ভয়েস অব পটিয়াঃ টানা বৃষ্টিতে পটিয়া সদরে সৃষ্টি হয়েছে জলজট। প্রবল বর্ষণের ফলে পটিয়ার অধিকাংশ এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। চরম দূর্ভোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে পটিয়া পোষ্ট অফিস মোড়, ছবুর রোড, মিশন রোড, স্টেশন রোড, ক্লাব রোড, থানার মোড় সহ পটিয়া পৌর সদরের বেশ কয়েকটি প্রধান সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।

প্রবল বর্ষণে পটিয়া সদরে জলজট; চরম দূর্ভোগে বিপর্যস্ত জনজীবন; ভয়েস অব পটিয়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা; চট্টগ্রাম; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক; ইন্দ্রপুল লবণ শিল্প, পটিয়া লবণ শিল্প, পটিয়া বাইপাস, চাঁনখালী খাল, কক্সবাজার; Voice of Patiya

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ টানা বৃষ্টিতে পটিয়া সদরে সৃষ্টি হয়েছে জলজট। টানা তিন দিনের প্রবল বর্ষণের ফলে পটিয়ার অধিকাংশ এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। চরম দূর্ভোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে পটিয়া পোষ্ট অফিস মোড়, ছবুর রোড, মিশন রোড, স্টেশন রোড, ক্লাব রোড, থানার মোড়, ডাকবাংলো রোড, জামেয়া রোড, আমির ভান্ডার রোড সহ পটিয়া পৌর সদরের বেশ কয়েকটি প্রধান সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। এর ফলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষদের। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘পটিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের অপর্যাপ্ত ও অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত পলিথিনসহ ময়লা-আবর্জনা সরাসরি ড্রেনের পানি নিষ্কাশনের পথে ফেলার কারণে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।’

পটিয়ার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে তারা ভয়েস অব পটিয়া’কে জানান, ‘গত ৫ বছর আগেও পটিয়া পৌরসভার প্রধান সড়কগুলোতে এই ধরনের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি; পৌর কর্তৃপক্ষের অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ, ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশন না হওয়ার কারণে পটিয়া পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির মূল কারণ। যার ফলে দৈনন্দিন চলাফেরা, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। হিমশিম থেকে রক্ষা পেতে সঠিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন একাধিক ব্যবসায়ী।’
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই পটিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়; যার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে-আসতে আমাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’

এদিকে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, পৌর কর্তৃপক্ষের অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণের ফলে রাস্তায় জমে থাকা পানি সহজে নিষ্কাশনে বাধা পাচ্ছে। তাছাড়া বিগত ২ বছর যাবত ধীরগতিতে ড্রেন নির্মাণ এর একটি বড় কারণ।

পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পৌর মেয়র হারুনুর রশিদ জানান, ‘উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বৃষ্টির পানি সরাসরি পটিয়া পৌর এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, যার ফলে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া টানা তিন দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের ফলে পৌর সদরের নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। বৃষ্টি কমার সাথে সাথে পানি নেমে যাবে। এছাড়া পৌর সদরের নির্মানাধীন ড্রেনগুলোর কাজ শেষ হলে অচিরেই পৌরবাসী এই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে।’

এদিকে উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের শ্রীমাই খালের বাঁধ ভেঙে পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ডুবে গেছে শখানেক পুকুর। কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মৎস্য ব্যবসায়ীদের।


পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
Share To:

Voice of Patiya

Post A Comment:

0 comments so far,add yours

Note: Only a member of this blog may post a comment.