vop-ad1

ভয়েস অব পটিয়াঃ শতবর্ষের ইতিহাস - ‘আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় নামক আলোর শিখা বিকীরণকারী বিদ্যায়তনটির শত বছর ব্যাপী শিক্ষা

শতবর্ষের ইতিহাসঃ আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়; ‍asrahs; patiya; chittagong; chattogram; abdus sobhan; school; historical; পটিয়া; চট্টগ্রাম; মাওলানা আবদুস সোবহান; বিদ্যালয়; স্কুল; পটিয়ার স্কুল; চট্টগ্রামের স্কুল; ঐতিহ্যবাহী; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
শতবর্ষের ইতিহাসঃ আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় - ১ম পর্ব

শতবর্ষের ইতিহাস সিরিজ - ‘আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়’

১ম পর্ব

১. চট্টগ্রাম জেলার পটিয়াতে ‘আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়’ নামক আলোর শিখা বিকীরণকারী বিদ্যায়তনটির শত বছর ব্যাপী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদান অনেক দীর্ঘ। তবে এই ইতিহাস সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও সকলের উদ্দেশ্যে তুলে ধরার দুঃসাহসিক চেষ্টা করা হলো। 

২. প্রথমত, ‘রাহাত আলী হাই স্কুল’ নামক একটি উচ্চ ইংরেজী স্কুল বা হাই স্কুল ঐতিহাসিক কি উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো তা প্রথমেই প্রনিধানযোগ্য ও মূল্যায়নের দাবীযোগ্য। 
পূর্ব বাংলাসহ তৎকালীন ভারতে ব্রিটিশদের সাম্রাজ্যবাদী শাসন চলছিলো। বাংলা ছিলো ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের বারুদ ঘর। তাই ব্রিটিশরা ‘বঙ্গ-ভঙ্গ আইন ১৯০৫’ তৈরী করে বাংলাকে ভাগ করলো, যা ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর কার্যকর করা হয়েছিলো। স্বদেশী স্বাধীনতা আন্দোলনকারীরা এর বিরোধীতা করে আন্দোলন শুরু করলেন। আন্দোলনের চাপে ব্রিটিশরা আবার ‘বঙ্গ-ভঙ্গ রহিত আইন-১৯১১’ তৈরী করে বাংলাকে ভাগ করা রহিত করলো। তবে ‘বঙ্গ-ভঙ্গ আইন’ বাতিল করতে হবে বুঝতে পেরে ব্রিটিশ শাসকরা ভারত বাংলায় তাদের শাসন সংস্কারের ধোঁয়া তুলে, ১৯০৯ সালে ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ নামে একটি আইন প্রবর্তন করলো। আইনটির বিপদজনক বিষয় ছিলো, ভারত-বাংলায় প্রথম সাম্প্রদায় ভিত্তিক নির্বাচন প্রথার প্রবর্তন। ব্রিটিশদের উদ্দেশ্য ছিলো, ঐ সময়ে আধুনিক শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা মুসলমানদেরকে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে উস্কে দিয়ে ধর্মীয় বিভেদ ও হানাহানি সৃষ্টি করা। 

দেশের অন্যান্য স্থানের মহান মনিষীদের মতো, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়াতে মৌলানা আবদুস সোবহান সাহেব সমূহ বিপদের সম্ভাবনা বুঝতে পারলেন। এ অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক হানাহানি রোধে মুসলমানগণসহ সব সম্প্রদায়কে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে মৌলানা সাহেব তাঁর পরিচালিত মক্তবটিকে ‘উচ্চ ইংরেজী স্কুল বা হাই স্কুল’ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হলেন। মৌলানা সাহেবের সেই স্কুলটি আমাদের জ্ঞান চর্চার বাতিঘর ‘আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়’। 

৩. প্রচার অনুযায়ী, ‘পটিয়া থানার মোড়ের মসজিদ’ নামে পরিচিত মসজিদটির দক্ষিণ দিকের জায়গাটিকে বলা হতো মসজিদ বাড়ি। এর পাশে ছিলো একটি মক্তব। শ্রুতি অনুযায়ী, ছদু মল্ল প্রকাশ ছদু তালুকদার পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় মৌলানা আবদুস সোবহান সাহেব মক্তবটি চালাতেন। প্রয়োজনের নিরিখে তিনি এখানে প্রথমে ইংরেজী মাইনর স্কুল করলেন। ১৯১৪ সালে স্কুলটিকে উচ্চ ইংরেজী স্কুল বা হাই স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করলেন। দুষ্কৃতিকারীরা ঐসময়ে স্কুল ঘরটি পুড়ে দিলো। মৌলানা আবদুস সোবহান সাহেবের অন্তর কেঁদে উঠলো। 

