Sunday, August 14, 2016

অবশেষে পটিয়া-বাঁশখালী-সীতাকুন্ডের পাহাড়ের গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ

অবশেষে পটিয়া-বাঁশখালী-সীতাকুন্ডের পাহাড়ের গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ; বুদবুদিছড়া; পটিয়া; চট্টগ্রাম; Patiya; Chittagong; Chattogram
অবশেষে পটিয়া-বাঁশখালী-সীতাকুন্ডের পাহাড়ের গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ; বুদবুদিছড়া গ্যাসক্ষেত্র

ভয়েস অব পটিয়া-নিউজ ডেস্কঃ ৬৩ বছর পর এবার দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া ও বাঁশখালীর জলদিসহ সীতাকুণ্ডের সীতাপাহাড় ও কাছালংয়ের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের প্রাথমিক জরিপ কাজ শেষে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।

চট্টগ্রামের ২২এ, ২২বি ব্লকের চারটি গ্যাসক্ষেত্র যথাক্রমে- পটিয়ার বুদবুদি ছড়া, বাঁশখালীর জলদি, সীতাকুণ্ডের সীতাপাহাড় ও কাছালং।

বাপেক্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে ভয়েস অব পটিয়া’কে বলেন, ‘চট্টগ্রামের ২২এ ও ২২বি ব্লকের চারটি গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলনের জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারী পাওয়া গেলেই এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।’

২০০৮ সালে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর জলদি ও পটিয়ার হাইদগাঁও গ্যাসক্ষেত্র নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্দেশে পুনরায় শুরু হয় জরিপ কাজ। পর্যায়ক্রমে ২০১২ সালের শেষদিকে প্রাথমিক জরিপ কাজ শেষ করে বাপেক্স।পরবর্তীতে আবারও বাপেক্সের একটি বিশেষজ্ঞ দল জরিপ কাজ চালায়। বাপেক্সের এই জরিপের ওপর নির্ভর করে বর্তমান সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এই গ্যাসক্ষেত্রেগুলোর গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ গ্রহণ করে বলে জানা গেছে।

১৯৫০ সালে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁওয়ের পাহাড়ি এলাকার শ্রীমাই বুদবুদিছড়া নামক স্থানে প্রথম এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। ওই বছর থেকেই পর্যায়ক্রমে কয়েক দফা প্রাথমিক জরিপ ও খনন কাজ চালানো হয় এবং গ্যাস প্রাপ্তির দ্বারপ্রান্তে এসে ১৯৫৩ সালের দিকে খননকৃত গ্যাস কূপের নাভিপথে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সীসা ঢালাই করে দেয় সংশ্লিষ্ট ব্রিটিশ বিদেশি কোম্পানিটি।

পটিয়ার হাইদগাঁওয়ে অবস্থিত বুদবুদিছড়া গ্যাসক্ষেত্রে সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়বেষ্টিত গ্যাসক্ষেত্রে পূর্বে খননকৃত স্থান থেকে অনবরত গ্যাস বের হচ্ছে, যাতে একটু আগুন লাগালেই ঝলছে। তাছাড়া ওই গ্যাসক্ষেত্রের পাহাড়ের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছড়ার পানিতে বুদবুদ করে গ্যাস বের হতে দেখা গেছে।

১৯৬০ সালে বাঁশখালীর জলদির আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ গ্রহণ করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ও কোরিয়া এবং রাশিয়ার সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ দল। ঐ দলটি প্রাথমিক জরিপ কাজ চালিয়ে উক্ত এলাকায় খনন করে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেলও পায়। এ সময় বিশেষজ্ঞ দলটি তেল ও গ্যাস প্রাপ্তির সম্ভাবনা সংবলিত একটি রিপোর্টও তৎকালীন সময়ে জমা দেয়।


React:
শেয়ার করুন

Author:

Voice of Patiya ঐতিহ্যবাহী পটিয়ার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল মিডিয়া / অনলাইন নিউজ পোর্টাল। পটিয়াকে অনলাইনে সমৃদ্ধ করার সাথে সাথে পটিয়ার গণমানুষের কথা প্রচার করা Voice of Patiya’র একমাত্র লক্ষ্য। পটিয়ার প্রধান প্রধান সমস্যাগুলোর সংবাদ, তথ্য, পটিয়ার সমসাময়িক বিষয়বস্তুসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংবাদ প্রচারের জন্য Voice of Patiya আছে আপনার পাশে।

0 comment:

বিজ্ঞাপন

ad2

নিউজ আর্কাইভ