Articles by "গ্রাম-গঞ্জ"
Showing posts with label গ্রাম-গঞ্জ. Show all posts
পটিয়ায় কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৩;  ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
পটিয়ায় কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটককৃত ৩ ধর্ষক 
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ায় এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কোলাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (০৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কর্ণফুলী উপজেলাধীন শিকলবাহা ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকা থেকে পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের বাণীগ্রামস্থ তিতা গাজীর মাজার জেয়ারতে যায় তিন কিশোরীসহ দুই কিশোর। মাজার জেয়ারত শেষে রাত দশটার দিকে বাড়ি ফেরার পথে সিএনজি থেকে এক কিশোরীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ৬ অপহরণকারী বাণীগ্রাম নতুনপুল এলাকায় বাঁশ ঝাড়ের কাছে জঙ্গলে নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা অপর এক কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে অপহৃত কিশোরীকে জঙ্গলে বিবস্ত্র করে অপহরণকারী ৬ জন মিলে গণধর্ষণ করে। ওই সময় কিশোরীর অমানবিক চালায় পাষন্ড অপহরণকারীরা। ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে রাত ৩টার দিকে বিবস্ত্র অবস্থায় দুই সিএনজি চালক দেখতে পেয়ে পাশ্ববর্তী একটি বাড়ী থেকে কাপড় এনে দেয়ার পর তাদের সিএনজি করে বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেয়। 

এ ঘটনার ব্যাপারে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা স্থানীয় কোলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। পরে গতকাল ধর্ষকদের সাথে ধর্ষিতার মাঝে কোলাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বাড়িতে সমঝোতা বৈঠকের নামে কৌশলে ডেকে আনা হয়। সেখান থেকে পুলিশ ধর্ষকদের আটক করে। এ সময় ৩ ধর্ষক পালিয়ে যায়। আটককৃত ধর্ষকরা হলো, ফজল আহমদের পুত্র হাসান (২০), ইদ্রিসের পুত্র মাসুদ (২০) ও লেদু আহমদের পুত্র ওসমান (২৮)। 
পলাতক ধর্ষকরা হলো, জালাল আহমদের পুত্র মঞ্জুর আলম (২২), মুত নুরুল ইসলামের পুত্র সুমন (২৭) ও এরফান (২৮)। তাদের সকলের বাড়ি কোলাগাাঁও ইউনিয়নের বাণীগ্রামে। অধিকাংশ ধর্ষক পেশায় সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ির চালক বলে জানা গেছে। 

পটিয়া থানা পুলিশ জানায়, ৩ ধর্ষককে আটকের পর পুলিশ তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় আর কারা কারা জড়িত সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপর অন্য আসামিদের আটকে অভিযান শুরুর কথা জানায় পুলিশ। 

এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানান, আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া আরো দুই সিএনজি চালককে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তথ্য নেয়া হচ্ছে। তারা ওই ঘটনায় জড়িত কিনা তাও তদন্ত করা হচ্ছে। 
কোলাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদ নূর জানান, কিশোরীর মা ঘটনা সম্পর্কে গত সোমবার তাকে অবহিত করেন। এরপর তিনি কৌশলে ধর্ষকদের নাম ঠিকানা নিয়ে বৈঠকের নামে এক স্থানে জড়ো করেন। এরপর তাদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে অন্য ৩ ধর্ষক পালিয়ে যায়।

