| | পটিয়ার তাপমাত্রা: --°C
অপরাধ

পটিয়ায় ডাক্তারের অবহেলায় এ্যাম্বুলেন্সে সন্তান প্রসব!

পটিয়ায় ডাক্তারের অবহেলায় এ্যাম্বুলেন্সে সন্তান প্রসব!; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
পটিয়ায় ডাক্তারের অবহেলায় এ্যাম্বুলেন্সে সন্তান প্রসব!

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত ডাক্তার-নার্সের অবহেলায় সন্তান প্রসবের মুুহুর্তে প্রসূতি রোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে মাঝপথে এ্যাম্বুলেন্সে সন্তান প্রসব হওয়ার চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে।

প্রসূতির নাম সাবরিনা সুলতানা নিপা। তিনি পটিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী।

জানা যায়, সন্তান সম্ভাবা সাবরিনা সুলতানা নিপার গত রবিবার সন্তান প্রসবের দিন ধার্য্য ছিল। প্রসব বেদনা শুরু হলে ঐদিন বেলা ১টায় তাকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে তার অবস্থা ভাল বলে তার স্বামীকে জানায়। স্বাভাবিক ডেলিভারী হওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু বিকেল ৫টায় কর্তব্যরত ডাক্তার তার স্বামীকে জানায়, এখানে ডেলিভারী করা সম্ভব নয়, তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে। এতে তার স্বামী তৌহিদ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারকে ডেকে ভাড়া করতে চাইলে, সে অপারগতা প্রকাশ করে। অতঃপর কয়েকজনের অনুরোধে সে রাজী হয়। সে সময় রোগীর চরম প্রসব বেদনা শুরু হয়। প্রসব বেদনার মধ্যেই তাকে অনেক কষ্টে অন্য এ্যাম্বুলেন্সে তুলে সাড়ে ৫টায় চমেক হাসপাতালে রওনা হন। চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটের কাছাকাছি পৌঁছালে এ্যাম্বুলেন্সে বাচ্চা প্রসব হয়ে যায়। এ্যাম্বুলেন্সে সাথে থাকা মহিলারা উপায়ান্ত না দেখে তাকে তড়িঘড়ি করে চাঁন্দগাও আবাসিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা করে। সাবরিনা সুলতানার পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। 

এ ব্যাপারে ভুক্তভুগীর স্বামী তৌহিদ জানান, ‘নার্সদের চাহিদা মত টাকা না দেওয়ায় পরিকল্পিত ভাবে আমার স্ত্রীর সন্তান পটিয়া হাসপাতালে প্রসব না করিয়ে তাকে চমেকে প্রেরণ করেছে।’ 

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা ডাঃ শিশির কুমার রায় থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘তিনি সে সময় জরুরী বিভাগে দায়িত্বে ছিলেন না। সে সময় ডা. সিম্পল দে, ডা. জেবুন্নেছা কোরেশীর দায়িত্ব ছিল বলে জানান। ’
ডা. জেবুন্নেছার সাথে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘রোগীর অবস্থা ভাল ছিলো না তাই তাকে চমেকে রেফার্ড করেছি।’

মন্তব্য

মন্তব্য করুন

পটিয়া সব দেখুন ›

লোড হচ্ছে...

চট্টগ্রাম সব দেখুন ›

লোড হচ্ছে...