"সেনাবাহিনী" ক্যাটাগরীর সকল আর্টিকেল
সেনাবাহিনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মেজর সিনহা হত্যাঃ কুখ্যাত ওসি প্রদীপ-ইন্সপেক্টর লিয়াকতের মৃত্যুদন্ডে রায়; মেজর সিনহা; ওসি প্রদীপ; কুমার দাস; ইন্সপেক্টর লিয়াকত; আলী; টেকনাফ; বাহারছড়া; কক্সবাজার; কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ; সমুদ্র সৈকত; পুলিশ; সেনাবাহিনী; চেকপোস্ট; এসএসএফ; Major Sinha, OC Prodip, Inspector Liakot; SSF; Special Security Force; Army; Bangladesh Army; Bangladesh Police; Teknaf; Coxsbazar; Marine Drive; Bangladesh
মেজর সিনহা হত্যাঃ কুখ্যাত ওসি প্রদীপ-ইন্সপেক্টর লিয়াকতের মৃত্যুদন্ডে রায়

ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হত্যাকারী কুখ্যাত ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাস ও ইন্সপেক্টর (বরখাস্ত) লিয়াকত আলীর মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। 

এ মামলার বাকি ১৩ আসামির মধ্যে ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে এ রায় ঘোষণা করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল। ৩০০ পৃষ্ঠার রায় ঘোষণাকালে এজলাসে উপস্থিত ছিলো ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাস ও ইন্সপেক্টর (বরখাস্ত) লিয়াকত আলী সহ ১৫ আসামী। 
রায়ে বিচারক বলেন, ‘মেজর সিনহা হত্যার ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাসের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে গুলি করে আসামী লিয়াকত আলী। মৃত্যু নিশ্চিত করতে সিনহাকে দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’  

রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত ও বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব এবং টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মোঃ নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। 

খালাসপ্রাপ্তরা হলো- বরখাস্ত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এপিবিএনের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মোঃ রাজীব ও মোঃ আবদুল্লাহ। 

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ওসি প্রদীপ কুমার দাসের নির্দেশে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে, পরে ওসি প্রদীপ মেজর সিনহার গলায় পা দিয়ে হত্যাকান্ড ‍নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফে দুটি ও রামুতে একটি মামলা করে। ঘটনার পাঁচ দিন পর ০৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ পুলিশের নয় সদস্যের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস। চারটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পিপি ফরিদুল আলম জানান, এ মামলায় আট দফায় ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়। এরপর ৯ থেকে ১২ জানুয়ারি মামলায় উভয়পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ দিনে আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। নির্মম ও আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ১৮ মাসের মাথায় রায় ঘোষণা হলো। বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে শেষ হয়েছে মামলাটির পরবর্তী কাজ।
তিনি আরো বলেন, ‘ওসি প্রদীপ একজন নরপিশাচ। সে মাদক নির্মূলের নামে ক্রসফায়ার দিয়ে ২০৪ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। অপকর্ম জেনে ফেলায় মেজর সিনহাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে ওসি প্রদীপ, যা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আশা করি প্রদীপ-লিয়াকতসহ জড়িত সব আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন আদালত।’  

অন্যদিকে আসামীপক্ষের আইনজীবী হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদ নেতা এডভোকেট রানা দাসগুপ্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে এই ঘটনায় নির্দোষ দাবি করেছেন। 

রায়ের আগে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসের ফাঁসির দাবিতে টেকনাফ থানার আদালত চত্বরে মানববন্ধন করেন ওসি প্রদীপের গুম-খুনের শিকার ভুক্তোভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা। মানববন্ধনে তারা জানান, প্রদীপ কুমার দাস টেকনাফ থানার ওসি থাকাকালে ক্রসফায়ারের নামে ১৪৫ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এছাড়া নিরীহ লোকজনকে হয়রানি, ধর্ষণ ও অপহরণসহ নানাভাবে নির্যাতনের শিকারে হলেও কোন প্রতিকার পায়নি ভুক্তভোগীরা। তাই তারা মেজর সিনহা হত্যা মামলার রায়ের অপেক্ষায় ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ওসি প্রদীপের হাতে নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তাফা খান, ভুক্তভোগী হামজালাল ও ক্রসফায়ারে ছেলে হারানো হালিমা খাতুনসহ আরও অনেকে।

ক্রসফায়ারের নামে ওসি প্রদীপের নৃশংসতা

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামী বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস। টেকনাফ মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূলের আড়ালে সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করা শুরু করে। অবৈধভাবে পেশিশক্তি প্রদর্শন করতে থাকে। কিছু দিন যেতে না যেতেই তাকে টাকার নেশায় পেয়ে বসে। ইয়াবা ব্যবসায়ী ছাড়াও আর্থিকভাবে সচ্ছল নিরীহ পরিবারগুলোকে টার্গেট করে ওসি প্রদীপ। এর পর তাদের একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে, কথিত ক্রসফায়ারের নামে বিচার বহিভূর্ত হত্যাকান্ড ঘটিয়ে, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে রাতারাতি বিপুল অর্থবিত্তেরও মালিক বনে যায় কুখ্যাত ওসি প্রদীপ। ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে দাখিল করা সিনহা হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে এসব লোমহর্ষক তথ্য উঠে এসেছে। 