পাহাড়ী ঢলে পটিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পাহাড়ী ঢল ও টানা বর্ষণে পটিয়া উপজেলার ১৭ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্লাবনে ভেসে গেছে বসতবাড়িসহ প্রায় দুশতাধিক পুকুরের মাছ। রোববার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এ প্লাবণের ফলে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে উপজেলার কেলিশহর, হাইদগাঁও, কচুয়াই, খরনা, ভাটিখাইন, ছনহরা, ধলঘাট, হাবিলাসদ্বীপ, জিরি, কুসুমপুরা, আশিয়া, কোলাগাঁও ছাড়াও পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড। 
প্রবল বৃষ্টির কারণে উপজেলার অধিকাংশ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের অনেক বসতঘর ভেসে গিয়েছে। পানিতে আটকা পড়েছেন অনেকে। পানিতে আটকা পড়াদের ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে সঠিক সময়ে বৃষ্টির অভাবে কৃষকরা শুরু করতে পারেনি আমন ধানের চাষাবাদ। তবে অনেক কৃষক আমন চাষাবাদের বীজ রোপণ করলেও অতি বৃষ্টির ফলে বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে।
কচুয়াই ইউনিয়নাধীন শ্রীমাই খালের বেড়িবাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে লোকালয়। বেড়িবাঁধের ভাঙনের ফলে ভাটিখাইন, ছনহরা ও কচুয়াই ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখে যায়, টানা চারদিনের ভারী বর্ষণে উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন ও পৌরসভার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এরিমধ্যে পটিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ঢলে ও বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। বুধবার সকাল থেকেই অনেকটা গৃহবন্দি হয়েছে পড়েছেন সাধারণ জনগণ। পুকুর থেকে ভেসে যাওয়া মাছ ধরতে বিভিন্ন এলাকার লোকজন প্রতিযোগিতায় মেতেছেন। উপজেলা ও পৌর এলাকার অনন্ত দুশতাধিক পুকুরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পানিতে ভেসে গেছে। 

এদিকে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়কের পটিয়া পোস্ট অফিস মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। শ্রীমাই খালের ভাটিখাইন এলাকার দুইটি স্পটে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 
পাহাড়ী ঢলে পটিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; পাহাড়ী ঢলে পটিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; শ্রীমাই খালের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ছবি: পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ শ্রীমাই এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন | Voice of Patiya
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘টানা বর্ষণে পটিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। যেসব এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সরেজমিনে পরিদর্শনপূর্বক ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা সংগ্রহ করার কাজ চলছে।’ 
কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ইনজামুল হক জসিম ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘শ্রীমাই খালের বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় পুরো কচুয়াই ইউনিয়ন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। লোকজন আতংকের মধ্যে রয়েছে। যে কোনো মুহুর্তে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’  

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিশু পাইকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।  প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ এসব এলাকা পরির্দশন করে ক্ষতিগ্রস্থদের নামের তালিকা তৈরি করার নির্দেশনা দেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারীভাবে সহযোগীতা প্রদান করা হবে বলে তারা আশ্বস্ত করেন।
পাহাড়ী ঢলে পটিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; ত্রাণ বিতরণ;ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; Voice of Patiya
ছবি: পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ | Voice of Patiya
ইতিমধ্যে ভাটিখাইন ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিভাগ কর্তৃক বরাদ্দকৃত ত্রাণের আওতায় উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। 

পটিয়ায় বন্যা দুর্গতদের জন্য ১০ মেট্রিক টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় বন্যা দুর্গতদের জন্য ১০ মেট্রিক টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়ায় গত ৪ দিনের টানা প্রবল বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফসলী জমি ও ৪ হাজার পুকুরের মৎস্য সম্পদ ভেসে যাওয়ায় কৃষি ও মৎসজীবীদের মাথায় হাত। উপজেলার ২২ ইউনিয়নের প্রায় সবগুলো প্রধান এবং অভ্যন্তরীণ সড়ক পানিতে ভেঙে তলিয়ে যাওয়ায় পটিয়া সদরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন বসত ঘর পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়ায় অনেক পরিবারের মানুষ না খেয়ে মানবতার জীবন-যাপন করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

পটিয়া উপজেলা প্রশাসনের রিপোর্টের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন দুর্গত মানুষের জন্য ১০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে ইউএনও রোকেয়া পারভীন জানান। 
এ উপলক্ষে ইউএনও’র সভাপতিত্বে আয়োজিত এক জরুরী সভায় বক্তব্য রাখেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি রাশেদ মনোয়ার, সাবেক সভাপতি আ.ক.ম সামশুজ্জামান, এমপি প্রতিনিধি দেবব্রত দাশ, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এ.কে.এম মতিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম সহ ২২ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ। 
এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ক্ষয়-ক্ষতির ভিত্তিতে আনুপাতিকহারে ইউনিয়নগুলোতে প্রাপ্ত এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে। এছাড়াও ইউএনও রোকেয়া পারভিন ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।
পটিয়ায় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন সামশুল হক চৌধুরী এমপি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন সামশুল হক চৌধুরী এমপি