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের উক্তি, “যে আলো পথ দেখাইতে প্রজ্জ্বলন করা হয়, সে আলো যদি জ্বালাইয়া পুড়াইয়া দিবার জন্য ব্যবহারিত হয় তাহা হইলে ধ্বংসই ডাকিয়া আনা হয়।” 

মৌলানা সাহেব বুঝতে পেরেছিলেন যে, কেউ সৃষ্টি করেন, আর কেউ ধ্বংস করে। তিনি পটিয়া থানার তৎকালীন সময়ের দারোগা রাহাত আলী সাহেবের নিকট আইন ও নিরাপত্তার সহযোগীতা চাইলেন। শিক্ষানুরাগী দারোগা সাহেব উদারচিত্তে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিলেন। মৌলানা সাহেব রাহাত আলী দারোগাকে নিয়ে আবার দক্ষিণ পাশে নতুন স্কুল ঘর নির্মাণ করলেন এবং মৌলানা সাহেব নিজে অকৃতদার রাহাত আলী দারোগার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্কুলের নাম দিলেন ‘রাহাত আলী হাই স্কুল’। ১৯১৮ সালে মৌলানা সাহেবের মৃত্যুর পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যগণ মৌলানা সাহেবের স্মৃতি রক্ষার্থে স্কুলের নাম দিলেন ‘আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়’। আজাবধি তাইই আছে। 

৪. সূত্র মতে, স্কুল নির্মাণ আর স্কুল পরিচালনার জন্য রাহাত আলী দারোগা সাহেব মৌলানা সাহেবকে এককালীন কিছু অর্থ প্রদান করেন এবং পটিয়া থানার প্রতিটি মামলায় দুই পয়সা (অর্ধেক আনা) হারে ‘স্কুল তহবিল’ গঠনের জন্যে অর্থ প্রদান করার নিয়ম তৈরী করেছিলেন বলে জানা যায়। এর সাথে মৌলানা সাহেব ওয়াজ-মাহফিল করে যে অর্থ কড়ি পেতেন তা থেকে নিজের পরিবারের জন্যে সামান্য রেখে বাকী প্রায় সবটাই স্কুল তহবিলে জমা দিতেন। 

ড. মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মতে, “জ্ঞানবৃক্ষের ফল গ্রহন করিয়াছে বলিয়া সে বেচারী চিরদিনের জন্য শান্তিস্বর্গ হইতে বিচ্যুত”। 

মৌলানা সাহেবের অবস্থা ঠিক তেমনটাই ছিল। সবার চোখে ঘুম আছে, মৌলানার চোখে ঘুম বলতে ‘স্কুল প্রতিষ্ঠার মন্ত্র-সাধন’। অর্থ আর মানুষ থাকলেতো চলবেনা, স্কুলের জন্যে যায়গা চাই। মৌলানা সাহেব মিনতি জানালেন ছদু মল্ল প্রকাশ ছদু তালুকদার পরিবারের সদস্যদের কাছে। সত্য কথা, উদার চিত্তে তাঁরাও এগিয়ে এলেন। রটনা, ঘটনা ও মুখ-ব্যঞ্জনাময় প্রবাদ প্রচলন যাইই থাকুক না কেন, ঐ সময়ে স্কুলের নামে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরিত না হলে দুষ্কৃতিকারীগণ আর ষড়যন্ত্রকারীগণই জয়লাভ করতো, আর মৌলানা আবদুস সোবহান সাহেব হৃদয়ে আঘাতপ্রাপ্ত ও অপমানিত হতেন। অতএব, তখনকার সংকটাপন্ন সময়ে স্কুলের জন্যে জমি হস্তান্তরকারীগণের নামগুলিও জানা প্রয়োজন। জমির দাতাগণ ঐ সময়ে স্কুলের জন্যে জমি দান করেছিলেন নাকি জমি বিক্রয় করেছিলেন এমন প্রশ্ন তাঁদের মুখেই শোভা পায় যাঁরা এই স্কুল প্রতিষ্ঠায় মৌলানা সাহেবের স্বপ্নকে বড়ো মনের দৃষ্টিতে বিবেচনা করতে পারেননি। 

