ২০ গ্রামে। বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ (পিডিবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাফিলতির কারণে পবিত্র রমজান মাসেও হাজার হাজার গ্রাহক চরম ভোগান্তির কবলে পড়েছেন। এমনকি গ্রামগঞ্জে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫ ঘন্টা বিদ্যুৎও থাকছে না। ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে মুসল্লিসহ সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। চলতি বর্ষা মওসুমে বৈরি আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্ন ত্রুটির কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নেই বিদ্যুৎ। 

মুসল্লিদের অভিযোগ, নামাজের পূর্বে ও ইফতারির সময় প্রতিদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার হাইদগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, বুধপুরা, শান্তিরহাট, কুসুমপুরা, শোভনদন্ডী, ছনহরা, কচুয়াই, বড়উঠান, চরপাথরঘাটা, ধলঘাট, কেলিশহর, কোলাগাঁও ইউনিয়নের ২০ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। অথচ স্থানীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে রমজানে যাতে লোডশেডিং না হয় সে ব্যবস্থা নিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির কারণে পটিয়া সদর ছাড়াও উপজেলার ২০ গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকলেও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। তবে যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে তা ঠিক করতে বৃহস্পতিবার সকালে লাইনম্যানরা বের হয়েছে। 
হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের রফিক আহমদ জানান, গত ২ দিন ধরে তাদের গ্রামে বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার পরও লাইনের ত্রুটি ঠিক করে পুনরায় চালু করা হয়নি। ফলে অন্ধকারের মধ্যে সেহেরি, ইফতার ও তারাবির নামাজ পড়তে হচ্ছে। 

এদিকে, পটিয়া সদরের ঈদ মার্কেটগুলোতে ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। গত সোমবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় পৌর সদরের শাহ আমির মার্কেটের ‘বড়বাজার’ নামের একটি কাপড়ের দোকানে এসির গ্যাস বের হয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাসহ ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। 

উপজেলার চক্রশালা গ্রামের অনুপম চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে পিডিবি মনগড়াভাবে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার কারণে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই ব্যাপারে পিডিবির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান তিনি। 

এ প্রসঙ্গে পটিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরের ডিজিএম (টেকনিশিয়ান) মোঃ গোলাম কাওছার বলেন, বৈরি আবহওয়া ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আংশিক কিছু এলাকায় যে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রয়েছে তা ঠিক করে পুনরায় চালু করা হবে। ইতোমধ্যে লাইনম্যানরা কাজ শুরু করেছেন বলে তিনি জানান।