ভয়েস অব পটিয়া-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: পটিয়ায় গত কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রাস্তা-ঘাট, সেতু, কালভার্ট গতকাল শনিবার পরিদর্শন করেছেন পরিকল্পনা, প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সামশুল হক চৌধুরী এমপি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপন্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা মফজল আহমদ চৌধুরী, এজাজ চৌধুরী, আবুল বশর চৌধুরী, মোহাম্মদ শুক্কুর, মোহাম্মদ শওকত, হামিদ প্রমুখ।
পটিয়ার শ্রীমাই খালে ভাঙন-ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; তাৎক্ষণিক পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর আহমদ টিপু; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ার শ্রীমাই খালে ভাঙন-ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; তাৎক্ষণিক পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ টিপু

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে পটিয়ার শ্রীমাই খালের ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের ভাটিখাইন-ছনহরা সড়কে শ্রীমাই খাল ভেঙে যাওয়ায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী।

এদিকে খালের ভাঙ্গন এলাকা তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করেছেন পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী টিপু। এ সময় তিনি বৃষ্টি কমে আসলে শ্রীমাই খালের যে স্থানে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে তা জরুরী ভিত্তিতে পুনঃনির্মাণ করে দিবেন বলে এলাকাবাসীকে আশ্বাস দেন।

পটিয়ার শ্রীমাই খালে ভাঙন-ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ার শ্রীমাই খালে ভাঙন-ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

জানা যায়, প্রবল বর্ষণে উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের ভাটিখাইন-ছনহরা সড়কের মাঝখানে শনিবার সকাল থেকেই শ্রীমাই খালের ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। 

পটিয়ার শ্রীমাই খালে ভাঙন-ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; পটিয়ার শ্রীমাই খালের ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত; পটিয়া; চট্টগ্রাম
পটিয়ার শ্রীমাই খালের ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

এতে করে ধানি জমি, মাছ চাষের পুকুর, সবজি ক্ষেত, ঘরবাড়ি ডুবে কোটি টাকার অধিক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। 

স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন জানান, তার ৩০টির অধিক মাছ চাষের পুকুর ডুবে যায়। মোঃ ইদ্রিস নামের এক কৃষক জানান, তার চাষকৃত গুড়াকচু পানিতে ডুবে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির আশংকায় রয়েছেন তিনি। এছাড়াও পানিতে বিভিন্ন ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। শ্রীমাই খালের ভাঙ্গনে বর্তমানে উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম পানির নিচে রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
পটিয়ায় ঘনঘন লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি; লোডশেডিং; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় ঘনঘন লোডশেডিং এ সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ নেই পটিয়া উপজেলার ২০ গ্রামে। বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ (পিডিবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাফিলতির কারণে পবিত্র রমজান মাসেও হাজার হাজার গ্রাহক চরম ভোগান্তির কবলে পড়েছেন। এমনকি গ্রামগঞ্জে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫ ঘন্টা বিদ্যুৎও থাকছে না। ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে মুসল্লিসহ সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। চলতি বর্ষা মওসুমে বৈরি আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্ন ত্রুটির কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নেই বিদ্যুৎ। 