৫. ইতিহাসের স্মৃতিময় সময়, ১৯১৪ সাল। ঐ সালেই মসজিদের দক্ষিণ সীমানা থেকে পটিয়া স্কুলের উত্তর সীমানা পর্যন্ত মোট ২.৫৬ (দুই দশমিক পাঁচ ছয়) একর বা দুই শত ছাপ্পান্ন শতক জমি প্রথম পর্বে মৌলানা আবদুস ছোবাহান সাহেবের চেষ্টা ও তদবিরে ছদু তালুকদার পরিবারের সদস্যরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছদু তালুকদারের তিন পুত্র আলী আহমদ, আমির হোসেন, আকাম উদ্দিন হস্তান্তর করলেন। 
১৯২৪ সালে চট্টগ্রামে আর এস জরিপ শুরু হয়। স্কুলের মূল জায়গার আর এস জরিপ রেকর্ডীয় চৌদ্দটি খতিয়ানে ২.৫৬ একর জমির উপরোস্ত মালিক হিসেবে যাঁদের নাম পাওয়া যায় তাঁরা হলেনঃ- ১)আকাম উদ্দিন, ২) আমিন শরীফ, ৩) আমির হোসেন, ৪) আনছুর আলী, ৫) ছবির আহমদ, ৬)হাবিজের রহমান, ৭) ওবেদর রহমান, ৮) মতিয়র রহমান, ৯) আলী আহমদ, ১০) মনির আহমদ, ১১) ফজল আহমদ, ১২) আহমদর রহমান, ১৩) নুর আহমদ, ১৪) ছৈয়দ আহমদ, ১৫) ছবুরা খাতুন, ১৬) আকিমা খাতুন, ১৭) আবিদা খাতুন, ১৮) আতরজান, ১৯) ময়মুনা খাতুন, ২০) দেলোয়ার হোসেন, ২১) কেরামত আলী, ২২) আবুল খায়ের। সবার সাকিন পটিয়া। স্কুলের নামের রেকর্ড খতিয়ানে যেহেতু এঁদের নাম রয়েছে, তাই এঁরা সকলেই আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গৌরবের অংশীদার। উক্ত রেকর্ড খতিয়ান সমূহে স্কুলের পক্ষে দখলকার মালিক হিসাবে নীচের কলামে তৎ সময়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির সম্পাদক বড়উঠান নিবাসী ফজলর রহমান পিতা- হামিদ আলী’র নাম খুঁজে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে, বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনের পিছনের .৮৫ (দশমিক আট পাঁচ) একর বা পচাশি শতক জমি যেখানে অনেক পূর্বে একটি মজা দল পুকুর ছিলো বলে জানা যায়, যা ‘আবু তোরাব পুকুর’ এবং পরে ‘উতুম্মে পুকুর’ নামে পরিচিত ছিলো। এটি ভরাট হয়ে জমিতে পরিণত হলে পূর্বের মালিক দাতাগণের ওয়ারিশগণ হতে স্কুলের নামে হস্তান্তরিত হওয়ার দলিল পাওয়া যায়। 

সর্বশেষ, ১৯৯৬ সালে .০৮৭৫ ( দশমিক শূণ্য আট সাত পাঁচ) একর বা পৌনে নয় শতক জমি সর্ব পশ্চিম উত্তর কোণায় স্কুল কর্তৃপক্ষ খরিদ করে। বর্তমানে স্কুলের নামে ব্যবহার উপযোগী জায়গার পরিমাণ ৩.৫৮৭৫ (তিন দশমিক পাঁচ আট সাত পাঁচ) একর বা তিন শত পৌনে ঊনষাট শতক। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক হিসাব অনুযায়ী প্রায় নয় কানি। সবটুকু জায়গার সর্বশেষ রেকর্ড নামজারী খতিয়ান আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নামেই প্রচারিত ও প্রকাশিত আছে।
তবে, পরবর্তীতে যাঁরা স্কুলের জন্যে ছাত্রাবাস ভবন, ক্রীড়া কমপ্লেক্স ভবন, আইসিটি ভবন, পাঠাগার ভবন ও আলাদাভাবে শিক্ষকদের জন্যে স্টাডি ভবন নির্মাণের জন্যে পশ্চিম পাশে থাকা জমি খরিদ করে বিদ্যালয়ের নামে দিতে পারবেন, যদি কেউ এমন শিক্ষানুরাগী দাতাগনের সমন্বয় ঘটে। 
 
