Articles by "জিরি"
Showing posts with label জিরি. Show all posts
করোনা : ইয়েস ক্লাবের উদ্যোগে গরিব-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
করোনা : ইয়েস ক্লাবের উদ্যোগে গরিব-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ করোনা মহামারীর এই দূর্যোগে চারিদিকে কর্মহীন জনজীবন। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে দেশব্যাপী দৈনন্দিন সকল ধরনের চলাচল-কাজকর্মে সীমা আরোপ করা হয়েছে। এতে কর্মহীন হয়ে সবচেয়ে অবেহেলিতভাবে দিনাতিপাত করছে গরিব-দুস্থ খেটে খাওয়া মানুষরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গরিব ও দুস্থ পরিবারের সদস্যরা যাতে অনাহারে-অর্ধাহারে না ভুগে সে লক্ষ্যে পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়াধীন কৈয়গ্রামে ইয়েস ক্লাবের উদ্যোগে ৫০ টি গরিব-দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেল, লবণ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে ইয়েস ক্লাবের সদস্যরা উক্ত গ্রামের জনগণের মাঝে ‘করোনা ভাইরাস’ প্রতিরোধে করণীয়-সচেতনতার লক্ষ্যে প্রচারণা চালায়।



জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংবাদসহ পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
কোরবানি সামনে রেখে পটিয়ায় গরুচোরদের উৎপাত, খামারিরা নির্ঘুম; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; Voice of Patiya

ভয়েস অব পটিয়া-বিশেষ প্রতিনিধিঃ কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পটিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে গরু চোরচক্র। উপজেলা-পৌরসদরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই ঘটছে গরু চুরির ঘটনা। পটিয়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, গত একমাসে বিভিন্ন কৌশলে গরু চুরির ঘটনায় দশ চোর গ্রেপ্তার ও চারটি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া মালিক খুঁজে না পাওয়ায় বর্তমানে পটিয়া থানায় একটি গরু ও একটি মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ।

জানা যায়, পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের আল ওয়ালী এগ্রো ফার্ম থেকে ছয়টি গরু চুরির পর থেকে খামারিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। গরু চোরের ভয়ে খামারি ও এলাকার লোকজন রাতে বিভিন্ন এলাকায় পাহারা দিচ্ছেন। পাশাপাশি গরু চোরদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। সম্প্রতি পুলিশের হাতে আটক হওয়া আল ওয়ালী খামারের নৈশপ্রহরীর কাছ থেকে গরু চোরদের সম্পর্কে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গরু চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন খোদ গরু ব্যবসায়ীর পুত্র তৌহিদ। 

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান মহাসড়কটি পটিয়া উপজেলা সদর দিয়ে যাওয়ার কারণে চোরেরা গরু চুরি করে তা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে। আসন্ন কোরবানি ঈদে বিক্রি করার জন্য পটিয়ার জিরি ইউনিয়নে আল ওয়ালী খামার ২৩টি গরু মোটাতাজা করে। তারা আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া এলাকার গরু ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাকের কাছ থেকে নগদ ও বাকিতে গত ২৫ মে ১৪টি গরু ১৬লাখ ৬০হাজার টাকায় মৌখিক চুক্তিতে ক্রয় করেন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকার মধ্যে গত ঈদ-উল-ফিতরের আগের দিন আরো সাড়ে তিন লাখ টাকা পরিশোধ করার জন্য চাপ দেয়। কিন্তু হঠাৎ করে ঈদের পর দিন রাতেই খামারের ১২ লাখ টাকার মূল্যের ছয়টি ষাঁড় গরু চুরি হয়। এ বিষয়ে খামারিরা পটিয়া থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ নৈশপ্রহরী মো. ইসহাককে আটক করে। নৈশপ্রহরী জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকার করে রাতে ছয়টি গরু আবদুর রাজ্জাকের পুত্র তৌহিদ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গাড়ি করে নিয়ে গেছে। বর্তমানে নৈশপ্রহরী ইসহাক ও গরু ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাকের পুত্র তৌহিদ জেলও খেটেছে। 

খামারি আবদুর রহমান আনোয়ার বলেন, ‘হঠাৎ করে পটিয়ায় গরু চুরি বেড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও ১৫ দিনেও তাদের গরু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘গরু চোরদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ইতোমধ্যে একজন নৈশপ্রহরী, গরু ব্যবসায়ীর পুত্রসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে থানায় একটি গরু ও একটি মহিষ রয়েছে। মালিক খুঁজে না পাওয়ায় পুলিশ এসব গরু ও মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে। চুরি বন্ধে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন ওসি বোরহান উদ্দিন।’
পটিয়ায় গরীব-দুস্থদের মাঝে কেডিএস গ্রুপের ঈদবস্ত্র বিতরণ; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; Voice of Patiya


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কেডিএস গ্রুপের উদ্যোগে পটিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৪০ হাজার গরীব-দুস্থদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। 
আজ রবিবার (২ জুন) সকালে কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব খলিলুর রহমানের গ্রামের বাড়ি পটিয়ার সাঈদাইর এ এসব ঈদবস্ত্র প্রদান করা হয়। 
ঈদবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রির প্রেসিডেন্ট জনাব খলিলুর রহমান। 
অনুষ্ঠানে উপজেলার জিরি, কুসুমপুরা, বড়লিয়া, আশিয়া, কাশিয়াইশ ও জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের প্রতিজনকে নগদ টাকা, শাড়ি, লুঙ্গি ও গেঞ্জি প্রদান করা হয়। 
জনাব খলিলুর রহমান বলেন, যাকাত কোন করুণা নয়, এটি গরীবের প্রাপ্য অধিকার। বিত্তশালীরা যদি দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে যাকাত প্রদানে এগিয়ে আসে, তাহলে দেশে আর কোন গরীব থাকবে না।