মুসল্লিদের অভিযোগ, নামাজের পূর্বে ও ইফতারির সময় প্রতিদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার হাইদগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, বুধপুরা, শান্তিরহাট, কুসুমপুরা, শোভনদন্ডী, ছনহরা, কচুয়াই, বড়উঠান, চরপাথরঘাটা, ধলঘাট, কেলিশহর, কোলাগাঁও ইউনিয়নের ২০ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। অথচ স্থানীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে রমজানে যাতে লোডশেডিং না হয় সে ব্যবস্থা নিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির কারণে পটিয়া সদর ছাড়াও উপজেলার ২০ গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকলেও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। তবে যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে তা ঠিক করতে বৃহস্পতিবার সকালে লাইনম্যানরা বের হয়েছে। 
হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের রফিক আহমদ জানান, গত ২ দিন ধরে তাদের গ্রামে বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার পরও লাইনের ত্রুটি ঠিক করে পুনরায় চালু করা হয়নি। ফলে অন্ধকারের মধ্যে সেহেরি, ইফতার ও তারাবির নামাজ পড়তে হচ্ছে। 

এদিকে, পটিয়া সদরের ঈদ মার্কেটগুলোতে ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। গত সোমবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় পৌর সদরের শাহ আমির মার্কেটের ‘বড়বাজার’ নামের একটি কাপড়ের দোকানে এসির গ্যাস বের হয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাসহ ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। 

উপজেলার চক্রশালা গ্রামের অনুপম চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে পিডিবি মনগড়াভাবে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার কারণে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই ব্যাপারে পিডিবির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান তিনি। 

এ প্রসঙ্গে পটিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দপ্তরের ডিজিএম (টেকনিশিয়ান) মোঃ গোলাম কাওছার বলেন, বৈরি আবহওয়া ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আংশিক কিছু এলাকায় যে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রয়েছে তা ঠিক করে পুনরায় চালু করা হবে। ইতোমধ্যে লাইনম্যানরা কাজ শুরু করেছেন বলে তিনি জানান।
শিল্প কারখানায় গভীর নলকূপ বসানোয় পটিয়ায় পানীয় জলের সংকট; ১২ শতাধিক নলকূপে উঠছে না পানি; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
শিল্প কারখানায় গভীর নলকূপ বসানোয় পটিয়ায় পানীয় জলের সংকট; ১২ শতাধিক নলকূপে উঠছে না পানি

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিল্প কারখানায় গভীর নলকূপ বসিয়ে পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের প্রায় ১২ শতাধিক নলকূপে উঠছে না পানি। ফলে গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যে সাধারণ জনগণকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রিজেন্ট স্পেনিং মিল, ফোর এইচ গ্রুপ, এনার্জি পেক, মোস্তাফা সল্ট এন্ড পেপার মিলস্, হক্কানী গ্রুপ, জেরিন পেপার মিল, বনফুল এন্ড কোম্পানী, ফুলকলি, শাহ আমানত নিটিং এন্ড ডাইিং, ইফা ড্রিঙ্কিং ওয়াটার সাপ্লাই সহ আরো বিভিন্ন শিল্প কারখানাগুলোতে ৬/৭ ফুট ব্যাসের নলকূপ বসিয়ে মাটির নিচের পানি উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। যার  ফলে উপজেলার কোলাগাঁও, জিরি, কুসুমপুরা, আশিয়া, কাশিয়াইশ, হাবিলাসদ্বীপ, বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন, ধলঘাট, কেলিশহর, হাইদগাঁও, পটিয়া পৌরসভা, কচুয়াই, খরনা, দক্ষিণ ভূর্ষি, ভাটিখাইন সহ ইউনিয়নগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ১০/১৫ ফুট পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপের পানি উঠছে না। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিকল্প হিসাবে অনেক জায়গায় কমপ্রেসার মেশিন দিয়ে পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। অনেক এলাকায় এ ব্যবস্থা না থাকায় নলকূপগুলো অকেজো অবস্থায় রয়েছে।