৬. আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা হিসেবে অপরাপর যাঁদের নাম পাওয়া যায় তাও উল্লেখ করার দাবী রাখে। ১৯৮৪ সালে প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মুছা বি.এড স্যারের সময়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাথে যুক্ত হন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হামিদুল হক সাহেব এবং তিনি দীর্ঘতম সময় ধরে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি ও পরে সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বিদ্যালয় করিডরের দক্ষিণ পাশের উত্তরমুখী ভবনের উপরের তলায় হামিদুল হক সাহেব তাঁর পিতার নামে “আলহাজ্ব আহমদর রহমান ছাত্রাবাস” নিজ অর্থে নির্মাণ করে দেন। উক্ত ভবনের নীচতলা নির্মিত হয়েছিলো সাবেক থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক স্কুল সভাপতি মরহুম হামিদুর রহমানের উদ্যোগে এবং চেষ্টায়। হামিদুল হক সাহেবের অনুরোধে উক্ত ভবনের উপরের তলার পশ্চিম পাশের ২নং কক্ষটি আলহাজ্ব আখতার হোসেন ফিরোজ তাঁর পিতা আবুল ফজল স্মরণে নির্মাণ করে দেন। অতপরঃ হামিদুল হক সাহেবের চেষ্টায় এবং অনুরোধে এস. আলম মাসুদ সাহেব তাঁর পিতা মরহুম মোতাহেরুল আনোয়ার স্মরণে পূর্বপাশের পশ্চিমমুখী ভবনের নীচতলা সম্পূর্ণ বি.এড মুছা স্যারের সময়ে এবং বাকী কাজ বি.কম মুছা স্যারের সময়ে নির্মাণ করে দেন। (হামিদুর রহমান এবং হামিদুল হক একই ব্যক্তি নন)। অতঃপর, হামিদুল হক সাহেবের অনুজ, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সোলাইমান সাহেব নিজ অর্থে বিদ্যালয়ের পিছনের মাঠের উত্তর পাশের দক্ষিণমুখী ভবনের উপরের তলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে দেন। উক্ত ভবনের নীচের তলার নির্মাণ কাজ ইতোপূর্বে এডিবি’র অর্থে সম্পন্ন হয়। সাবেক সভাপতি সোলাইমান সাহেবের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরটি নির্মিত হয় বলে জানা যায়। 
বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে থাকাবস্থায় ২০১০ সালের ৮ জুন হামিদুল হক সাহেব মারা গেলে, তাঁর স্মরণে আয়োজিত শোকসভার বিশাল সমাবেশে, পটিয়ার মাননীয় সাংসদ সামশুল হক চৌধুরী সাহেব উত্তর পাশের দক্ষিণমুখী চারতলা ভীতবিশিষ্ট ভবনের নীচতলা হামিদুল হক সাহেবের স্মৃতি রক্ষার্থে ‘হামিদুল হক ভবন’ নামকরণ করেন। উল্লেখ্য যে, উত্তর পাশের এই ভবনটি মাননীয় সাংসদ মহোদয়ের উদ্যোগে সরকারীভাবে মঞ্জুরীকৃত বলে জানা যায়। বিদ্যালয়ের দাতা তালিকায় সর্বজনাব এনামুল হক, আনিসুল হক, আবুল কাসেম, আকতার হোসেন ফিরোজ, মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, সাইফুল আলম মাসুদ গণের নাম লিপি আছে বলে রেকর্ড থেকে জানা যায়। আরো যাঁরা বিদ্যালয়ের দাতা তালিকায় আছেন, তাদের নাম উল্লেখ করতে না পারার ব্যর্থতা লেখকের নিজের।

চলবে..

লেখকঃ- স.ম ইউনুচ
বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন ছাত্র

২য় পর্ব পড়তে ক্লিক করুন

বিঃদ্রঃ
(লেখাটি আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন স্মারকগ্রন্থের জন্য প্রস্তুতকৃত ছিলো। অনেকগুলো তথ্য সম্পাদন করে নতুনভাবে প্রকাশ করা হলো। ইতিহাসের সত্য অস্বীকার করা যায় না। যে কারো মতামত গ্রহণযোগ্য। - লেখক) 


আপনার মতামত জানাতে পারেন কমেন্টবক্সে কিংবা মেসেজ করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে 

Share To:

Voice of Patiya

জানাতে পারেন আপনার মন্তব্য :

0 comments so far,add yours