ভয়েস অব পটিয়াঃ লোকসানে পড়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা; চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টিকে গ্রুপ, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কমপ্লেক্স; করোনা, করোনা ভাইরাস, কোভিড, কোভিড১৯, স্যানিটাইজার, কেরু এন্ড কোম্পানী, ফৌজদারহাট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিডেজ, বিআইটিআইডি; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চমেক, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল, পার্কভিউ হাসপাতাল, Chittagong, Chattogram Medical College Hospital, CMCH, Chattogram General Hospital, Chattogram Field Hospital, Surgiscop Hospital, Parkview Hospital Corona, Corona Virus, Covid, Covid19, Sanitizer, Carew and Company; Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Disease, BITID, IEDCR, পাটকল, Jute mill
রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ
লোকসানে পড়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বাংলাদেশে পাট উৎপাদনের ইতিহাস ৩০০ বছরের। এক সময় গর্ব করে পাটকে বলা হতো ‘সোনালি আঁশ’। যুগের সাথে তাল মিলাতে না পেরে সময়ের বিবর্তনে গুরুত্ব হারাল পাট। যার ফলে লোকসানে ধুঁকতে ধুঁকতে অবশেষে দেশের সকল রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শ্রমিকদের পাওনা মজুরি বুঝিয়ে দিয়ে বন্ধ হচ্ছে সব পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম।

দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের সংখ্যা ২৫টি। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাটকলগুলোতে কর্মরত শ্রমিকরা। তারা বলছেন, এতে হুমকির মুখে পড়বে তাদের জীবন-জীবিকা।

করোনার এই সংকটকালে পাটকল বন্ধকে আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বিরোধী রাজনীতিক ও শ্রমিক নেতারাও। তবে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) বলছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় পাটকলগুলো বন্ধের পর ফের, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীর (পিপিপি) ভিত্তিতে বা অন্য কোনোভাবে পাটকলগুলো চালানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। ব্যবস্থাপনাও ছেড়ে দেয়া হবে বেসরকারি হাতে। পাটকল করপোরেশন সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, নতুন ব্যবস্থাপনায় এসব কারখানায় পুরনো শ্রমিকদের চাকরির নিশ্চয়তা থাকবে। তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই পরবর্তী কৌশল সাজাচ্ছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। শ্রমিকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো এবং তাদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য নতুন পিপিপি ব্যবস্থাপনায় পাটকল স্থাপন করার শর্ত দেয়া হচ্ছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে পাটকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্ধের বিষয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বন্ধের। এরপর বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।
মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, সরকারি খাতের পাটকলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শ্রমিকদের সমুদয় পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে যে পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হয় তার ৯৫ শতাংশই বেসরকারি পাটকলে উৎপাদিত হয়। সরকারি খাতটি অত্যন্ত সংকুচিত হয়ে গেছে, যা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছিল না। এগুলোকে আবার প্রতিযোগিতায় কীভাবে আনা যায় এবং কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সে বিবেচনায় এখন পাটকলগুলো বন্ধ করার ঘোষণা করা হয়েছে। এসব পাটকল বন্ধ থাকলে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় চালু থাকলে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। কাজেই এসব পাটকলের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ভাইদের জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তার জন্য সরকার তাদের ২০১৫ সালের জাতীয় মজুরি কাঠামো অনুযায়ী সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও এ নির্দেশনাও দিয়েছেন, যে পাটকলগুলো বন্ধ আছে সেগুলো কীভাবে চালু করা যায়, যাতে সেগুলো বর্তমান এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে। এ সংক্রান্ত একটি কর্মপন্থা প্রস্তুত করে অতি দ্রুত তার কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।


জাতীয়-আন্তর্জাতিক-চট্টগ্রামের সংবাদসহ পটিয়া সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে থাকুন।
Share To:

Voice of Patiya

Post A Comment:

0 comments so far,add yours