টানা বর্ষণ-বন্যায় পটিয়ার গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
ছবিঃ টানা বর্ষণ-বন্যায় পটিয়ার গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বিচ্ছিন্ন সড়ক

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও বন্যার ফলে সৃষ্ট জমে থাকা পানি নামতে শুরু করলেও পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ঈদ আনন্দে ‍দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঈদের আমেজে থাকা উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের রশিদাবাদ, জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম, কোলাগাঁও ইউনিয়নের বাদামতল, আশিয়া, কাশিয়াইশ, বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন ইউনিয়নসহ কয়েকটি স্পটে বন্যায় রাস্তাঘাট ডুবে যায়। বর্তমানে যার পানি নামতে শুরু করেছে। 

প্রবল পানিরস্রোতে জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার একটি চলাচলের রাস্তাও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ঈদ আনন্দ করতে যাওয়া লোকজন। বিচ্ছিন্ন রাস্তায় লাফ দিয়ে যুবক-যুবতি থেকে শুরু করে শিশু-কিশোর-বৃদ্ধরা পারাপার হচ্ছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত একটানা তিনদিন বৃষ্টি হওয়ার কারণে গ্রামীণ সড়কের এই দশা হয়েছে। 

এদিকে, গ্রামীণ সড়কে এহেন বেহাল দশা হলেও জনপ্রতিনিধিরা দুর্ভোগ কমাতে তাৎক্ষণিকভাবে কোন ব্যবস্থা নেননি। বরংচ তারা এর দায় চাপিয়েছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উপর।

টানা বর্ষণ-বন্যায় পটিয়ার গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
ছবিঃ টানা বর্ষণ-বন্যায় পটিয়ার গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; আশিয়া ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের রশিদাবাদ সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে শত শত গাড়ি চলাচল করে থাকে। মহাজন হাট থেকে শুরু করে রশিদাবাদ সড়কটি দীর্ঘতম। বর্তমানে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসানুল হকের বাড়ি ঘাটাসহ আরো কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকায় ঈদ আনন্দে দুর্ভোগ হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হলেও চলতি বর্ষা মওসুমে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে ওই সড়কের কয়েকটি স্পটে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। ঈদের তৃতীয় দিন শোভনদন্ডী ইউনিয়নে ভাঙ্গা রাস্তায় ইট ও বালি দিয়ে মেরামত করা হয়েছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান জানান। একইভাবে উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম সড়কের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ঈদ আনন্দ করতে যাওয়াদের দুর্ভোগে পড়তে হয়।

এ ব্যাপারে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির প্রাক্তন সহ-সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার ক্ষোভ প্রকাশ করে ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘বর্তমান সংসদ সদস্যের বাড়ি তাদের এলাকায় হলেও দৃশ্যমান কোন কাজ হয়নি। তাছাড়া পটিয়াতে যেসব উন্নয়ন কাজ হয়েছে তার কোন সঠিক তদারকি হয়নি। যার কারণে প্রতিটি কাজেই অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে।’

এদিকে, আশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এ. হাশেম ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে থাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকার পানি নামতে শুরু করলেও বিভিন্ন ব্রিক সলিং ও কার্পেটিং রাস্তা পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে এলাকার লোকজনকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চলতি বর্ষা মওসুমে যেসব রাস্তা ভেঙে গেছে তা নতুন অর্থবছরে টেন্ডারের মাধ্যমে মেরামতের কাজ শুরু করবেন। আশিয়া কেরিঞ্জা সড়ক মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে ৭০ লাখ টাকার একটি বরাদ্দ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে এই সড়কের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
জিরিতেও ট্রান্সফরমার বিকল; বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পটিয়াবাসী; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
জিরিতেও ট্রান্সফরমার বিকল; বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগে পটিয়াবাসী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া পৌরসভার পর এবার উপজেলার দক্ষিণ জিরি লামারবাজার এলাকায় ঈদের আগের দিন থেকে চারদিন ধরে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় সহস্রাধিক গ্রাহক অন্ধকারে।

এদিকে গ্রাহকরা অভিযোগ তুলেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গুটিকয়েক কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা জানান, ২০ শতাংশ ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ না করায় বিকল ট্রান্সফরমার সচল করা যাচ্ছে না।

উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি ও জিরি এলাকার গ্রাহক নূর মোহাম্মদ চৌধুরী ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘ঈদের দিন বিকেল ৪ টায় ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত ট্রান্সফরমারটি সচল করতে পারে নি। ট্রান্সফরমারের পার্শ্ববর্তী ফিরোজা পোলট্রি ফার্ম থাকায় ওই ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ২০ শতাংশ ক্ষয়ক্ষতির টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু সে পরিশোধ না করায় তার জন্য অন্যান্য আবাসিক গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।’