কক্সবাজারের মহেশখালী থানা থেকে ২০ অক্টোবর ২০১৮ সালে ওসি হিসেবে টেকনাফ মডেল থানায় যোগ দেয় প্রদীপ। ওসি প্রদীপ টেকনাফ থানায় যোগদানের পর তার নেতৃত্বে ও নির্দেশে শতাধিক বন্দুকযুদ্ধের নামে বহুলোককে হত্যা করা হয়। প্রদীপের অপরাধ প্রক্রিয়া ছিল কোনো ঘটনায় মাদক উদ্ধার হলে অথবা টার্গেট কোনো ব্যক্তিকে মাদক দিয়ে ফাঁসানো হলে (ফিটিং মামলা) প্রথমত আসামী বা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। এর পর স্থানীয় কিছু শ্রেণির লোকজনসহ তার নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের জন্য দেনদরবার করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ক্রসফায়ার না দেওয়ার শর্তে আদায় করা হতো। প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ আশানুরূপ বা চাহিদা অনুযায়ী হলে ভিকটিমকে ক্রসফায়ারে না দিয়ে মাদক উদ্ধার দেখিয়ে ওই ব্যক্তির বা আসামীর আত্মীয়স্বজনদের মামলার আসামী করা হতো। এ ক্ষেত্রে নারী, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী কেউ তার আক্রোশ থেকে রেহাই পেত না। এমনকি নারীদের ওপর যৌন নিপীড়নও করা হতো বলে তদন্তে জানা যায় এবং এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। 
এরপর শুরু হতো তার অন্যরকম অবৈধ অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া। তার দায়ের করা মামলার কথিত এজাহারে বর্ণিত আসামীদের ক্রসফায়ারের ভয়ভীতি প্রদর্শন, বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগসহ আসামীর সৃজিত সম্পত্তি বেদখল করে এবং ভয় দেখিয়ে মামলা প্রতি লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায় করাই ছিল তার নেশা ও পেশা। এ কাজ করার জন্য ওসি প্রদীপ তার সমমনা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে নিজস্ব পেটুয়া ও সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে। 

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, প্রদীপের এ ধরনের অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পেতেন না। যারা ন্যূনতম প্রতিবাদ করার সাহস দেখিয়েছেন, তারা এবং তাদের পরিবার ও নিকটাত্মীয়স্বজন তার অত্যাচার, নিপীড়নসহ মামলা-হামলার শিকার হতো। ওসি প্রদীপ টেকনাফ মডেল থানায় যোগদান করেই স্থানীয় কিছু দালাল শ্রেণির লোকজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে। মাদক নির্মূলের অজুহাতে ও নিজেকে সরকারের একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক দেখানোর আড়ালে জনগণের তোয়াক্কা না করে, পুরো থানা এলাকায় এককভাবে আধিপত্য বিস্তার করে, সমাজ ও জনপদে ত্রাস সৃষ্টি করে অপরাধের অভয়ারণ্য ও অপরাধকর্মের রামরাজত্ব কায়েম করে।
 
তার এ ধরনের অপরাধকর্মের প্রচার ও প্রসার রোধে আসামী প্রদীপ কুমার দাস ও তার দলবল স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার লোকজনকে ভয়ভীতি দেখানোর মাধ্যমে মুখ বন্ধ করে রাখতো বলে জানা যায়। এতেও কাজ না হলে ভয়ভীতি-হুমকি প্রদর্শনসহ মামলায় জড়িয়ে কণ্ঠরোধ করা হতো। তার কুকর্মের বিষয়ে কেউ যাতে সংবাদ সংগ্রহ করতে এবং প্রচার করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রদীপ কুমার দাস ছিলো সোচ্চার ও সতর্ক এবং এ ধরনের লোকজনের তথ্য সংগ্রহের জন্য সে তার থানায় এলাকাভিত্তিক সোর্স নিয়োগ করে রাখতো।

নতুন সেনাপ্রধান এস.এম. শফিউদ্দিন আহমেদকে জেনারেল র‌্যাংক ব্যাচ পরিয়ে দিচ্ছেন নৌ-বিমান বাহিনী প্রধান; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram; সংবাদ; সারাদেশ; ঢাকা; করোনা; করোনা ভাইরাস; Covid, Covid 19; Corona; পরিবহন; বাস; Transport, Bus, Dhaka; সেনাবাহিনী; সেনাপ্রধান; Army
নতুন সেনাপ্রধান এস.এম. শফিউদ্দিন আহমেদকে জেনারেল র‌্যাংক ব্যাচ পরিয়ে দিচ্ছেন নৌ-বিমান বাহিনী প্রধান


ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস.এম. শফিউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে এস.এম শফিউদ্দিন আহমেদকে জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. শাহীন ইকবাল ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান। 

জেনারেল এস. এম. শফিউদ্দিন আহমেদ বিদায়ী সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। 

গত ১০ জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস.এম. শফিউদ্দিন আহমেদকে জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়।

করোনা : ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের ছুটি; নামছে সেনাবাহিনী; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; শ্রীমাই খাল; শ্রীমতি খাল; মুজিববর্ষ, শিক্ষাঙ্গন, Voice of Patiya
করোনা : ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের ছুটি; নামছে সেনাবাহিনী
ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ২৬ মার্চ (বৃহষ্পতিবার) থেকে সাপ্তাহিক ছুটিসহ ০৪ এপ্রিল (শনিবার) পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এসময় জরুরি সেবা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। 
তাছাড়া ২৪ মার্চ (মঙ্গলবার) থেকে দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোয় সশস্ত্র বাহিনী জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য নিয়োজিত থাকবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ তাদের নিজ নিজ এলাকার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের কাছে চাহিদাপত্র দিয়ে সহায়তা গ্রহণ করবেন। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবে সেনাবাহিনী।

সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘২৬ মার্চ সরকারি ছুটি, এর সঙ্গে ২৭-২৮ তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। সেই সাথে ২৯ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হচ্ছে। ৩ ও ৪ এপ্রিল আবার সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। তবে ওষুধের দোকান, কাঁচাবাজার সব খোলা থাকবে।’ 
মন্ত্রীপরিষদ সচিব আরো বলেন, ‘করোনা ভাইরাস বিস্তৃত হওয়ার কারণে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনোভাবেই যেন মানুষ জরুরী বিষয় ছাড়া বাড়ির বাইরে না আসে। আমরা দেখেছি বিনোদনমূলক এলাকায় ভিড় করেছে। এসময় যদি প্রয়োজনীয় কাজ করতে হয় অনলাইনে করতে হবে। যারা প্রয়োজন মনে করবে তারা খোলা রাখবে।’
পটিয়ায় নেমেছে সেনাবাহিনী; একাদশ সংসদ নির্বাচন; চট্টগ্রাম ১২; পটিয়া
পটিয়ায় নেমেছে সেনাবাহিনী

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রবিবার মধ্যরাত থেকেই দেশজুড়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আজ (২৪ ডিসেম্বর) সকালে পটিয়ায় সেনাবাহিনী মোতয়েন করা হয়েছে। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনা সদস্যরা ভোট তদারকিতে মাঠে থাকবে। 
ইসি জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এ সম্পর্কে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবির জানান, “রবিবার মধ্যরাত থেকেই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠে নামার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা পেয়েই সশস্ত্র বাহিনী মাঠে নামার প্রস্তুতি নেয়।” চট্টগ্রাম গতকাল সন্ধ্যা থেকেই সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। তার আগে গতকাল বিকালের পর থেকেই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট থেকে তাদের কর্তব্যস্থলে রওনা হতে দেখা গেছে। 
গত ১৩ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। ওইদিন তিনি বলেন, ‘ইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২৪ ডিসেম্বর সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মাঠে নামানো হয়েছে। এক হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি এখন মাঠে কাজ করছে। 

ইসি আরো জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের পরই এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। 

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আদলে এবারও ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন। উল্লেখ্য, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫ দিন মাঠে ছিল সেনাবাহিনী। তারা সাধারণ এলাকায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন এলাকায় একজন কমিশনারের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন। ওই নির্বাচনে সারা দেশে প্রায় ৫০ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এক্ষেত্রে প্রতিটি জেলায় একটি ব্যাটালিয়ন (৭৪০ সদস্য) ও প্রতিটি উপজেলায় এক প্লাটুন (৩৫ জন) সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন।
সেনাবাহিনীর প্রথম নারী মেজর জেনারেল সুসানে গীতি; বাংলাদেশ সেনাবাহিনী; Bangladesh Army; Defence
সেনাবাহিনীর প্রথম নারী মেজর জেনারেল সুসানে গীতি



ভয়েস অব পটিয়া-ন্যাশনাল ডেস্কঃ সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম নারী মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ডা. সুসানে গীতি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সামছুল হক, রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) সেনা সদরদফতরে তাকে মেজর জেনারেল পদবির র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা।

মেজর জেনারেল সুসানে গীতি’র স্বামী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুল্লাহ মোঃ হোসেন সাদ (অবঃ) একজন সফল সামরিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন সেনাবাহিনীতে নারী অফিসারকে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার মাধ্যমে সেই পদক্ষেপের আরো একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। 

মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ১৯৮৫ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী ডাক্তার হিসেবে ক্যাপ্টেন পদবিতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে প্রথম নারী হিসেবে হেমাটোলজি'তে এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন এবং বিভিন্ন সামরিক হাসপাতালে প্যাথলজি বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।