ভয়েস অব পটিয়াঃ পটিয়া পৌর মেয়র ও বাস শ্রমিকদের বিরোধের জের ধরে পৌরসভা বাস টার্মিনাল উদ্বোধনের ৫ মাস গত হলেও চালু করতে পারেনি পৌর কর্তৃপক্ষ।
![]() |
| পটিয়া পৌরসভা বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক |
ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্ক: পটিয়া পৌর মেয়র ও বাস শ্রমিকদের বিরোধের জের ধরে পৌর বাস টার্মিনাল উদ্বোধনের ৫ মাস গত হলেও চালু করতে পারেনি পৌর কর্তৃপক্ষ।
মেয়র ও বাস শ্রমিকদের বিরোধের জের নিরসনের লক্ষ্যে গতকাল রবিবার বিকেলে বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। পরে পৌরসভা মিলনায়তনে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কোন ধরনের ফলপ্রসূ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে নি কোন পক্ষই। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উভয়ের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে টার্মিনাল চালু করা হবে জানান পৌর মেয়র।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র হারুনুর রশিদ, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী টিপু, ইউএনও রোকেয়া পারভীন, বাস মালিক পরিবহন সমিতির চট্টগ্রামের মহাসচিব ও সাবেক পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ মুছা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন, বিলাসী পরিবহনের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রাশেদ মনোয়ার, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম, পৌর কাউন্সিলর আমির হোসেন, আবু ছৈয়দ, শফিউল আলম প্রমুখ।
জানা যায়, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ইউটিআইডিপি ও পৌরসভার রাজস্ব তহবিল থেকে একটি প্যাকেজ কর্মসূচীর অধীনে বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৬০ লক্ষ ০৮ হাজার ৫১২ টাকা ব্যয় ধরা হয়। ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর উক্ত কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। এ দরপত্রে আঁখি এন্টারপ্রাইজ সর্বনিম্ন দরপত্র দাতা হিসেবে কাজের জন্য নির্বাচিত হয়। এ দরপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কেলেঙ্কারীর ঘটনা ঘটে। ঠিকাদাররা অনিয়মের অভিযোগ এনে পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অতঃপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আঁখি এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পেয়ে কাজ শুরু করে। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে কাজ শেষ হয়। ১৩ ডিসেম্বর উক্ত বাস টার্মিনাল উদ্বোধন করা হলেও টার্মিনালে বাস মালিক-শ্রমিকরা বাস সহ কোন যানবাহন এতে রাখছে না।
নির্মিত টার্মিনাল থেকে পটিয়া বাসষ্টেশন এলাকার দূরত্ব ১ কিলোমিটার। এ টার্মিনালের আশে পাশে কোন দোকানপাট বা লোকসমাগম নেই। এছাড়া টার্মিনালটি খোলামেলা হওয়ায় এতে যানবাহন রাখাও নিরাপদ নয়। বাস মালিক-শ্রমিকরা জানান, ‘অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত টার্মিনালে গাড়ী পার্কিং করাও সুবিধাজনক নয়। এর মধ্যে পৌর সদর থেকে টার্মিনাল দূরে হওয়ায় অতিরিক্ত জ্বালানী খরচও বাড়বে। এতে পৌর সদরের যাত্রীরাও দূর্ভোগের শিকার হবে।’



জানাতে পারেন আপনার মন্তব্য :
0 comments so far,add yours
~ মন্তব্য নীতিমালা ~
😀 আমাদের পোর্টালে মন্তব্য, আলোচনা-সমালোচনা বজায় রাখার জন্য আমরা একটি নীতিমালা তৈরি করেছি। আমরা আশা করি, আপনারা তার যথাযথ অনুসরণ করে আপনাদের মন্তব্য প্রদান করবেন।
• ভয়েস অব পটিয়া কর্তৃপক্ষ ভিজিটর কর্তৃক নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে এমন মন্তব্যগুলো মুছে ফেলার অধিকার সংরক্ষণ করে।
• জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ, চেহারা ইত্যাদির ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি, কোন গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের প্রতি আপত্তিকর বা আক্রমণ করে এমন ভাষায় মন্তব্য করা যাবে না।
• আলোচনার বিষয়ের সাথে সম্পর্ক নেই এমন কোন মন্তব্য করা যাবে না। কিছু বিষয় ব্যতিক্রমী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে, তবে আলোচনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পারে এমন কোনো বিষয় ভয়েস অব পটিয়া কর্তৃক অনুমোদন করা হবে না।
• বাণিজ্যিক প্রকৃতির কিংবা বিজ্ঞাপনীয় উপাদান/লিঙ্ক রয়েছে এমন মন্তব্য করা যাবে না।
• যেসব মন্তব্য স্প্যামিং বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং একাধিক পোস্ট জুড়ে অভিন্ন মন্তব্য করলে সেগুলো মুছে ফেলা হবে।
• ঘৃণাত্মক, আক্রমণাত্মক, সহিংসতার প্ররোচনা দেয় এরকম কোন মন্তব্য করা যাবে না।
পরামর্শের জন্য মেইল contact@voiceofpatiya.com