এ ব্যাপারে জঙ্গলখাইন ইউপি চেয়ারম্যান শাহদাৎ হোসেন ফরিদ ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘এলাকার কিছু শিল্প কারখানার মালিকরা ব্যবসায়িক ভিত্তিতে গভীর নলকূপ বসিয়ে পানি উত্তোলন করার ফলে এলাকার নলকূপগুলোতে পানি উঠছে না। এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় অনেকবার বলার পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি। এ ব্যাপারে বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউপি চেয়াম্যানগণ গভীর নলকূপ বসিয়ে পানি উত্তোলন বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। তাছাড়া এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রতিটি এলাকায় প্রতিবাদ সভাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকেয়া পারভীন ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘মিল-কারখানাগুলোতে গভীর নলকূপ না বসিয়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা এবং নদীর পানি পরিশোধনাগার প্ল্যান্ট বসিয়ে পানি পরিশোধন করে ব্যবহার করার জন্য বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিশেষভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।’

পটিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ চৌধুরী টিপু’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘উপজেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানাগুলোতে ৬/৭ ফুট ব্যাসের পাইপ বসিয়ে পানি উত্তোলনের ফলে বিভিন্ন এলাকার নলকূপগুলোতে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি উঠছে না। এতে এলাকার প্রায় ১৫ শতাধিক নলকূপে পানি উঠছে না বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে শিল্পকারখানাগুলোতে খাল, নদীর পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট স্থাপন করে পানি ব্যবহারের জন্য এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর অনেক কারখানাতে পরিবেশ ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া স্থানীয় সাংসদ সামশুল হক চৌধুরী এই পানি সংকট দূর করতে প্রায় ৫ শতাধিক গভীর নলকূপ স্থাপন করেন এবং কয়েকটি মিল থেকে টাকা নিয়ে কমপ্রেসার মেশিন কিনে দিয়ে কিছু কিছু এলাকায় পানি উত্তোলনের ব্যবস্থা করেছেন বলে এলাকাবাসী জানায়। তবে এ সংকট দূর করতে হলে অবলিম্বে কল-কারখানাগুলোতে গভীর নলকূপ স্থাপনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর আরো তৎপর হলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’

এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের অফিসে বেশ কয়েকবার ফোন করেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

ভুক্তভোগী উপজেলাবাসী এই পানীয় জলের সংকট দূর করতে উপজেলা প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
পটিয়ার ডেঙ্গাপাড়ায় শিশু কিশোর ও বয়োবৃদ্ধদের স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত
পটিয়ার ডেঙ্গাপাড়ায় শিশু কিশোর ও বয়োবৃদ্ধদের স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত 


ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ার ডেঙ্গাপাড়া এলাকার শিশু-কিশোর ও বয়োবৃদ্ধারা স্বেচ্ছাশ্রমে একটি সড়ক সংস্কার করার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

গতকাল সোমবার এলাকার অর্ধ শতাধিক শিশু-কিশোর ও সাধারণ মানুষ যার যা আছে তাই নিয়ে দত্তপাড়া সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু করেন।

সংস্কারকর্মীর একজন মাহমুদুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছরেও এ সড়কটি সংস্কার বঞ্চিত ছিল। আমরা জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার ধর্ণা দিয়েছি সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করতে। কিন্তু তারা শুধু আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, কেউ কথা রাখেনি। তাই আজ আমরা এলাকার লোকজন  সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যার যা আছে তাই নিয়ে সড়কটি সংস্কারে কাজ শুরু করেছি। আমাদেরকে বিত্তবানরা কথা দিয়েছেন, সড়ক সম্প্রসারণ হলে তারা ইটা দিয়ে সহযোগিতা করবেন। ইতিমধ্যে আমাদের এলাকার ১১ জন বিত্তবান প্রায় ১১ হাজার ইটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ করব। ইটা সংগ্রহ হলে সড়কটির আরো উন্নয়ন হবে।’

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন জানান, ‘বারবার উপজেলা পরিষদ-স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তাগাদা দেয়ার পরও এ সড়কের জন্য কোনরূপ বরাদ্দ না পাওয়ায় সড়কটি কোন সংস্কার কাজ করতে পারি নি। এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে এগিয়ে আসায় সড়কটির সংস্কারে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে।’ 
অর্ধশতাধিক শিশুকিশোর ও বয়োবৃদ্ধদের স্বেচ্ছাশ্রমে উক্ত সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়।